মঠবাড়িয়ায় লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি
jugantor
মঠবাড়িয়ায় লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি

  মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি  

২৯ জুলাই ২০২১, ১৮:২৭:১৪  |  অনলাইন সংস্করণ

নিম্নচাপের প্রভাব ও ৩ দিনের অব্যাহত ভারি বর্ষণে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া পৌর শহর ও ১১ ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলে ৫-৭ ফুট পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে সহস্রাধিক মাছের ঘের ও পুকুরের মাছ পানিতে ভেসে গেছে।

অস্বাভাবিক পানি বৃদ্ধিতে লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়ছে। বিশেষ করে রাস্তা-ঘাট, বসতবাড়ি, পানিতে ডুবে থাকায় রান্না করতে না পারায় অনাহারে ও অর্ধাহারে মানবেতর জীবনযাপন করে অনেক মানুষ।

বৃষ্টি ও বাতাসের প্রভাবে সড়কের ওপর গাছ পরে রয়েছে। গ্রাম এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রয়েছে ও মৌসুমী সবজি ক্ষেত নষ্ট হয়ে গেছে।

এদিকে ভারি বর্ষণের অতিরিক্ত পানিতে পৌর শহরের দক্ষিণ বন্দর, থানাপাড়া, মিরুখালী রোড ও মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের সামনের রাস্তায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হলে পৌরবাসী দশ হাজার মানুষ ভোগান্তির মধ্যে পড়ে।

উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা মিলন তালুকদার জানান, বলেশ্বর নদ তীরবর্তী মাঝেরচর, খেতাচিরা, উলুবাড়িয়া, ভোলমারা, খেজুরবাড়িয়া, পশ্চিম মিঠাখালী ও মিরুখালী, রাজারহাট বেড়ি বাঁধ উপচিয়ে পানি লোকালয়ে ডুকে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে এলাকাবাসী।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) বশির আহমেদ বলেন, ১১টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানদের নিজ নিজ এলাকার জনগণ যদি পানিবন্দি থাকে তাদের নিকটস্থ আশ্রয় কেন্দ্র নিয়ে খাবারে ব্যবস্থা করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

মঠবাড়িয়ায় লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি

 মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি 
২৯ জুলাই ২০২১, ০৬:২৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নিম্নচাপের প্রভাব ও ৩ দিনের অব্যাহত ভারি বর্ষণে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া পৌর শহর ও ১১ ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলে ৫-৭ ফুট পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে সহস্রাধিক মাছের ঘের ও পুকুরের মাছ পানিতে ভেসে গেছে।

অস্বাভাবিক পানি বৃদ্ধিতে লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়ছে। বিশেষ করে রাস্তা-ঘাট, বসতবাড়ি, পানিতে ডুবে থাকায় রান্না করতে না পারায় অনাহারে ও অর্ধাহারে মানবেতর জীবনযাপন করে অনেক মানুষ।

বৃষ্টি ও বাতাসের প্রভাবে সড়কের ওপর গাছ পরে রয়েছে। গ্রাম এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রয়েছে ও মৌসুমী সবজি ক্ষেত নষ্ট হয়ে গেছে।

এদিকে ভারি বর্ষণের অতিরিক্ত পানিতে পৌর শহরের দক্ষিণ বন্দর, থানাপাড়া, মিরুখালী রোড ও মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের সামনের রাস্তায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হলে পৌরবাসী দশ হাজার মানুষ ভোগান্তির মধ্যে পড়ে।

উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা মিলন তালুকদার জানান, বলেশ্বর নদ তীরবর্তী মাঝেরচর, খেতাচিরা, উলুবাড়িয়া, ভোলমারা, খেজুরবাড়িয়া, পশ্চিম মিঠাখালী ও  মিরুখালী, রাজারহাট বেড়ি বাঁধ উপচিয়ে পানি লোকালয়ে ডুকে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে এলাকাবাসী।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) বশির আহমেদ বলেন, ১১টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানদের নিজ নিজ এলাকার জনগণ যদি পানিবন্দি থাকে তাদের নিকটস্থ আশ্রয় কেন্দ্র নিয়ে খাবারে ব্যবস্থা করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন