বিয়ের প্রলোভনে স্কুলছাত্রীকে দুই বছর ধরে ধর্ষণ, গ্রেফতার ৩
jugantor
বিয়ের প্রলোভনে স্কুলছাত্রীকে দুই বছর ধরে ধর্ষণ, গ্রেফতার ৩

  কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি  

২৮ জুলাই ২০২১, ১৬:১৬:১০  |  অনলাইন সংস্করণ

বিয়ের প্রলোভনে স্কুলছাত্রীকে দুই বছর ধরে ধর্ষণ, গ্রেফতার ৩

নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার পরকোর্ট ইউনিয়নে নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে (১৫) ধর্ষণের অভিযোগে গৃহশিক্ষক ফারাবি আহম্মেদ ফয়েজকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ধর্ষণের শিকার ছাত্রীর পরিবারকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগে ফারাবির বাবা ও ভাইকেও গ্রেফতার করা হয়েছে।

বুধবার সকালে ওই ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে ফারাবিসহ তিনজনকে আসামি করে চাটখিল থানায় একটি মামলা করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, নির্যাতিত ছাত্রী পঞ্চম শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় তাকে গৃহশিক্ষক হিসেবে প্রাইভেট পড়াত একই এলাকার রুহুল আমিনের ছেলে ফারাবি। সে গত দুই বছর ধরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে ওই ছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ করে। সবশেষ গত ৭ জুলাই ফারাবি তাকে কৌশলে নিজের ফুফুদের রান্নাঘরে নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক আবারও ধর্ষণ করে। এ সময় ছাত্রীর গোঙানির শব্দ পেয়ে বাড়ির লোকজন এগিয়ে এলে পালিয়ে যায় ফারাবি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করার চেষ্টা করলে ওই মেয়েকে বিয়ে করবে শর্তে ফারাবিকে ছাড়িয়ে নিয়ে যায় তার বাবা রুহুল আমিন। কিন্তু পরে তাকে বিয়ে না করে উল্টো হুমকি দিতে থাকেন ফারাবির পরিবারের লোকজন। বাধ্য হয়ে মঙ্গলবার রাতে নির্যাতিতার পরিবার থানায় এসে মৌখিক অভিযোগ করেছেন।

এ বিষয়ে চাটখিল থানার ওসি আনোয়ারুল ইসলাম জানান, বুধবার সকালে ওই ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে তিনজনকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেছেন। মামলায় অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের বিচারিক আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে।

নির্যাতিত ছাত্রীকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হবে বলেও জানান তিনি।

বিয়ের প্রলোভনে স্কুলছাত্রীকে দুই বছর ধরে ধর্ষণ, গ্রেফতার ৩

 কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি 
২৮ জুলাই ২০২১, ০৪:১৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
বিয়ের প্রলোভনে স্কুলছাত্রীকে দুই বছর ধরে ধর্ষণ, গ্রেফতার ৩
ফাইল ছবি

নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার পরকোর্ট ইউনিয়নে নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে (১৫)  ধর্ষণের অভিযোগে গৃহশিক্ষক ফারাবি আহম্মেদ ফয়েজকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ধর্ষণের শিকার ছাত্রীর পরিবারকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগে ফারাবির বাবা ও ভাইকেও গ্রেফতার করা হয়েছে।

বুধবার সকালে ওই ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে ফারাবিসহ তিনজনকে আসামি করে চাটখিল থানায় একটি মামলা করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, নির্যাতিত ছাত্রী পঞ্চম শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় তাকে গৃহশিক্ষক হিসেবে প্রাইভেট পড়াত একই এলাকার রুহুল আমিনের ছেলে ফারাবি।  সে গত দুই বছর ধরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে ওই ছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ করে। সবশেষ গত ৭ জুলাই ফারাবি তাকে কৌশলে নিজের ফুফুদের রান্নাঘরে নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক আবারও ধর্ষণ করে। এ সময় ছাত্রীর গোঙানির শব্দ পেয়ে বাড়ির লোকজন এগিয়ে এলে পালিয়ে যায় ফারাবি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করার চেষ্টা করলে ওই মেয়েকে বিয়ে করবে শর্তে ফারাবিকে ছাড়িয়ে নিয়ে যায় তার বাবা রুহুল আমিন। কিন্তু পরে তাকে বিয়ে না করে উল্টো হুমকি দিতে থাকেন ফারাবির পরিবারের লোকজন। বাধ্য হয়ে মঙ্গলবার রাতে নির্যাতিতার পরিবার থানায় এসে মৌখিক অভিযোগ করেছেন।    

এ বিষয়ে চাটখিল থানার ওসি আনোয়ারুল ইসলাম জানান, বুধবার সকালে ওই ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে তিনজনকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেছেন। মামলায় অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের বিচারিক আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে।

নির্যাতিত ছাত্রীকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হবে বলেও জানান তিনি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন