মাদকের আস্তানা নারায়ণগঞ্জে হবে না: এসপি জায়েদুল
jugantor
মাদকের আস্তানা নারায়ণগঞ্জে হবে না: এসপি জায়েদুল

  ফতুল্লা (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি  

২৯ জুলাই ২০২১, ২২:২৪:০৬  |  অনলাইন সংস্করণ

নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) জায়েদুল আলম বলেছেন, মাদকের আস্তানা কিংবা মাদক বিক্রেতার স্থান নারায়ণগঞ্জে হবে না। কেউ মাদক নিয়ে কোনো ধরনের চিন্তা করে থাকলে এখনই সচেতন হোন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ফতুল্লার চাঁনমারী বস্তি উচ্ছেদ কার্যক্রম শেষ করে তিনি সাংবাদিকের এ কথা জানান। এ সময় ফতুল্লা মডেল থানার ওসি রকিবুজ্জামানসহ জেলা পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এসপি বলেন, এই চাঁনমারী বস্তি ছিল মাদকের স্পট। এখানে মাদক বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চলতো। মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতার করে সাজা দেয়া, বন্দুকযুদ্ধের মতো ঘটনাও এখানে ঘটেছে। মাদক বিক্রেতারা এই এলাকাটিকে বেছে নিয়েছিল মাদকের হাট হিসেবে। প্রায় ২০০ শতাংশ জমিতে এখানে ছিল অবৈধ স্থাপনা। আমরা এটিকে উচ্ছেদ করেছি এবং সড়ক ও জনপদকে বলেছি তাদের জমিতে যেন দ্রুত তারা সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করেন যেন কেউ আর এখানে অবৈধ স্থাপনা করতে না পারে।

এদিকে চাঁনমারী বস্তির পাশে আদর্শ চাষাঢ়া পঞ্চায়েত কমিটির পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি সামছুল হক ভূঁইয়া, সাধারণ সম্পাদক মাহববুর রহমান দিপুসহ পঞ্চায়েত লোকজন এলাকার সব বাড়িওয়ালাদের কাছে গিয়ে মাদক ব্যবসায়ীদের বাসা ভাড়া না দেওয়ার অনুরোধ করেন। সেই সঙ্গে প্রত্যেক লোকজনকে মাদক থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানান।

ঝুট ব্যবসায়ী কালু মিয়া জানান, ২০১৪ সালে তৎকালীন নারায়ণগঞ্জ সদর ইউএনও গাউছুল আযম চাঁনমারী বস্তিটি সম্পূর্ণ মাদক মুক্ত করেছিলেন। তিনি একাধিক অভিযান চালিয়ে শতাধিক মাদক ব্যবসায়ীকে কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে বস্তির হতদরিদ্র পরিবারের শিশুসন্তানদের লেখাপড়ার জন্য স্বপ্নডানা নামে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। সেই স্কুলে শিশুদের পাশাপাশি বয়স্ক নারী-পুরুষদের লেখাপড়া ও হাতের কাজ শিখানোর কার্যক্রম চালু করেছিলেন।

তিনি জানান, ইউএনও গাউছুল আযম বদলির পর সেই স্বপ্নডানার কার্যক্রম থেমে যায় এবং মাদক ব্যবসায়ীরা ফের বস্তি দখল করে প্রকাশ্যে লিংক রোডে দাঁড়িয়ে মাদক ব্যবসা শুরু করে।

মাদকের আস্তানা নারায়ণগঞ্জে হবে না: এসপি জায়েদুল

 ফতুল্লা (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি 
২৯ জুলাই ২০২১, ১০:২৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) জায়েদুল আলম বলেছেন, মাদকের আস্তানা কিংবা মাদক বিক্রেতার স্থান নারায়ণগঞ্জে হবে না। কেউ মাদক নিয়ে কোনো ধরনের চিন্তা করে থাকলে এখনই সচেতন হোন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ফতুল্লার চাঁনমারী বস্তি উচ্ছেদ কার্যক্রম শেষ করে তিনি সাংবাদিকের এ কথা জানান। এ সময় ফতুল্লা মডেল থানার ওসি রকিবুজ্জামানসহ জেলা পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এসপি বলেন, এই চাঁনমারী বস্তি ছিল মাদকের স্পট। এখানে মাদক বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চলতো। মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতার করে সাজা দেয়া, বন্দুকযুদ্ধের মতো ঘটনাও এখানে ঘটেছে। মাদক বিক্রেতারা এই এলাকাটিকে বেছে নিয়েছিল মাদকের হাট হিসেবে। প্রায় ২০০ শতাংশ জমিতে এখানে ছিল অবৈধ স্থাপনা। আমরা এটিকে উচ্ছেদ করেছি এবং সড়ক ও জনপদকে বলেছি তাদের জমিতে যেন দ্রুত তারা সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করেন যেন কেউ আর এখানে অবৈধ স্থাপনা করতে না পারে।

এদিকে চাঁনমারী বস্তির পাশে আদর্শ চাষাঢ়া পঞ্চায়েত কমিটির পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি সামছুল হক ভূঁইয়া, সাধারণ সম্পাদক মাহববুর রহমান দিপুসহ পঞ্চায়েত লোকজন এলাকার সব বাড়িওয়ালাদের কাছে গিয়ে মাদক ব্যবসায়ীদের বাসা ভাড়া না দেওয়ার অনুরোধ করেন। সেই সঙ্গে প্রত্যেক লোকজনকে মাদক থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানান।

ঝুট ব্যবসায়ী কালু মিয়া জানান, ২০১৪ সালে তৎকালীন নারায়ণগঞ্জ সদর ইউএনও গাউছুল আযম চাঁনমারী বস্তিটি সম্পূর্ণ মাদক মুক্ত করেছিলেন। তিনি একাধিক অভিযান চালিয়ে শতাধিক মাদক ব্যবসায়ীকে কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে বস্তির হতদরিদ্র পরিবারের শিশুসন্তানদের লেখাপড়ার জন্য স্বপ্নডানা নামে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। সেই স্কুলে শিশুদের পাশাপাশি বয়স্ক নারী-পুরুষদের লেখাপড়া ও হাতের কাজ শিখানোর কার্যক্রম চালু করেছিলেন।

তিনি জানান, ইউএনও গাউছুল আযম বদলির পর সেই স্বপ্নডানার কার্যক্রম থেমে যায় এবং মাদক ব্যবসায়ীরা ফের বস্তি দখল করে প্রকাশ্যে লিংক রোডে দাঁড়িয়ে মাদক ব্যবসা শুরু করে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন