গৌরনদীতে পানিতে পড়ে ২ মৃগী রোগীর মৃত্যু
jugantor
গৌরনদীতে পানিতে পড়ে ২ মৃগী রোগীর মৃত্যু

  গৌরনদী (বরিশাল) প্রতিনিধি  

৩১ জুলাই ২০২১, ১২:০৭:০৪  |  অনলাইন সংস্করণ

বরিশালের গৌরনদীতে পুকুর ও খালের পানিতে পড়ে দুই মৃগী রোগীর মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার রাতে উপজেলার বার্থী ইউনিয়নের বাউরগাতি ও তাঁরাকুপি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

মারা যাওয়া ব্যক্তিরা হলেন- শিপন চাপরাশী (২৩) ও হৃদয় ফকির (২২)।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, উপজেলার কটকস্থল গ্রামের মোসলেম ফকিরের ছেলে ও টরকী বন্দর বেসরকারি জীবন বীমা পপুলার অফিসের কর্মচারী হৃদয় ফকির তার মামার বাড়ি থেকে শুক্রবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে তাঁরাকুপি গ্রামের বাসায় ফিরছিলেন। পথে মৃগী রোগী হৃদয় ফকির অসুস্থ হয়ে রাস্তার পাশের খালে পড়ে নিখোঁজ হন।

বাসায় ফিরতে দেরি হওয়ায় স্বজনরা হৃদয়ের মোবাইলে কল করেন। এ সময় রাস্তার ঢালে পড়ে থাকা ফোনটির রিং বেজে উঠলে এক পথচারী রিসিভ করেন ও পায়ের সেন্ডেল পড়ে থাকতে দেখে ঘটনাস্থল শনাক্ত করেন।

খবর পেয়ে গৌরনদী ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে হুদয়কে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

অপরদিকে উপজেলার বাউরগাতি গ্রামের হালিম চাপরাশীর ছেলে দিনমজুর শিপন চাপরাশী শুক্রবার রাত ৮টার দিকে নিজ বাড়ির পুকুরে ওজু করতে যান। এ সময় মৃগী রোগী শিপন অসুস্থ হয়ে পুকুরের পানিতে পড়ে যান।

রাত ৯টার দিকে তার বড় ভাই মামুন চাপরাশী পুকুরে হাত-পা ধুতে গিয়ে পায়ের সেন্ডেল দেখে শিপনকে খোঁজাখুঁজি করেন। এরপর স্বজনরা রাত সোয়া ৯টার দিকে শিপনের মৃতদেহ পুকুর থেকে উদ্ধার করেন।

গৌরনদী মডেল থানার ওসি আফজাল হোসেন যুগান্তরকে জানান, দুই মৃগী রোগী পানিতে পড়ে মারা যাওয়ার খবর পেয়ে পৃথক দুটি ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

গৌরনদীতে পানিতে পড়ে ২ মৃগী রোগীর মৃত্যু

 গৌরনদী (বরিশাল) প্রতিনিধি 
৩১ জুলাই ২০২১, ১২:০৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বরিশালের গৌরনদীতে পুকুর ও খালের পানিতে পড়ে দুই মৃগী রোগীর মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার রাতে উপজেলার বার্থী ইউনিয়নের বাউরগাতি ও তাঁরাকুপি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

মারা যাওয়া ব্যক্তিরা হলেন- শিপন চাপরাশী (২৩) ও হৃদয় ফকির (২২)।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, উপজেলার কটকস্থল গ্রামের মোসলেম ফকিরের ছেলে ও টরকী বন্দর বেসরকারি জীবন বীমা পপুলার অফিসের কর্মচারী হৃদয় ফকির তার মামার বাড়ি থেকে শুক্রবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে তাঁরাকুপি গ্রামের বাসায় ফিরছিলেন। পথে মৃগী রোগী হৃদয় ফকির অসুস্থ হয়ে রাস্তার পাশের খালে পড়ে নিখোঁজ হন। 

বাসায় ফিরতে দেরি হওয়ায় স্বজনরা হৃদয়ের মোবাইলে কল করেন। এ সময় রাস্তার ঢালে পড়ে থাকা ফোনটির রিং বেজে উঠলে এক পথচারী রিসিভ করেন ও পায়ের সেন্ডেল পড়ে থাকতে দেখে ঘটনাস্থল শনাক্ত করেন। 

খবর পেয়ে গৌরনদী ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে হুদয়কে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

অপরদিকে উপজেলার বাউরগাতি গ্রামের হালিম চাপরাশীর ছেলে দিনমজুর শিপন চাপরাশী শুক্রবার রাত ৮টার দিকে নিজ বাড়ির পুকুরে ওজু করতে যান। এ সময় মৃগী রোগী শিপন অসুস্থ হয়ে পুকুরের পানিতে পড়ে যান।

রাত ৯টার দিকে তার বড় ভাই মামুন চাপরাশী পুকুরে হাত-পা ধুতে গিয়ে পায়ের সেন্ডেল দেখে শিপনকে খোঁজাখুঁজি করেন। এরপর স্বজনরা রাত সোয়া ৯টার দিকে শিপনের মৃতদেহ পুকুর থেকে উদ্ধার করেন।

গৌরনদী মডেল থানার ওসি আফজাল হোসেন যুগান্তরকে জানান, দুই মৃগী রোগী পানিতে পড়ে মারা যাওয়ার খবর পেয়ে পৃথক দুটি ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন