বাংলাবাজারঘাটে ৫ শতাধিক ট্রাক আটকা
jugantor
বাংলাবাজারঘাটে ৫ শতাধিক ট্রাক আটকা

  শিবচর (মাদারীপুর) প্রতিনিধি  

২৯ জুলাই ২০২১, ১৫:২৩:২৭  |  অনলাইন সংস্করণ

ট্রাক আটকা

বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুটে যাত্রীদের ভিড় ‘লকডাউনে’র সপ্তম দিন আজ বৃহস্পতিবারও কমেনি। অথচ কঠোর ‘লকডাউনে’ যাত্রী পারাপার বন্ধ রাখার কথা ছিল। এদিকে বাংলাবাজার ঘাটে পারাপারের অপেক্ষায় পাঁচ শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক আটকে আছে ।

সকাল থেকেই নৌরুটে ঢাকাগামী যাত্রীদের ভিড় দেখা গেছে। ঢাকা থেকে দক্ষিণাঞ্চলে আসা যাত্রীদের চাপও রয়েছে। গণপরিবহণ বন্ধ থাকায় থ্রি-হুইলার এবং মোটরসাইকেলে চেপে সাধারণ যাত্রীরা শিবচরের বাংলাবাজার ঘাটে চলে আসেন।

এর পর ফেরিতে উঠতে আর বাধা থাকে না তাদের। ভাড়া ২৫ টাকা দিয়ে অনায়াসেই ফেরিতে উঠছেন যাত্রীরা।

জানা যায়, বাংলাবাজার ফেরিঘাট সূত্র জানায়, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে মাদারীপুরের বাংলাবাজার ও মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া নৌপথে সাধারণ যাত্রী পারাপার বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেয় সরকার। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা রাজধানীগামী যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বেশি দেখা গেছে।

বর্তমানে এ নৌপথে চারটি রো রো ও তিনটি কে-টাইপ ফেরি চলাচল করছে। এ ফেরিগুলোতে যানবাহনের পাশাপাশি টিকিট কেটে সাধারণ যাত্রীদের পারাপার করা হচ্ছে। ঘাটের টার্মিনালেও প্রায় পাঁচ শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক আটকা পড়েছে। ঘাটের চারটি পন্টুনে পদ্মা পারাপারের জন্য অপেক্ষা করছেন ঢাকামুখী যাত্রীরা। এসব যাত্রী মোটরসাইকেল, ইজিবাইক, মাহিন্দ্র বা অটোরিকশায় করে ঘাটে আসছেন কোনো প্রকার বাধা ছাড়াই।

খুলনা থেকে আসা যাত্রী ইমরান জানান, একদিকে কঠোর লকডাউন, অপরদিকে ছোট ছোট পরিবহণ, ব্যক্তিগত পরিবহণ সবই চলাচল করছে। এটি কেমন লকডাউন? বেশি ভাড়া দিয়ে ঘাট পর্যন্ত আসলাম লঞ্চ বন্ধ, এখন ফেরিতেই গাদাগাদি করে পদ্মা পার হতে হবে।

বরিশাল থেকে আসা যাত্রী বজলুর রহমান বলেন, আমি জরুরি কাজেই তো ঢাকা যাচ্ছি। আমার ছোট ভাই গুরুতর অসুস্থ। তাই ঢাকা যেতে হচ্ছে। দ্বিগুণ-তিনগুণ ভাড়া দিয়ে ঘাটে এলাম। লকডাউনই যদি হবে, তা হলে ঘাটে এত ব্যক্তিগত গাড়ি কীভাবে এলো? সব নিয়ম কি গরিবের জন্যই।

বাংলাবাজার নৌপুলিশের পরিদর্শক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, যাত্রীরা বেশিরভাগই ঢাকামুখী। ঢাকা থেকে কম আসছেন। ফেরিঘাটে আসা মানুষ ঠেকানো যাবে না। কারণ ঘাটে মোবাইল কোর্ট নেই, পুলিশের জনবল কম। কোনোভাবেই সাধারণ মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না।

বাংলাবাজার ঘাট ম্যানেজার মো. সালাউদ্দিন মিয়া জানান, জরুরি পরিবহণ পারাপারের জন্য ৬টি ফেরি চালু রাখা হয়েছে। ফেরিঘাটে ভিড়লেই ঘাটে অপেক্ষমাণ থাকা যাত্রীরা লাফিয়ে লাফিয়ে ফেরিতে উঠে পড়ছেন। যাত্রী চাপে পরিবহণ পারাপারে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

বাংলাবাজারঘাটে ৫ শতাধিক ট্রাক আটকা

 শিবচর (মাদারীপুর) প্রতিনিধি 
২৯ জুলাই ২০২১, ০৩:২৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ট্রাক আটকা
ছবি: যুগান্তর

বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুটে যাত্রীদের ভিড় ‘লকডাউনে’র সপ্তম দিন আজ বৃহস্পতিবারও কমেনি। অথচ কঠোর ‘লকডাউনে’ যাত্রী পারাপার বন্ধ রাখার কথা ছিল। এদিকে বাংলাবাজার ঘাটে পারাপারের অপেক্ষায় পাঁচ শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক আটকে আছে ।

সকাল থেকেই নৌরুটে ঢাকাগামী যাত্রীদের ভিড় দেখা গেছে। ঢাকা থেকে দক্ষিণাঞ্চলে আসা যাত্রীদের চাপও রয়েছে। গণপরিবহণ বন্ধ থাকায় থ্রি-হুইলার এবং মোটরসাইকেলে চেপে সাধারণ যাত্রীরা শিবচরের বাংলাবাজার ঘাটে চলে আসেন।
 
এর পর ফেরিতে উঠতে আর বাধা থাকে না তাদের। ভাড়া ২৫ টাকা দিয়ে অনায়াসেই ফেরিতে উঠছেন যাত্রীরা।  

জানা যায়, বাংলাবাজার ফেরিঘাট সূত্র জানায়, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে মাদারীপুরের বাংলাবাজার ও মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া নৌপথে সাধারণ যাত্রী পারাপার বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেয় সরকার। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা রাজধানীগামী যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বেশি দেখা গেছে।

বর্তমানে এ নৌপথে চারটি রো রো ও তিনটি কে-টাইপ ফেরি চলাচল করছে। এ ফেরিগুলোতে যানবাহনের পাশাপাশি টিকিট কেটে সাধারণ যাত্রীদের পারাপার করা হচ্ছে। ঘাটের টার্মিনালেও প্রায় পাঁচ শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক আটকা পড়েছে। ঘাটের চারটি পন্টুনে পদ্মা পারাপারের জন্য অপেক্ষা করছেন ঢাকামুখী যাত্রীরা। এসব যাত্রী মোটরসাইকেল, ইজিবাইক, মাহিন্দ্র বা অটোরিকশায় করে ঘাটে আসছেন কোনো প্রকার বাধা ছাড়াই।

খুলনা থেকে আসা যাত্রী ইমরান জানান, একদিকে কঠোর লকডাউন, অপরদিকে ছোট ছোট পরিবহণ, ব্যক্তিগত পরিবহণ সবই চলাচল করছে। এটি কেমন লকডাউন? বেশি ভাড়া দিয়ে ঘাট পর্যন্ত আসলাম লঞ্চ বন্ধ, এখন ফেরিতেই গাদাগাদি করে পদ্মা পার হতে হবে।

বরিশাল থেকে আসা যাত্রী বজলুর রহমান বলেন, আমি জরুরি কাজেই তো ঢাকা যাচ্ছি। আমার ছোট ভাই গুরুতর অসুস্থ। তাই ঢাকা যেতে হচ্ছে। দ্বিগুণ-তিনগুণ ভাড়া দিয়ে ঘাটে এলাম। লকডাউনই যদি হবে, তা হলে ঘাটে এত ব্যক্তিগত গাড়ি কীভাবে এলো? সব নিয়ম কি গরিবের জন্যই।

বাংলাবাজার নৌপুলিশের পরিদর্শক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, যাত্রীরা বেশিরভাগই ঢাকামুখী। ঢাকা থেকে কম আসছেন। ফেরিঘাটে আসা মানুষ ঠেকানো যাবে না। কারণ ঘাটে মোবাইল কোর্ট নেই, পুলিশের জনবল কম। কোনোভাবেই সাধারণ মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না।

বাংলাবাজার ঘাট ম্যানেজার মো. সালাউদ্দিন মিয়া জানান, জরুরি পরিবহণ পারাপারের জন্য ৬টি ফেরি চালু রাখা হয়েছে। ফেরিঘাটে ভিড়লেই ঘাটে অপেক্ষমাণ থাকা যাত্রীরা লাফিয়ে লাফিয়ে ফেরিতে উঠে পড়ছেন। যাত্রী চাপে পরিবহণ পারাপারে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন