এবার বড়শিতে ধরা পড়ল বিরল প্রজাতির বাওস মাছ
jugantor
এবার বড়শিতে ধরা পড়ল বিরল প্রজাতির বাওস মাছ

  গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি  

২৮ জুলাই ২০২১, ২২:৫১:৫২  |  অনলাইন সংস্করণ

গোয়ালন্দের দৌলতদিয়ায় পদ্মানদীতে এবার এক শৌখিন শিকারির বড়শিতে ধরা পড়েছে ১ কেজি ওজনের বিরল প্রজাতির একটি সামুদ্রিক বাওস (বাঙ্গোস) মাছ।

বুধবার সকাল ১০টার দিকে দৌলতদিয়ার ৫নং ফেরিঘাটের পন্টুনের পাশে ফাঁকা জায়গায় বড়শি ফেলে দেড় ফুটের মতো লম্বা এই মাছটি ধরেন স্থানীয় শৌখিন মৎস্য শিকারী আইনউদ্দীন শেখ। এ সময় মাছটি দেখতে স্থানীয়রা ভিড় জমান।

এর আগে মঙ্গলবার সকালে দৌলতদিয়ায় এক জেলের চায়না দুয়ারিতে ৩ কেজি ২শ গ্রাম ওজনের একটি বাওস মাছ ধরা পড়ে। মাছটি ১১শ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়।

আলাপকালে আইনউদ্দীন শেখ জানান, শখের বশে বহুদিন ধরে মাছ ধরি। এর আগে বড়শিতে নানা ধরনের মাছ ধরা পড়লেও বাঙ্গোস মাছ আজই প্রথম ধরলাম। এই মাছ অনেক সুস্বাদু ও উপকারী বলে শুনেছি। তাই পরিবারের সবাইকে নিয়ে রান্না করে খাব বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

আইনদ্দিন আরও বলেন, পেশায় তিনি একজন হকার। লঞ্চ-ফেরিতে ডিম বিক্রি করেন। কিন্তু লকডাউনের কারণে তার ব্যবসায় মন্দা। তাই দিনের বেশিরভাগ সময় নদীতে বড়শি দিয়ে মাছ ধরে সময় কাটান।

গোয়ালন্দ উপজেলার ভারপ্রাপ্ত মৎস্য কর্মকর্তা মো. রেজাউল শরীফ বলেন, আঞ্চলিক ভাষায় এটিকে বাঙ্গোস বললেও মূলত এ মাছের নাম বাওস। এটি সামুদ্রিক মাছ। সমুদ্র তীরবর্তী অঞ্চলে এসব মাছ মাঝেমধ্যে ধরা পড়ে। তবে বর্ষা মৌসুমে পদ্মা নদীর এ অঞ্চলে এ মাছ মাঝেমধ্যে ধরা পড়ে। বাওস মাছ প্রায় ২০ কেজি পর্যন্ত ওজনের হয়ে থাকে। এ মাছ অনেক সুস্বাদু ও দামি বলে সবার কাছে খুব লোভনীয়। কিন্তু এ জাতীয় মাছ বর্তমানে খুবই বিরল।

এবার বড়শিতে ধরা পড়ল বিরল প্রজাতির বাওস মাছ

 গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি 
২৮ জুলাই ২০২১, ১০:৫১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

গোয়ালন্দের দৌলতদিয়ায় পদ্মানদীতে এবার এক শৌখিন শিকারির বড়শিতে ধরা পড়েছে ১ কেজি ওজনের বিরল প্রজাতির একটি সামুদ্রিক বাওস (বাঙ্গোস) মাছ।

বুধবার সকাল ১০টার দিকে দৌলতদিয়ার ৫নং ফেরিঘাটের পন্টুনের পাশে ফাঁকা জায়গায় বড়শি ফেলে দেড় ফুটের মতো লম্বা এই মাছটি ধরেন স্থানীয় শৌখিন মৎস্য শিকারী আইনউদ্দীন শেখ। এ সময় মাছটি দেখতে স্থানীয়রা ভিড় জমান।

এর আগে মঙ্গলবার সকালে দৌলতদিয়ায় এক জেলের চায়না দুয়ারিতে ৩ কেজি ২শ গ্রাম ওজনের একটি বাওস মাছ ধরা পড়ে। মাছটি ১১শ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়।

আলাপকালে আইনউদ্দীন শেখ জানান, শখের বশে বহুদিন ধরে মাছ ধরি। এর আগে বড়শিতে নানা ধরনের মাছ ধরা পড়লেও বাঙ্গোস মাছ আজই প্রথম ধরলাম। এই মাছ অনেক সুস্বাদু ও উপকারী বলে শুনেছি। তাই পরিবারের সবাইকে নিয়ে রান্না করে খাব বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। 

আইনদ্দিন আরও বলেন, পেশায় তিনি একজন হকার। লঞ্চ-ফেরিতে ডিম বিক্রি করেন। কিন্তু লকডাউনের কারণে তার ব্যবসায় মন্দা। তাই দিনের বেশিরভাগ সময় নদীতে বড়শি দিয়ে মাছ ধরে সময় কাটান।

গোয়ালন্দ উপজেলার ভারপ্রাপ্ত মৎস্য কর্মকর্তা মো. রেজাউল শরীফ বলেন, আঞ্চলিক ভাষায় এটিকে বাঙ্গোস বললেও মূলত এ মাছের নাম বাওস। এটি সামুদ্রিক মাছ। সমুদ্র তীরবর্তী অঞ্চলে এসব মাছ মাঝেমধ্যে ধরা পড়ে। তবে বর্ষা মৌসুমে পদ্মা নদীর এ অঞ্চলে এ মাছ মাঝেমধ্যে ধরা পড়ে। বাওস মাছ প্রায় ২০ কেজি পর্যন্ত ওজনের হয়ে থাকে। এ মাছ অনেক সুস্বাদু ও দামি বলে সবার কাছে খুব লোভনীয়। কিন্তু এ জাতীয় মাছ বর্তমানে খুবই বিরল।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন