অ্যাম্বুলেন্সে করে বাঁশঝাড়ে ফেলে যায় তোতা মিয়াকে
jugantor
অ্যাম্বুলেন্সে করে বাঁশঝাড়ে ফেলে যায় তোতা মিয়াকে

  ফরিদপুর ব্যুরো  

২৮ জুলাই ২০২১, ২২:৫৩:২৭  |  অনলাইন সংস্করণ

ফরিদপুর পুলিশের কাছে মঙ্গলবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে একটি ফোন আসে। জানানো হয়, সদর উপজেলার ঈশান গোপালপুর ইউনিয়নের চক ফতেপুর গ্রামে রাস্তার পাশের বাঁশঝাড়ে মুমূর্ষু অবস্থায় এক ব্যক্তিকে ফেলে রাখা হয়েছে। ফোন পাওয়ার পরই সেখানে ছুটে যান কোতোয়ালি থানার ওসি এমএ জলিলসহ পুলিশের একটি দল। রাতেই সেই মুমূর্ষু ব্যক্তিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। প্রয়োজনীয় ওষুধ কিনে দেওয়া হয়।

ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ওসি এমএ জলিল বলেন, রাত দেড়টার দিকে ৯৯৯-এ একটি ফোন আসে কোতোয়ালি থানায়। ফোনে জানানো হয়, এক ব্যক্তিকে অ্যাম্বুলেন্সে করে এনে বাঁশবাগানে ফেলে গেছে কয়েক ব্যক্তি। এ সংবাদ পাওয়ার পরপরই আমরা ঘটনাস্থলে ছুটে যাই। সেখানে গিয়ে মুমূর্ষু অবস্থায় এক ব্যক্তিকে কাতরাতে দেখি। পরে সেই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসি।

তিনি বলেন, উদ্ধারকৃত ব্যক্তি মারাত্মকভাবে অসুস্থ এবং ঠিকমতো কথা বলতে পারছেন না। তবে তার নাম তোতা মিয়া বলে জানতে পেরেছি। কারা তাকে ফেলে গেছে এবং তার পরিচয়ই বা কি তা জানার চেষ্টা চলছে।

ওসি বলেন, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তির কোমরে পচন ধরেছে। ধারণা করা হচ্ছে, আগুনে পুড়ে কিংবা বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে সে আহত হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা তাকে চিকিৎসকের কাছে কিংবা হাসপাতালে না নিয়ে অমানবিক আচরণ করেছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে আমরা এ ধরনের অমানবিক ও বিবেকহীন কাজের ধিক্কার জানাই। যারাই এ ধরনের অমানবিক ও বর্বরোচিত কাজের সঙ্গে জড়িত সেসব কুলাঙ্গারদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অ্যাম্বুলেন্সে করে বাঁশঝাড়ে ফেলে যায় তোতা মিয়াকে

 ফরিদপুর ব্যুরো 
২৮ জুলাই ২০২১, ১০:৫৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ফরিদপুর পুলিশের কাছে মঙ্গলবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে একটি ফোন আসে। জানানো হয়, সদর উপজেলার ঈশান গোপালপুর ইউনিয়নের চক ফতেপুর গ্রামে রাস্তার পাশের বাঁশঝাড়ে মুমূর্ষু অবস্থায় এক ব্যক্তিকে ফেলে রাখা হয়েছে। ফোন পাওয়ার পরই সেখানে ছুটে যান কোতোয়ালি থানার ওসি এমএ জলিলসহ পুলিশের একটি দল। রাতেই সেই মুমূর্ষু ব্যক্তিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। প্রয়োজনীয় ওষুধ কিনে দেওয়া হয়। 

ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ওসি এমএ জলিল বলেন, রাত দেড়টার দিকে ৯৯৯-এ একটি ফোন আসে কোতোয়ালি থানায়। ফোনে জানানো হয়, এক ব্যক্তিকে অ্যাম্বুলেন্সে করে এনে বাঁশবাগানে ফেলে গেছে কয়েক ব্যক্তি। এ সংবাদ পাওয়ার পরপরই আমরা ঘটনাস্থলে ছুটে যাই। সেখানে গিয়ে মুমূর্ষু অবস্থায় এক ব্যক্তিকে কাতরাতে দেখি। পরে সেই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসি। 

তিনি বলেন, উদ্ধারকৃত ব্যক্তি মারাত্মকভাবে অসুস্থ এবং ঠিকমতো কথা বলতে পারছেন না। তবে তার নাম তোতা মিয়া বলে জানতে পেরেছি। কারা তাকে ফেলে গেছে এবং তার পরিচয়ই বা কি তা জানার চেষ্টা চলছে। 

ওসি বলেন, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তির কোমরে পচন ধরেছে। ধারণা করা হচ্ছে, আগুনে পুড়ে কিংবা বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে সে আহত হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা তাকে চিকিৎসকের কাছে কিংবা হাসপাতালে না নিয়ে অমানবিক আচরণ করেছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে আমরা এ ধরনের অমানবিক ও বিবেকহীন কাজের ধিক্কার জানাই। যারাই এ ধরনের অমানবিক ও বর্বরোচিত কাজের সঙ্গে জড়িত সেসব কুলাঙ্গারদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন