সংঘর্ষে যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে জখম, পা বিচ্ছিন্ন
jugantor
সংঘর্ষে যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে জখম, পা বিচ্ছিন্ন

  কালকিনি (মাদারীপুর) প্রতিনিধি  

২৯ জুলাই ২০২১, ১৯:৫৬:১৫  |  অনলাইন সংস্করণ

মাদারীপুরের কালকিনিতে পূর্বশত্রুতার জের ধরে দুইপক্ষের সংঘর্ষে মো. তাইজুল ইসলাম সাজ্জাত (২৮) নামে এক যুবলীগ নেতাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। এছাড়া এ সময় মীরাজ খান (৪৫) নামে এক যুবকের এক পা কেটে বিছিন্ন করে দেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার সকালে এ ঘটনা ঘটে। আহত মীরাজ কালাই সরদারেরচর গ্রামের বুলু খানের ছেলে ও আহত যুবলীগ নেতা তাইজুল ইসলাম সাজ্জাত মোহরউদ্দিরচর গ্রামের কাশেম তালুকদারে ছেলে।

এলাকা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার পুর্ব এনায়েতনগর ইউপি যুবলীগের সভাপতি মো. তাইজুল ইসলাম সাজ্জাতের সঙ্গে মীরাজ খানের বেশ কিছু দিন ধরে পূর্বশত্রুতা চলে আসছে। এর জের ধরে তাইজুল ইসলাম সাজ্জাতের পক্ষের লোকজনের ওপর মীরাজ খানের পক্ষের লোকজন হঠাৎ করে চড়াও হয়ে ওঠে।

একপর্যায়ে উভয়পক্ষই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় যুবলীগ নেতা তাইজুল ইসলাম সাজ্জাতকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে মীরাজ খানের লোকজন এবং তাইজুল ইসলাম সাজ্জাতের লোকজন মীরাজ খানকে কুপিয়ে বাম পা বিছিন্ন করে ফেলে রাখে। পরে কালকিনি থানা পুলিশ খবর পেয়ে পূর্ব এনায়েতনগর এলাকার একটি ভিটা থেকে মীরাজ খানের বিছিন্ন পা উদ্ধার করে।

পরে স্থানীয় লোকজন যুবলীগ নেতা তাইজুল ইসলাম সাজ্জাতকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। অপরদিকে মীরাজ খানকে ঢাকার পঙ্গু হাসাপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

আহত যুবলীগ নেতা তাইজুল ইসলাম সাজ্জাতের বাবা কাশেম তালুকদার বলেন, আমার ছেলে মারামারির সময় ঘটনাস্থলেই ছিল না। তাকে অন্য জায়গা থেকে ধরে নিয়ে গিয়ে কুপিয়ে জখম করা হয়।

আহত যুবক মীরাজের চাচা কবির খান বলেন, বিনা কারণে আমার ভাতিজা মীরাজের পা কেটে বিছিন্ন করে দিয়েছে তাইজুল ইসলাম সাজ্জাতের লোকজন। আমরা হামলাকারীদের বিচার চাই।

এ ব্যাপারে কালকিনি থানার ওসি ইসতিয়াক আসফাক রাসেল বলেন, আমরা খবর পেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। মীরাজের কাটা পা উদ্ধার করেছি। আহত দুইজনকেই চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

সংঘর্ষে যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে জখম, পা বিচ্ছিন্ন

 কালকিনি (মাদারীপুর) প্রতিনিধি 
২৯ জুলাই ২০২১, ০৭:৫৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মাদারীপুরের কালকিনিতে পূর্বশত্রুতার জের ধরে দুইপক্ষের সংঘর্ষে মো. তাইজুল ইসলাম সাজ্জাত (২৮) নামে এক যুবলীগ নেতাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। এছাড়া এ সময় মীরাজ খান (৪৫) নামে এক যুবকের এক পা কেটে বিছিন্ন করে দেওয়া হয়। 

বৃহস্পতিবার সকালে এ ঘটনা ঘটে। আহত মীরাজ কালাই সরদারেরচর গ্রামের বুলু খানের ছেলে ও আহত যুবলীগ নেতা তাইজুল ইসলাম সাজ্জাত মোহরউদ্দিরচর গ্রামের কাশেম তালুকদারে ছেলে।

এলাকা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার পুর্ব এনায়েতনগর ইউপি যুবলীগের সভাপতি মো. তাইজুল ইসলাম সাজ্জাতের সঙ্গে মীরাজ খানের বেশ কিছু দিন ধরে পূর্বশত্রুতা চলে আসছে। এর জের ধরে তাইজুল ইসলাম সাজ্জাতের পক্ষের লোকজনের ওপর মীরাজ খানের পক্ষের লোকজন হঠাৎ করে চড়াও হয়ে ওঠে। 

একপর্যায়ে উভয়পক্ষই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় যুবলীগ নেতা তাইজুল ইসলাম সাজ্জাতকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে মীরাজ খানের লোকজন এবং তাইজুল ইসলাম সাজ্জাতের লোকজন মীরাজ খানকে কুপিয়ে বাম পা বিছিন্ন করে ফেলে রাখে। পরে কালকিনি থানা পুলিশ খবর পেয়ে পূর্ব এনায়েতনগর এলাকার একটি ভিটা থেকে মীরাজ খানের বিছিন্ন পা উদ্ধার করে।

পরে স্থানীয় লোকজন যুবলীগ নেতা তাইজুল ইসলাম সাজ্জাতকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। অপরদিকে মীরাজ খানকে ঢাকার পঙ্গু হাসাপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

আহত যুবলীগ নেতা তাইজুল ইসলাম সাজ্জাতের বাবা কাশেম তালুকদার বলেন, আমার ছেলে মারামারির সময় ঘটনাস্থলেই ছিল না। তাকে অন্য জায়গা থেকে ধরে নিয়ে গিয়ে কুপিয়ে জখম করা হয়। 

আহত যুবক মীরাজের চাচা কবির খান বলেন, বিনা কারণে আমার ভাতিজা মীরাজের পা কেটে বিছিন্ন করে দিয়েছে তাইজুল ইসলাম সাজ্জাতের লোকজন। আমরা হামলাকারীদের বিচার চাই।
    
এ ব্যাপারে কালকিনি থানার ওসি ইসতিয়াক আসফাক রাসেল বলেন, আমরা খবর পেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। মীরাজের কাটা পা উদ্ধার করেছি। আহত দুইজনকেই চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন