প্রবাসীর স্ত্রীর ঘরে যুবকের লাশ
jugantor
প্রবাসীর স্ত্রীর ঘরে যুবকের লাশ

  সিলেট ব্যুরো  

২৯ জুলাই ২০২১, ২৩:০০:৩৫  |  অনলাইন সংস্করণ

সিলেটে প্রবাসীর স্ত্রীর ঘর থেকে গলাকাটা অবস্থায় এক অবিবাহিত যুবকের লাশ উদ্ধার হয়েছে। তার নাম মইনুল ইসলাম (৩৫)।

এ ঘটনায় দুবাই প্রবাসীর স্ত্রী সাফিয়া বেগমসহ ৪ জনকে অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের হয়েছে। পুলিশ সাফিয়াকে গ্রেফতারের পর বৃহস্পতিবার আদালতে প্রেরণ করে।

গোয়াইনঘাট থানার ওসি পরিমল চন্দ্র দেব বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে খুনের দায় স্বীকার করেছেন সাফিয়া, জবানবন্দির জন্য তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ জানায়, বুধবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে গোয়াইনঘাট উপজেলার রুস্তুমপুর ইউনিয়নের টুকইর (যথানাথা) গ্রামে এই খুনের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে দুবাই প্রবাসী আলাউদ্দিনের স্ত্রী সাফিয়া বেগমের ঘর থেকে যুবক মইনুলের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। মইনুল ইসলাম একই গ্রামের মৃত রহমত আলীর অবিবাহিত ছেলে।

উদ্ধারকৃত লাশটির গলাকাটা ছাড়াও সারা শরীরে ধারালো অস্ত্রের কোপ ও রক্তাক্ত জখম রয়েছে বলে সুরতহাল রিপোর্টে উল্লেখ করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সিলেট ওসমানী মেডিকেলে ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে পরিবারের কাছে লাশ বুঝে দেয়া হয়।

মইনুল খুনের ঘটনায় তার ভাই খসরুল ইসলাম মামলা করেছেন বলে পুলিশ জানায়। এজাহারে দাবি করা হয়েছে দুবাই প্রবাসী আলাউদ্দিনের স্ত্রী সাফিয়া বেগমের সাথে মইনুলের অবাধ চলাফেরা ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার সাফিয়ার বাড়িতে গেলে সাফিয়া ও অন্যান্য আসামিরা দা দিয়ে মইনুল ইসলামকে জবাই করে হত্যা করে।

তবে গ্রেফতারকৃত সাফিয়ার দাবি, মইনুল ইসলাম তাকে উত্ত্যক্ত করত এবং কুপ্রস্তাব দিত। এ বিষয়টি নিয়ে মইনুল ইসলামের পরিবার ও গ্রামবাসীকে একাধিকবার অবহিত করলেও কোনো সুরাহা হয়নি। মইনুলের উৎপাতে বুধবার রাতে বালিশের পাশে দা রেখে ঘুমান সাফিয়া। মইনুল বাড়িতে ঢুকলে দা নিয়ে উভয়ে কাড়াকাড়ির সময় তার গাড়ে আঘাত লাগে এবং মারা যায়।

প্রবাসীর স্ত্রীর ঘরে যুবকের লাশ

 সিলেট ব্যুরো 
২৯ জুলাই ২০২১, ১১:০০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সিলেটে প্রবাসীর স্ত্রীর ঘর থেকে গলাকাটা অবস্থায় এক অবিবাহিত যুবকের লাশ উদ্ধার হয়েছে। তার নাম মইনুল ইসলাম (৩৫)। 

এ ঘটনায় দুবাই প্রবাসীর স্ত্রী সাফিয়া বেগমসহ ৪ জনকে অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের হয়েছে। পুলিশ সাফিয়াকে গ্রেফতারের পর বৃহস্পতিবার আদালতে প্রেরণ করে। 

গোয়াইনঘাট থানার ওসি পরিমল চন্দ্র দেব বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে খুনের দায় স্বীকার করেছেন সাফিয়া, জবানবন্দির জন্য তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।  

পুলিশ জানায়, বুধবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে গোয়াইনঘাট উপজেলার রুস্তুমপুর ইউনিয়নের টুকইর (যথানাথা) গ্রামে এই খুনের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে দুবাই প্রবাসী আলাউদ্দিনের স্ত্রী সাফিয়া বেগমের ঘর থেকে যুবক মইনুলের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। মইনুল ইসলাম একই গ্রামের মৃত রহমত আলীর অবিবাহিত ছেলে। 

উদ্ধারকৃত লাশটির গলাকাটা ছাড়াও সারা শরীরে ধারালো অস্ত্রের কোপ ও রক্তাক্ত জখম রয়েছে বলে সুরতহাল রিপোর্টে উল্লেখ করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সিলেট ওসমানী মেডিকেলে ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে পরিবারের কাছে লাশ বুঝে দেয়া হয়।

মইনুল খুনের ঘটনায় তার ভাই খসরুল ইসলাম মামলা করেছেন বলে পুলিশ জানায়। এজাহারে দাবি করা হয়েছে দুবাই প্রবাসী আলাউদ্দিনের স্ত্রী সাফিয়া বেগমের সাথে মইনুলের অবাধ চলাফেরা ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার সাফিয়ার বাড়িতে গেলে সাফিয়া ও অন্যান্য আসামিরা দা দিয়ে মইনুল ইসলামকে জবাই করে হত্যা করে। 

তবে গ্রেফতারকৃত সাফিয়ার দাবি, মইনুল ইসলাম তাকে উত্ত্যক্ত করত এবং কুপ্রস্তাব দিত। এ বিষয়টি নিয়ে মইনুল ইসলামের পরিবার ও গ্রামবাসীকে একাধিকবার অবহিত করলেও কোনো সুরাহা হয়নি। মইনুলের উৎপাতে বুধবার রাতে বালিশের পাশে দা রেখে ঘুমান সাফিয়া। মইনুল বাড়িতে ঢুকলে দা নিয়ে উভয়ে কাড়াকাড়ির সময় তার গাড়ে আঘাত লাগে এবং মারা যায়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন