শিল্পকারখানা খোলার ঘোষণায় দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে মানুষের ঢল
jugantor
শিল্পকারখানা খোলার ঘোষণায় দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে মানুষের ঢল

  রাজবাড়ী প্রতিনিধি  

৩১ জুলাই ২০২১, ১২:৩৮:৫১  |  অনলাইন সংস্করণ

ছবি-যুগান্তর

আগামীকাল রোববার থেকে সব রপ্তানিমুখী শিল্পকারখানা খুলে দেওয়ার ঘোষণা দেওয়ায় ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছে কর্মজীবী নারী-পুরুষ। শনিবার সকালে রাজাবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে। ফেরিতে পারাপার হওয়া যাত্রীদের অধিকাংশই পোশাক কারখানার শ্রমিক।

সরেজমিনে দৌলতদিয়া ৫ নম্বর ফেরিঘাটে গিয়ে দেখা যায়, ফেরিঘাটের পন্টুনে হাজার হাজার মানুষ গাদাগাদি করে দাঁড়িয়ে আছেন। স্বাস্থ্যবিধি মানার কোনো বালাই নাই। কড়া রোদের মধ্যে দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থেকে ফেরির জন্য অপেক্ষায় করছেন।

ঢাকাগামী যাত্রী আমির হোসেন যুগান্তরকে বলেন, আমি ঝিনাইদহ থেকে এসেছি। পথে পথে ভোগান্তি নিয়ে সকাল ৬টায় দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পৌঁছেছি। ভিড়ের কারণে এখনও ফেরিতে উঠতে পারিনি।

ঢাকায় একটি পোশাক কারখানায় সুপারভাইজার হিসেবে কর্মরত আছেন সোহাগ মোল্লা। তিনি এসেছেন পাংশা থেকে। সকাল থেকেই ঘাটে ফেরির জন্য অপেক্ষা করছেন।

তিনি বলেন, সরকার ঘোষিত কঠোর বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে কলকারখানা খোলার ঘোষণায় চাকরিতে যোগ দিতে ঢাকায় যেতে হচ্ছে। কিন্ত ঘাটে ফেরিতে যাত্রীদের কারণে ভোগান্তি নিয়ে অপেক্ষা করছি। ফেরিতে ভিড়ের কারণে ঢাকায় যাওয়া মুশকিল হবে বলে জানান তিনি।

বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট শাখার ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) জামাল হোসেন যুগান্তরকে বলেন, এই নৌরুটে ছোট বড় মিলে ৯টি ফেরি চলাচল করছে। তবে যাত্রীদের চাপ অনেক বেশি।

শিল্পকারখানা খোলার ঘোষণায় দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে মানুষের ঢল

 রাজবাড়ী প্রতিনিধি 
৩১ জুলাই ২০২১, ১২:৩৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ছবি-যুগান্তর
ছবি-যুগান্তর

আগামীকাল রোববার থেকে সব রপ্তানিমুখী শিল্পকারখানা খুলে দেওয়ার ঘোষণা দেওয়ায় ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছে কর্মজীবী নারী-পুরুষ।  শনিবার সকালে রাজাবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে। ফেরিতে পারাপার হওয়া যাত্রীদের অধিকাংশই পোশাক কারখানার শ্রমিক। 

সরেজমিনে দৌলতদিয়া ৫ নম্বর ফেরিঘাটে গিয়ে দেখা যায়, ফেরিঘাটের পন্টুনে হাজার হাজার মানুষ গাদাগাদি করে দাঁড়িয়ে আছেন। স্বাস্থ্যবিধি  মানার কোনো বালাই নাই। কড়া রোদের মধ্যে দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থেকে ফেরির জন্য অপেক্ষায় করছেন।

ঢাকাগামী যাত্রী আমির হোসেন যুগান্তরকে বলেন, আমি ঝিনাইদহ থেকে এসেছি। পথে পথে ভোগান্তি নিয়ে সকাল ৬টায় দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পৌঁছেছি। ভিড়ের কারণে এখনও ফেরিতে উঠতে পারিনি।

ঢাকায় একটি পোশাক কারখানায় সুপারভাইজার হিসেবে কর্মরত আছেন সোহাগ মোল্লা। তিনি এসেছেন পাংশা থেকে। সকাল থেকেই ঘাটে ফেরির  জন্য অপেক্ষা করছেন।  

তিনি বলেন, সরকার ঘোষিত কঠোর বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে কলকারখানা খোলার ঘোষণায় চাকরিতে যোগ দিতে ঢাকায় যেতে হচ্ছে। কিন্ত ঘাটে  ফেরিতে যাত্রীদের কারণে ভোগান্তি নিয়ে অপেক্ষা করছি। ফেরিতে ভিড়ের কারণে ঢাকায় যাওয়া মুশকিল হবে বলে জানান তিনি। 

বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট শাখার ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) জামাল হোসেন যুগান্তরকে বলেন,  এই নৌরুটে ছোট বড় মিলে ৯টি ফেরি চলাচল করছে। তবে যাত্রীদের চাপ অনেক বেশি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন