তরুণীকে নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল
jugantor
তরুণীকে নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল

  কচুয়া (চাঁদপুর) প্রতিনিধি   

২৮ জুলাই ২০২১, ১৯:৩২:৩৫  |  অনলাইন সংস্করণ

চাঁদপুরের কচুয়ার বুধুন্ডা গ্রামে মোবাইল চুরির অপবাদে এক তরুণীকে অমানবিকভাবে নির্যাতন করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ওই তরুণীর মারধরের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হলে এলাকায় ক্ষোভ এবং উত্তেজনা দেখা দেয়।

এ ঘটনায় কচুয়া থানা পুলিশ ৩ জনকে আটক করেছে। আটককৃতরা হলেন- একই গ্রামের শাহজালাল হোসেন, সফিকুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান।

স্থানীয়রা জানান, উপজেলার বুধুন্ডা গ্রামের আমানিয়া প্রধানীয়া বাড়ির অধিবাসী ছিফায়েত উল্যাহর মেয়ে সুমি আক্তারের মোবাইল চুরি হলে এক তরুণীকে চুরির অপবাদে সুমির শ্বশুর সফিকুল ইসলাম, ভাসুর শাহজালাল ও ভাই মেহেদী হাসান ওই তরুণীকে এলোপাতাড়িভাবে মারধর করেন, পরে নির্যাতনের শিকার তরুণী জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন।

নির্যাতনের শিকার তরুণী বলেন, মোবাইল চুরির অপবাদে আমাকে মারধর করে মাথায় চুল কাটার চেষ্টা করে এবং মাথার চুলে আলকাতরা লাগিয়ে দেয়। কিন্তু আমি মোবাইল চুরির সঙ্গে জড়িত নই। মিথ্যা অপবাদে আমাকে মারধর করা হয়েছে।

ওই তরুণীর মা বলেন, আমার মেয়েকে মোবাইল চুরির অপবাদে প্রতিপক্ষ লোকজন মারধর করে ফেসবুকে ছড়িয়ে দিয়েছে। কিন্তু আমার মেয়ে চুরির সঙ্গে জড়িত নয়।

মোবাইলের মালিক সুমি আক্তার জানান, ওই তরুণী আমার মোবাইল চুরি করে পরে অস্বীকার করলেও তার ঘর থেকে মোবাইল উদ্ধার করা হয়।

কচুয়া থানার ওসি মো. মহিউদ্দিন জানান, চুরির অপবাদে তরুণীতে মারধরের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ভিকটিমের মা মামলা দায়েরের প্রেক্ষিতে অভিযুক্তদের মধ্যে ৩ জনকে আটক করা হয় এবং তাদের চাঁদপুরের জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

তরুণীকে নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল

 কচুয়া (চাঁদপুর) প্রতিনিধি  
২৮ জুলাই ২০২১, ০৭:৩২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

চাঁদপুরের কচুয়ার বুধুন্ডা গ্রামে মোবাইল চুরির অপবাদে এক তরুণীকে অমানবিকভাবে নির্যাতন করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ওই তরুণীর মারধরের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হলে এলাকায় ক্ষোভ এবং উত্তেজনা দেখা দেয়।

এ ঘটনায় কচুয়া থানা পুলিশ ৩ জনকে আটক করেছে। আটককৃতরা হলেন- একই গ্রামের শাহজালাল হোসেন, সফিকুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান। 

স্থানীয়রা জানান, উপজেলার বুধুন্ডা গ্রামের আমানিয়া প্রধানীয়া বাড়ির অধিবাসী ছিফায়েত উল্যাহর মেয়ে সুমি আক্তারের মোবাইল চুরি হলে এক তরুণীকে চুরির অপবাদে সুমির শ্বশুর সফিকুল ইসলাম, ভাসুর শাহজালাল ও ভাই মেহেদী হাসান ওই তরুণীকে এলোপাতাড়িভাবে মারধর করেন, পরে নির্যাতনের শিকার তরুণী জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। 

নির্যাতনের শিকার তরুণী বলেন, মোবাইল চুরির অপবাদে আমাকে মারধর করে মাথায় চুল কাটার চেষ্টা করে এবং মাথার চুলে আলকাতরা লাগিয়ে দেয়। কিন্তু আমি মোবাইল চুরির সঙ্গে জড়িত নই। মিথ্যা অপবাদে আমাকে মারধর করা হয়েছে।

ওই তরুণীর মা বলেন, আমার মেয়েকে মোবাইল চুরির অপবাদে প্রতিপক্ষ লোকজন মারধর করে ফেসবুকে ছড়িয়ে দিয়েছে। কিন্তু আমার মেয়ে চুরির সঙ্গে জড়িত নয়।

মোবাইলের মালিক সুমি আক্তার জানান, ওই তরুণী আমার মোবাইল চুরি করে পরে অস্বীকার করলেও তার ঘর থেকে মোবাইল উদ্ধার করা হয়।

কচুয়া থানার ওসি মো. মহিউদ্দিন জানান, চুরির অপবাদে তরুণীতে মারধরের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ভিকটিমের মা মামলা দায়েরের প্রেক্ষিতে অভিযুক্তদের মধ্যে ৩ জনকে আটক  করা হয় এবং তাদের চাঁদপুরের জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন