ঝড়-বৃষ্টির মধ্যে ৪ ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকে কিছুই পেলেন না তিনি (ভিডিও)
jugantor
ঝড়-বৃষ্টির মধ্যে ৪ ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকে কিছুই পেলেন না তিনি (ভিডিও)

  কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি  

২৯ জুলাই ২০২১, ২০:৪৮:০৭  |  অনলাইন সংস্করণ

যশোরের কেশবপুরে প্রচণ্ড দমকা হাওয়া ও ভারি বৃষ্টির মধ্যে সরকারের ন্যায্য মূল্যের চাল ও আটা কেনার জন্য ডিলারদের ঘরে মহিলা-পুরুষদের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে। অনেকে সাত-আট ঘণ্টা অপেক্ষা করেও খাদ্যদ্রব্য কিনতে না পেরে ফিরে গেছেন।

কেশবপুর প্রেস ক্লাবের সামনে ন্যায্যমূল্যে চাল ও আটা ক্রয় করতে না পেরে আলতাপোল গ্রামের শ্রমিক নাজিম উদ্দিন কান্নায় ভেঙে পড়েন। তিনি বলেন, চার ঘণ্টা অপেক্ষা করেও চাল কিনতে পারলাম না। পরিবারের সবাইকে একবেলা খেয়েই থাকতে হবে।

হাবাসপোল গ্রামের গৃহবধূ শাহিদা বেগম বলেন, আট ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে মাত্র পাঁচ কেজি চাল কিনতে পেরেছি।

কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এমএম আরাফাত হোসেন ঘটনাস্থলে এসে বলেন, সরকার উপজেলায় চারজন ডিলার নিয়োগ করেছেন। প্রতিদিন প্রত্যেক ডিলারকে দেড় টন চাল ও এক টন আটা সরবরাহ করা হয়। জনপ্রতি পাঁচ কেজি আটা ও পাঁচ কেজি চাল যথাক্রমে ১৮ টাকা ও ৩০ টাকা কেজি মূল্যে কিনতে পারবেন। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম। বিষয়টি তিনি জেলা প্রশাসককে জানাবেন।

কেশবপুর উপজেলার নাগরিক সমাজের সভাপতি অ্যাডভোকেট আবুবকর সিদ্দিক বলেন, করোনাকালে দিনমজুরদের বিনামূল্যে খাদ্য সরবরাহ করা জরুরি। তাছাড়া মধ্যবিত্ত পরিবারদের জন্য ন্যায্য মূল্যের খাদ্য সরবরাহ বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।

ঝড়-বৃষ্টির মধ্যে ৪ ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকে কিছুই পেলেন না তিনি (ভিডিও)

 কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি 
২৯ জুলাই ২০২১, ০৮:৪৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

যশোরের কেশবপুরে প্রচণ্ড দমকা হাওয়া ও ভারি বৃষ্টির মধ্যে সরকারের ন্যায্য মূল্যের চাল ও আটা কেনার জন্য ডিলারদের ঘরে মহিলা-পুরুষদের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে। অনেকে সাত-আট ঘণ্টা অপেক্ষা করেও খাদ্যদ্রব্য কিনতে না পেরে ফিরে গেছেন।

কেশবপুর প্রেস ক্লাবের সামনে ন্যায্যমূল্যে চাল ও আটা ক্রয় করতে না পেরে আলতাপোল গ্রামের শ্রমিক নাজিম উদ্দিন কান্নায় ভেঙে পড়েন। তিনি বলেন, চার ঘণ্টা অপেক্ষা করেও চাল কিনতে পারলাম না। পরিবারের সবাইকে একবেলা খেয়েই থাকতে হবে।

হাবাসপোল গ্রামের গৃহবধূ শাহিদা বেগম বলেন, আট ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে মাত্র পাঁচ কেজি চাল কিনতে পেরেছি।

কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এমএম আরাফাত হোসেন ঘটনাস্থলে এসে বলেন, সরকার উপজেলায় চারজন ডিলার নিয়োগ করেছেন। প্রতিদিন প্রত্যেক ডিলারকে দেড় টন চাল ও এক টন আটা সরবরাহ করা হয়। জনপ্রতি পাঁচ কেজি আটা ও পাঁচ কেজি চাল যথাক্রমে ১৮ টাকা ও ৩০ টাকা কেজি মূল্যে কিনতে পারবেন। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম। বিষয়টি তিনি জেলা প্রশাসককে জানাবেন।

কেশবপুর উপজেলার নাগরিক সমাজের সভাপতি অ্যাডভোকেট আবুবকর সিদ্দিক বলেন, করোনাকালে দিনমজুরদের বিনামূল্যে খাদ্য সরবরাহ করা জরুরি। তাছাড়া মধ্যবিত্ত পরিবারদের জন্য ন্যায্য মূল্যের খাদ্য সরবরাহ বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন