৬ ঘণ্টায় ১২০ মিলিমিটার বৃষ্টি
jugantor
৬ ঘণ্টায় ১২০ মিলিমিটার বৃষ্টি

  সাতক্ষীরা প্রতিনিধি  

২৯ জুলাই ২০২১, ২২:২৭:৪০  |  অনলাইন সংস্করণ

সকাল থেকে টানা দশ ঘণ্টার বৃষ্টিতে সাতক্ষীরার সব নিম্নাঞ্চল পানিতে তলিয়ে গেছে। সাতক্ষীরা পৌরসভার সমস্ত নিচু এলাকাও এখন পানির নিচে। পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকায় এবং একইসঙ্গে বৃষ্টি না কমায় জলাবদ্ধতার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

সাতক্ষীরার আবহাওয়া অফিস সূত্র জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত এই ৬ ঘণ্টায় ১২০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। ফলে পথঘাট, ডোবা, নালা পানিতে তলিয়ে গেছে।

শহরের কামালনগর, ইটাগাছা, খড়িবিলা, বদ্যিপুর কলোনি, শহরতলীর বকচরা, কাশেমপুর, সরকারপাড়া, আমতলার মোড় সবই এখন পানিতে তলিয়ে রয়েছে। পানি অপসারণের কোনো পথ না থাকায় বৃষ্টির পানি বাড়িঘরে উঠতে শুরু করেছে। সাতক্ষীরা শহরের মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়া প্রানসায়ের খালও পানি টানতে পারছে না।

এদিকে অতিবৃষ্টির ফলে গদাইবিল, ছাগলার বিল, শ্যাল্যের বিল, বিনেরপোতার বিল, রাজনগরের বিল, মাছখোলার বিলসহ কমপক্ষে ১০টি বিলে পানি থইথই করছে। এসব বিলের মাছের ঘের ভেসে গেছে। বেতনা নদী তীরবর্তী এই বিলগুলির পানি নদীতে নিষ্কাশিত হতে পারছে না। এই পানি পৌরসভার দিকে এগিয়ে আসছে।

অতিবৃষ্টিতে গ্রামাঞ্চলের সব পুকুর পানিতে তলিয়ে গেছে। বেরিয়ে গেছে শত শত টাকার মাছ। এছাড়া কাচা ঘরবাড়ি রয়েছে ঝুঁকির মধ্যে। সবজি ক্ষেতগুলো পানিতে টইটুম্বুর করছে। মানুষের যাতায়াতও ভোগান্তি বৃদ্ধি পেয়েছে।

এদিকে বৃষ্টির পানিতে সয়লাব হয়ে গেছে দক্ষিণ উপকূলের শ্যামনগর উপজেলার গ্রামের পর গ্রাম। সেখানে প্রধান রাস্তার ওপর দিয়েও পানি প্রবাহিত হচ্ছে।

আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর, শ্রীউলা, আনুলিয়া, খাজরাসহ কয়েকটি ইউনিয়নে বৃষ্টির পানিতে সয়লাব হয়ে গেছে। এসব এলাকার মাছের ঘের তলিয়ে গেছে।

বুধবার সন্ধ্যা থেকে রাতভর কমবেশি বৃষ্টির পর বৃহস্পতিবার সকালে শুরু হওয়া মুষলধারে বৃষ্টির কারণে সাতক্ষীরার জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বেশকিছু এলাকায় মানুষের বাড়িঘরে পানি ঢুকেছে।

৬ ঘণ্টায় ১২০ মিলিমিটার বৃষ্টি

 সাতক্ষীরা প্রতিনিধি 
২৯ জুলাই ২০২১, ১০:২৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সকাল থেকে টানা দশ ঘণ্টার বৃষ্টিতে সাতক্ষীরার সব নিম্নাঞ্চল পানিতে তলিয়ে গেছে। সাতক্ষীরা পৌরসভার সমস্ত নিচু এলাকাও এখন পানির নিচে। পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকায় এবং একইসঙ্গে বৃষ্টি না কমায় জলাবদ্ধতার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

সাতক্ষীরার আবহাওয়া অফিস সূত্র জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত এই ৬ ঘণ্টায় ১২০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। ফলে পথঘাট, ডোবা, নালা পানিতে তলিয়ে গেছে।

শহরের কামালনগর, ইটাগাছা, খড়িবিলা, বদ্যিপুর কলোনি, শহরতলীর বকচরা, কাশেমপুর, সরকারপাড়া, আমতলার মোড় সবই এখন পানিতে তলিয়ে রয়েছে। পানি অপসারণের কোনো পথ না থাকায় বৃষ্টির পানি বাড়িঘরে উঠতে শুরু করেছে। সাতক্ষীরা শহরের মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়া প্রানসায়ের খালও পানি টানতে পারছে না।

এদিকে অতিবৃষ্টির ফলে গদাইবিল, ছাগলার বিল, শ্যাল্যের বিল, বিনেরপোতার বিল, রাজনগরের বিল, মাছখোলার বিলসহ কমপক্ষে ১০টি বিলে পানি থইথই করছে। এসব বিলের মাছের ঘের ভেসে গেছে। বেতনা নদী তীরবর্তী এই বিলগুলির পানি নদীতে নিষ্কাশিত হতে পারছে না। এই পানি পৌরসভার দিকে এগিয়ে আসছে।

অতিবৃষ্টিতে গ্রামাঞ্চলের সব পুকুর পানিতে তলিয়ে গেছে। বেরিয়ে গেছে শত শত টাকার মাছ। এছাড়া কাচা ঘরবাড়ি রয়েছে ঝুঁকির মধ্যে। সবজি ক্ষেতগুলো পানিতে টইটুম্বুর করছে। মানুষের যাতায়াতও ভোগান্তি বৃদ্ধি পেয়েছে।

এদিকে বৃষ্টির পানিতে সয়লাব হয়ে গেছে দক্ষিণ উপকূলের শ্যামনগর উপজেলার গ্রামের পর গ্রাম। সেখানে প্রধান রাস্তার ওপর দিয়েও পানি প্রবাহিত হচ্ছে।

আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর, শ্রীউলা, আনুলিয়া, খাজরাসহ কয়েকটি ইউনিয়নে বৃষ্টির পানিতে সয়লাব হয়ে গেছে। এসব এলাকার মাছের ঘের তলিয়ে গেছে।

বুধবার সন্ধ্যা থেকে রাতভর কমবেশি বৃষ্টির পর বৃহস্পতিবার সকালে শুরু হওয়া মুষলধারে বৃষ্টির কারণে সাতক্ষীরার জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বেশকিছু এলাকায় মানুষের বাড়িঘরে পানি ঢুকেছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন