পদ্মায় জেলের দুয়ারীতে মিলল সমুদ্রের বিশাল বাওস
jugantor
পদ্মায় জেলের দুয়ারীতে মিলল সমুদ্রের বিশাল বাওস

  শামীম শেখ, গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী)  

২৭ জুলাই ২০২১, ২০:১৩:৫৩  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে পদ্মা নদীতে ৩ কেজি ২শ গ্রাম ওজনের এবং ৩ ফুট দৈর্ঘের একটি সামুদ্রিক বাঙ্গোশ (বাওস) মাছ ধরা পড়েছে।

মঙ্গলবার ভোরে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের ২ কিলোমিটার ভাটিতে চর কর্ণেশনা এলাকায় জেলে বাচ্চু শেখের চায়না দুয়ারীতে অদ্ভুত এ মাছটি ধরা পড়ে।

মাছটি বিক্রির উদ্দেশ্যে দৌলতদিয়া ঘাটের দুলাল চালাকের আড়তে আনা হলে মৎস্য ব্যবসায়ী শাহজাহান শেখ উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে ১১শ টাকা কেজি দরে মোট ৩ হাজার ৫২০ টাকায় মাছটি কিনে নেন। এ সময় অদ্ভুত প্রকৃতির এ মাছটি দেখতে স্থানীয়রা সেখানে ভিড় করেন।

এই মাছটি সম্পর্কে ব্যবসায়ী শাহজাহান বলেন, এই মাছের প্রকৃত নাম বাওস হলেও স্থানীয়ভাবে আমরা এটাকে বাঙ্গোশ বলে থাকি। এ মাছ সাধারণত সমুদ্রে পাওয়া যায়। কিন্তু আষাঢ় ও শ্রাবণ মাসের দিকে মাঝে মাঝে পদ্মা নদীতে এটি ধরা পড়ে। এই মাছটির দ্বারা শারীরের ব্যথা উপশম হয় এবং মাছটি খুবই সুস্বাদু। তাই মাছটি আমি বিক্রি না করে পরিবার-পরিজনদের নিয়ে খাওয়ার জন্য রেখে দিয়েছি।

গোয়ালন্দ উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা মো. রেজাউল শরীফ বলেন, আঞ্চলিক ভাষায় এটিকে বাঙ্গোশ বললেও মূলত এই মাছের নাম বাওস। এটি সামুদ্রিক মাছ। সমুদ্র তীরবর্তী অঞ্চলে এ সব মাছ মাঝেমধ্যে ধরা পড়ে। বাওস মাছ প্রায় ২০ কেজি পর্যন্ত ওজনের হয়ে থাকে। এ মাছ অনেক সুস্বাদু ও দামি।

এ বিষয়ে তিনি আরও বলেন, এ ধরনের সামুদ্রিক মাছ বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির মধ্যে পড়ে। দেশীয় প্রজাতির বিভিন্ন মাছ সংরক্ষণের জন্য আমরা দৌলতদিয়ার কুশাহাটা এলাকায় তিনটি বদ্ধ জলমহালে অভয়াশ্রম করতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করেছি।

পদ্মায় জেলের দুয়ারীতে মিলল সমুদ্রের বিশাল বাওস

 শামীম শেখ, গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) 
২৭ জুলাই ২০২১, ০৮:১৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে পদ্মা নদীতে ৩ কেজি ২শ গ্রাম ওজনের এবং ৩ ফুট দৈর্ঘের একটি সামুদ্রিক বাঙ্গোশ (বাওস) মাছ ধরা পড়েছে।

মঙ্গলবার ভোরে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের ২ কিলোমিটার ভাটিতে চর কর্ণেশনা এলাকায় জেলে বাচ্চু শেখের চায়না দুয়ারীতে অদ্ভুত এ মাছটি ধরা পড়ে।

মাছটি বিক্রির উদ্দেশ্যে দৌলতদিয়া ঘাটের দুলাল চালাকের আড়তে আনা হলে মৎস্য ব্যবসায়ী শাহজাহান শেখ উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে ১১শ টাকা কেজি দরে মোট ৩ হাজার ৫২০ টাকায় মাছটি কিনে নেন। এ সময় অদ্ভুত প্রকৃতির এ মাছটি দেখতে স্থানীয়রা সেখানে ভিড় করেন।

এই মাছটি সম্পর্কে ব্যবসায়ী শাহজাহান বলেন, এই মাছের প্রকৃত নাম বাওস হলেও স্থানীয়ভাবে আমরা এটাকে বাঙ্গোশ বলে থাকি। এ মাছ সাধারণত সমুদ্রে পাওয়া যায়। কিন্তু আষাঢ় ও শ্রাবণ মাসের দিকে মাঝে মাঝে পদ্মা নদীতে এটি ধরা পড়ে। এই মাছটির দ্বারা শারীরের ব্যথা উপশম হয় এবং মাছটি খুবই সুস্বাদু। তাই মাছটি আমি বিক্রি না করে পরিবার-পরিজনদের নিয়ে খাওয়ার জন্য রেখে দিয়েছি।

গোয়ালন্দ উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা মো. রেজাউল শরীফ বলেন, আঞ্চলিক ভাষায় এটিকে বাঙ্গোশ বললেও মূলত এই মাছের নাম বাওস। এটি সামুদ্রিক মাছ। সমুদ্র তীরবর্তী অঞ্চলে এ সব মাছ মাঝেমধ্যে ধরা পড়ে। বাওস মাছ প্রায় ২০ কেজি পর্যন্ত ওজনের হয়ে থাকে। এ মাছ অনেক সুস্বাদু ও দামি।

এ বিষয়ে তিনি আরও বলেন, এ ধরনের সামুদ্রিক মাছ বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির মধ্যে পড়ে। দেশীয় প্রজাতির বিভিন্ন মাছ সংরক্ষণের জন্য আমরা দৌলতদিয়ার কুশাহাটা এলাকায় তিনটি বদ্ধ জলমহালে অভয়াশ্রম করতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করেছি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন