অন্তঃসত্বা স্ত্রীকে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ
jugantor
অন্তঃসত্বা স্ত্রীকে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ

  যুগান্তর প্রতিবেদন, তাহিরপুর  

৩১ জুলাই ২০২১, ২৩:০৩:৩৪  |  অনলাইন সংস্করণ

যৌতুকের দাবি পুরণ না করায় সুনামঞ্জের তাহিরপুরে মাইফুল নেছা (১৯) নামেঅন্তঃসত্বা এক গৃহবধূকে হাত পা বেধে নদীতে ডুবিয়ে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শুক্রবার রাতে আহত অবস্থায় ওই গৃহবধূকে তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

মাইফুল নেছা উপজেলার উত্তর বাদাঘাট ইউনিয়নের বাদলার পাড় গ্রামের ক্বারী নিজাম উদ্দিনের মেয়ে।

এ ঘটনার ওই গৃহবধূর অভিযুক্ত শ্বশুর, স্বামী, দুই দেবর এলাকা ছেড়ে পালিয়েছেন।

সূত্র জানায়, উপজেলার বাদলার পাড় গ্রামের ক্বারী নিজাম উদ্দিনের ছোট মেয়ে মাইফুল নেছার প্রায় আট মাস পূর্বে জেলার দোয়ারাবাজার উপজেলার চৌধুরীপাড়া গ্রামের সাজিদুল মিয়ার ছেলে আবু তাহের জান্নাতের সঙ্গে বিয়ে হয়।

আবু তাহের ও তার পরিবারের লোকজন ৫-৬ বছর ধরে উপজেলার বাদলার পাড় গ্রামে পোল্ট্রির ব্যবসা করেন।

বিয়ের পরপরই স্ত্রী মাইফুল নেছার পরিবারের কাছে ১ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন আবু তাহের। গত সাত মাসে গৃহবধূর অসুস্থ্ বাবা ক্বারী নিজাম উদ্দিন জামাইকে ধার-দেনা করে দুই দফায় ৫০ হাজার টাকা দেন।

এরপর আরও ৫০ হাজার টাকার দাবিতে আবু তাহের স্ত্রীকে মারধর করে ১৭ দিন পূর্বে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেন।

শুক্রবার সন্ধ্যায় গৃহবধূর বাবার বাড়িতে এসে শ্বশুড়ের উপস্থিতিতে স্বামী আবু তাহের ও তার তিন সহোদর ভাই মিলে তিন মাসের অন্তঃসত্বা গৃহবধূকে বেধড়ক মারধর করেন। একপর্যায়ে তারা গৃহবধূকে হাত- পা, মুখে স্কেচটেপলাগিয়ে বস্তায় ভরে গ্রামের পার্শ্ববর্তী ভাঙ্গার খাল নদীতে পানিতে ডুবিয়ে হত্যা করতে নিয়ে যান।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখে নদী থেকে বস্তাবন্দি ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করেন।

শনিবার বিকেলে গৃহবধূর বাবা উপজেলার ক্বারী নিজাম উদ্দিন এই ঘটনা বলতে গিয়ে বার বার কান্নায় ভেঙে পড়ছিলেন।

ঘটনার বিষয়ে অভিযুক্ত গৃহবধূর স্বামী আবু তাহেরের জান্নাতের বক্তব্য জানতে তার ব্যক্তিগত মুঠোফোনে কল করা হলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে তাহিরপুর (সার্কেল) এএসপি মো. বাবুল আখতার বরেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অন্তঃসত্বা স্ত্রীকে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ

 যুগান্তর প্রতিবেদন, তাহিরপুর 
৩১ জুলাই ২০২১, ১১:০৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

যৌতুকের দাবি পুরণ না করায় সুনামঞ্জের তাহিরপুরে মাইফুল নেছা (১৯) নামে অন্তঃসত্বা এক গৃহবধূকে হাত পা বেধে নদীতে ডুবিয়ে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শুক্রবার রাতে আহত অবস্থায় ওই গৃহবধূকে তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।  

মাইফুল নেছা উপজেলার উত্তর বাদাঘাট ইউনিয়নের বাদলার পাড় গ্রামের ক্বারী নিজাম উদ্দিনের মেয়ে।

এ ঘটনার ওই গৃহবধূর অভিযুক্ত শ্বশুর, স্বামী, দুই দেবর এলাকা ছেড়ে পালিয়েছেন।

সূত্র জানায়, উপজেলার বাদলার পাড় গ্রামের ক্বারী নিজাম উদ্দিনের ছোট মেয়ে মাইফুল নেছার প্রায় আট মাস পূর্বে জেলার দোয়ারাবাজার উপজেলার চৌধুরীপাড়া গ্রামের সাজিদুল মিয়ার ছেলে আবু তাহের জান্নাতের সঙ্গে বিয়ে হয়।

আবু তাহের ও তার পরিবারের লোকজন ৫-৬ বছর ধরে উপজেলার বাদলার পাড় গ্রামে পোল্ট্রির ব্যবসা করেন। 

বিয়ের পরপরই স্ত্রী মাইফুল নেছার পরিবারের কাছে ১ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন আবু তাহের। গত সাত মাসে গৃহবধূর অসুস্থ্ বাবা ক্বারী নিজাম উদ্দিন জামাইকে ধার-দেনা করে দুই দফায় ৫০ হাজার টাকা দেন।  

এরপর  আরও ৫০ হাজার টাকার দাবিতে আবু তাহের স্ত্রীকে মারধর করে ১৭ দিন পূর্বে  বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। 

শুক্রবার সন্ধ্যায় গৃহবধূর বাবার বাড়িতে এসে শ্বশুড়ের উপস্থিতিতে স্বামী আবু তাহের ও তার তিন সহোদর ভাই মিলে তিন মাসের অন্তঃসত্বা গৃহবধূকে বেধড়ক মারধর করেন। একপর্যায়ে তারা গৃহবধূকে হাত- পা, মুখে স্কেচটেপ লাগিয়ে বস্তায় ভরে গ্রামের পার্শ্ববর্তী ভাঙ্গার খাল নদীতে  পানিতে ডুবিয়ে হত্যা করতে নিয়ে যান। 

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখে নদী থেকে বস্তাবন্দি ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করেন।

শনিবার বিকেলে গৃহবধূর বাবা উপজেলার ক্বারী নিজাম উদ্দিন এই ঘটনা বলতে গিয়ে বার বার কান্নায় ভেঙে পড়ছিলেন। 

ঘটনার বিষয়ে অভিযুক্ত গৃহবধূর স্বামী আবু তাহেরের জান্নাতের বক্তব্য জানতে তার ব্যক্তিগত মুঠোফোনে কল করা হলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।
 
এ বিষয়ে তাহিরপুর (সার্কেল) এএসপি মো. বাবুল আখতার বরেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন