উচ্চতা-প্রতিবন্ধকতা দমাতে পারেনি আরিফকে
jugantor
উচ্চতা-প্রতিবন্ধকতা দমাতে পারেনি আরিফকে

  মো. আবু তাহের, দাগনভূঞা (ফেনী)  

২৯ জুলাই ২০২১, ০১:৩১:১৬  |  অনলাইন সংস্করণ

শারীরিক উচ্চতা তার মাত্র তিন ফুট। কিন্তু তাতে কী? ইচ্ছা আর মনে শক্তি যথেষ্ট। তার শারীরিক প্রতিবন্ধকতা তাকে দাবিয়ে রাখতে পারেননি। প্রবল আগ্রহে থেকে লেখাপড়া চালিয়ে যাচ্ছেন শারীরিক প্রতিবন্ধী কাজী আশ্রাফুল হায়দার আরিফ (২৮)।

আরিফ ফেনী সরকারি কলেজে এমবিএ শিক্ষার্থী। তিনি দাগনভূঞা উপজেলার মোমারিজপুর গ্রামের মো. ইব্রাহীমের ছেলে। তার বাবা একজন কৃষক। মাতা সবুরা বেগম একজন গৃহিণী।

কাজী আশ্রাফুল হায়দার আরিফ জানান, তিনি পড়ালেখার পাশাপাশি কম্পিউটার প্রশিক্ষণ নিয়ে গ্রামের অনেককে প্রশিক্ষণ দিয়েছেন। তার কাছে একটি কম্পিউটার রয়েছে। কম্পিউটার আরও সংগ্রহে থাকলে গ্রামের প্রান্তিক যুবকদের প্রশিক্ষণ দিতে সুবিধা হতো। তিনি পড়ালেখা শেষ করে সরকারি চাকরি করতে চান।

সবুরা বেগম জানান, আরিফ জন্মগত শারীরিক প্রতিবন্ধী। সে চার বোনের মধ্যে একমাত্র ভাই। সে পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। অভাবী সংসারে পড়াশুনা করানো অনেক কষ্ট হয়ে যায়। আমাদের এমন কষ্টের সংসারে বিশেষ করে আমার প্রতিবন্ধী ছেলের লেখাপড়ার খরচ দিতে বিত্তবানরা এগিয়ে আসলে আরও সহজ হতো। আরিফ উপজেলা সমাজসেবা হতে ভাতা পায় বলে যুগান্তরকে নিশ্চিত করেন তিনি।

দাগনভূঞা ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক কাজী ইফতেখারুল আলম বলেন, পড়ালেখার প্রবল ইচ্ছা শক্তি আরিফকে আজ এতদূর পৌঁছেছে। তাকে দেখে অন্যরাও সাহস পাবে। আরিফ উচ্চশিক্ষা শেষ করে কর্মক্ষেত্রও সে সফল হবে বলে আমার বিশ্বাস। জীবন এগিয়ে যেতে শারীরিক প্রতিবন্ধকতা কোনো বাধা নয়, তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত আরিফ।

উচ্চতা-প্রতিবন্ধকতা দমাতে পারেনি আরিফকে

 মো. আবু তাহের, দাগনভূঞা (ফেনী) 
২৯ জুলাই ২০২১, ০১:৩১ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

শারীরিক উচ্চতা তার মাত্র তিন ফুট। কিন্তু তাতে কী? ইচ্ছা আর মনে শক্তি যথেষ্ট। তার শারীরিক প্রতিবন্ধকতা তাকে দাবিয়ে রাখতে পারেননি। প্রবল আগ্রহে থেকে লেখাপড়া চালিয়ে যাচ্ছেন শারীরিক প্রতিবন্ধী কাজী আশ্রাফুল হায়দার আরিফ (২৮)।

আরিফ ফেনী সরকারি কলেজে এমবিএ শিক্ষার্থী। তিনি দাগনভূঞা উপজেলার মোমারিজপুর গ্রামের মো. ইব্রাহীমের ছেলে। তার বাবা একজন কৃষক। মাতা সবুরা বেগম একজন গৃহিণী।

কাজী আশ্রাফুল হায়দার আরিফ জানান, তিনি পড়ালেখার পাশাপাশি কম্পিউটার প্রশিক্ষণ নিয়ে গ্রামের অনেককে প্রশিক্ষণ দিয়েছেন। তার কাছে একটি কম্পিউটার রয়েছে। কম্পিউটার আরও সংগ্রহে থাকলে গ্রামের প্রান্তিক যুবকদের প্রশিক্ষণ দিতে সুবিধা হতো। তিনি পড়ালেখা শেষ করে সরকারি চাকরি করতে চান।

সবুরা বেগম জানান, আরিফ জন্মগত শারীরিক প্রতিবন্ধী। সে চার বোনের মধ্যে একমাত্র ভাই। সে পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। অভাবী সংসারে পড়াশুনা করানো অনেক কষ্ট হয়ে যায়। আমাদের এমন কষ্টের সংসারে বিশেষ করে আমার প্রতিবন্ধী ছেলের লেখাপড়ার খরচ দিতে বিত্তবানরা এগিয়ে আসলে আরও সহজ হতো। আরিফ উপজেলা সমাজসেবা হতে ভাতা পায় বলে যুগান্তরকে নিশ্চিত করেন তিনি।

দাগনভূঞা ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক কাজী ইফতেখারুল আলম বলেন, পড়ালেখার প্রবল ইচ্ছা শক্তি আরিফকে আজ এতদূর পৌঁছেছে। তাকে দেখে অন্যরাও সাহস পাবে। আরিফ উচ্চশিক্ষা শেষ করে কর্মক্ষেত্রও সে সফল হবে বলে আমার বিশ্বাস। জীবন এগিয়ে যেতে শারীরিক প্রতিবন্ধকতা কোনো বাধা নয়, তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত আরিফ।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন