স্কুলছাত্রী অপহরণের ৪ মাসেও মামলা নেয়নি পুলিশ! 
jugantor
স্কুলছাত্রী অপহরণের ৪ মাসেও মামলা নেয়নি পুলিশ! 

  কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধি  

০১ আগস্ট ২০২১, ২২:১৭:৪৭  |  অনলাইন সংস্করণ

গাজীপুরের কালীগঞ্জে ষষ্ঠ শ্রেণীর কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থী অপহরণের ৪ মাস অতিবাহিত হলেও মামলা নিতে নানা গড়িমসি করছে কালীগঞ্জ থানা পুলিশ বলে অভিযোগ বাদীসহ তার পরিবারের লোকজনের।

ঘটনাটি ঘটেছে মোক্তারপুর অইউনিয়নের সাওরাইদ নীরব রাস্তায়। অপহৃত শিশু শিক্ষার্থী আফিয়া ওরুফে সাথী বরাইদ এলাকার সৌদি প্রবাসী আমজাত হোসেনের মেয়ে। সে বরাইদ উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রী।

এ ব্যাপারে ভিকটিমের মা তাছলিমা আক্তার বাদী হয়ে গত চার মাস পূর্বে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

এ ব্যাপারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কালীগঞ্জ-কাপাসিয়া সার্কেল) ফারজানা ইয়াসমিন বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। আপনাদের মাধ্যমে জানতে পেরেছি। তদন্তসাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ ব্যাপারে কালীগঞ্জ থানার ওসিএকে এম মিজানুল হক বলেন, বিষয়টি দেখছি। এসআই শামীমের সঙ্গে কথা বলে আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছি।

অভিযোগ উঠেছে, থানায় অভিযোগ দায়ের ৪ মাস অতিবাহিত হলেও অভিযোগ তদন্ত কর্মকর্তা এসআই শামীম আসামিদের সঙ্গে আতাত করে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়ে অভিযোগ আমলে নেয়নি। এমনকি আসামিরা এলাকায় প্রকাশ্যে বীরদর্পে ঘুরাঘুরি করলেও তারা রয়েছে ধরাছোঁয়ার বাইরে।

অপরদিকে অভিযোগ দায়ের পর থেকে আসামিপক্ষের লোকজন থানা থেকে অভিযোগ তুলে নিতে পায়ের রগ কাটাসহ হত্যা করে লাশ গুম করে ফেলার হুমকি দিচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে আসামিদের বিরুদ্ধে।

বাদী জানান, ৭ এপ্রিল সকালে আমার মেয়ে বাড়ি থেকে সাওরাইদ সরকারি প্রাক বিদ্যালয়ে থেকে ছাড়পত্র আনার জন্য গিয়ে নিখোঁজ হয়। পরে মেয়ে বাড়ি ফিরে না আসায় আমরা আত্মীয়স্বজনসহ বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করতে থাকি।

পরে লোকমারফত জানতে পারি জামালপুর বালুয়াভিটা এলাকার সাইফুলের ছেলে লরিচালক ইউনুস তার সহযোগীদের নিয়ে আমার মেয়েকে রাস্তা থেকে জোরপূর্বক গাড়িতে করে তুলে নিয়ে যায়। পরে থানায় অভিযোগের ৪ মাস পার হলেও রহস্যজনক কারণে পুলিশ আসামি ধরাতো দূরের কথা মামলাই আমলে নেয়নি।

তিনি আরও জানান, আসামি ধরার কথা বলে আমার কাছ থেকে এসআই শামীম ১৫-১৬ হাজার টাকা নিয়েও আসামিদের ধরছে না।

এ ব্যাপারে অভিযোগ তদন্ত কর্মকর্তা এসআই শামীম টাকা নেওয়া, আসামি ধরা ও মামলা রুজুর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি এড়িয়ে গিয়ে বলেন, এ ব্যাপারে তিনি কিছুই জানেন না।

স্কুলছাত্রী অপহরণের ৪ মাসেও মামলা নেয়নি পুলিশ! 

 কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধি 
০১ আগস্ট ২০২১, ১০:১৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

গাজীপুরের কালীগঞ্জে ষষ্ঠ শ্রেণীর কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থী অপহরণের ৪ মাস অতিবাহিত হলেও মামলা নিতে নানা গড়িমসি করছে কালীগঞ্জ থানা পুলিশ বলে অভিযোগ বাদীসহ তার পরিবারের লোকজনের।

ঘটনাটি ঘটেছে মোক্তারপুর অইউনিয়নের সাওরাইদ নীরব রাস্তায়। অপহৃত শিশু শিক্ষার্থী আফিয়া ওরুফে সাথী বরাইদ এলাকার সৌদি প্রবাসী আমজাত হোসেনের মেয়ে। সে বরাইদ উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রী।  

এ ব্যাপারে ভিকটিমের মা তাছলিমা আক্তার বাদী হয়ে গত চার মাস পূর্বে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

এ ব্যাপারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কালীগঞ্জ-কাপাসিয়া সার্কেল) ফারজানা ইয়াসমিন বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। আপনাদের মাধ্যমে জানতে পেরেছি। তদন্তসাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ ব্যাপারে কালীগঞ্জ থানার ওসিএকে এম মিজানুল হক বলেন, বিষয়টি দেখছি।  এসআই  শামীমের সঙ্গে কথা বলে আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছি।

অভিযোগ উঠেছে, থানায় অভিযোগ দায়ের ৪ মাস অতিবাহিত হলেও অভিযোগ তদন্ত কর্মকর্তা এসআই শামীম আসামিদের সঙ্গে আতাত করে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়ে অভিযোগ আমলে নেয়নি। এমনকি আসামিরা এলাকায় প্রকাশ্যে বীরদর্পে ঘুরাঘুরি করলেও তারা রয়েছে ধরাছোঁয়ার বাইরে।

অপরদিকে অভিযোগ দায়ের পর থেকে আসামিপক্ষের লোকজন থানা থেকে অভিযোগ তুলে নিতে পায়ের রগ কাটাসহ হত্যা করে লাশ গুম করে ফেলার হুমকি দিচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে আসামিদের বিরুদ্ধে।

বাদী জানান, ৭ এপ্রিল সকালে আমার মেয়ে বাড়ি থেকে সাওরাইদ সরকারি প্রাক বিদ্যালয়ে থেকে ছাড়পত্র আনার জন্য গিয়ে নিখোঁজ হয়। পরে মেয়ে বাড়ি ফিরে না আসায় আমরা আত্মীয়স্বজনসহ বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করতে থাকি। 

পরে লোকমারফত জানতে পারি জামালপুর বালুয়াভিটা এলাকার সাইফুলের ছেলে লরিচালক ইউনুস তার সহযোগীদের নিয়ে আমার মেয়েকে রাস্তা থেকে জোরপূর্বক গাড়িতে করে তুলে নিয়ে যায়। পরে থানায় অভিযোগের ৪ মাস পার হলেও রহস্যজনক কারণে পুলিশ আসামি ধরাতো দূরের কথা মামলাই আমলে নেয়নি।   

তিনি আরও জানান, আসামি ধরার কথা বলে আমার কাছ থেকে এসআই  শামীম  ১৫-১৬ হাজার টাকা নিয়েও আসামিদের ধরছে না।

এ ব্যাপারে অভিযোগ তদন্ত কর্মকর্তা এসআই  শামীম টাকা নেওয়া, আসামি ধরা ও মামলা রুজুর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি এড়িয়ে গিয়ে বলেন, এ ব্যাপারে তিনি কিছুই জানেন না।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন