দুই দিন আটকে রেখে মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণ, ইমাম গ্রেফতার
jugantor
দুই দিন আটকে রেখে মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণ, ইমাম গ্রেফতার

  কুমিল্লা ব্যুরো  

০২ আগস্ট ২০২১, ২২:৩৩:৪১  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লার চান্দিনায় মাদ্রাসাছাত্রীকে দুই দিন আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষক এক মসজিদের ইমামকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

সোমবার ভোরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলার নূরজাহান হোটেলের সামনে থেকে আবুল বাশার নামে ওই ইমামকে গ্রেফতার করে কুমিল্লার র‌্যাব-১১ সিপিসি-২।

আবুল বাশার (৫০) চান্দিনা উপজেলার শব্দলপুর গ্রামের মৃত মোতালেব মুন্সীর ছেলে এবং একই উপজেলার তীরচর নয়াবাড়ি মসজিদের ইমাম।

র‌্যাব জানায়, গত ২২ জুলাই থেকে ২৪ জুলাই পর্যন্ত ইমাম আবুল বাশার চৌদ্দ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রীকে আটকে রেখে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। এতে ধর্ষিতা অসুস্থ হয়ে পড়লে ইমাম পালিয়ে যান। এ নিয়ে ওই মাদ্রাসা ছাত্রীর পিতা বাদী হয়ে চান্দিনা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়ের করার পর থেকেই ধর্ষক আবুল বাশার পলাতক ছিলেন।

বিষয়টি র‌্যাবের নজরে আসলে ধর্ষণকারীকে গ্রেফতারের জন্য তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করে এবং গোয়েন্দা কার্যক্রম শুরু করে। সোমবার ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নূরজাহান হোটেলের সামনে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে আবুল বাশারকে গ্রেফতার করা হয়।

কুমিল্লার র‌্যাব-১১ সিপিসি-২ এর অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আমরা জানতে পেরেছি ধর্ষক চান্দিনার তীরচর নয়াবাড়ি মসজিদে ইমামের দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন। ধর্ষিতার পরিবার তাদের মেয়েকে আরবি পড়ানোর জন্য ইমামকে নিযুক্ত করে। এ সময় আরবি পড়ানোর সুবাদে তাদের বাড়িতে আবুল বাশারের নিয়মিত যাতায়াত ছিল। মাদ্রাসাছাত্রীকে আরবি পড়ানোর সুযোগ নিয়ে তাকে ফুসলিয়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করার বিষয়টি তিনি স্বীকার করেছেন।

দুই দিন আটকে রেখে মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণ, ইমাম গ্রেফতার

 কুমিল্লা ব্যুরো 
০২ আগস্ট ২০২১, ১০:৩৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লার চান্দিনায় মাদ্রাসাছাত্রীকে দুই দিন আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষক এক মসজিদের ইমামকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

সোমবার ভোরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলার নূরজাহান হোটেলের সামনে থেকে আবুল বাশার নামে ওই ইমামকে গ্রেফতার করে কুমিল্লার র‌্যাব-১১ সিপিসি-২।

আবুল বাশার (৫০) চান্দিনা উপজেলার শব্দলপুর গ্রামের মৃত মোতালেব মুন্সীর ছেলে এবং একই উপজেলার তীরচর নয়াবাড়ি মসজিদের ইমাম। 

র‌্যাব জানায়, গত ২২ জুলাই থেকে ২৪ জুলাই পর্যন্ত ইমাম আবুল বাশার চৌদ্দ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রীকে আটকে রেখে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। এতে ধর্ষিতা অসুস্থ হয়ে পড়লে ইমাম পালিয়ে যান। এ নিয়ে ওই মাদ্রাসা ছাত্রীর পিতা বাদী হয়ে চান্দিনা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়ের করার পর থেকেই ধর্ষক আবুল বাশার পলাতক ছিলেন।

বিষয়টি র‌্যাবের নজরে আসলে ধর্ষণকারীকে গ্রেফতারের জন্য তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করে এবং গোয়েন্দা কার্যক্রম শুরু করে। সোমবার ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নূরজাহান হোটেলের সামনে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে আবুল বাশারকে গ্রেফতার করা হয়।

কুমিল্লার র‌্যাব-১১ সিপিসি-২ এর অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আমরা জানতে পেরেছি ধর্ষক চান্দিনার তীরচর নয়াবাড়ি মসজিদে ইমামের দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন। ধর্ষিতার পরিবার তাদের মেয়েকে আরবি পড়ানোর জন্য ইমামকে নিযুক্ত করে। এ সময় আরবি পড়ানোর সুবাদে তাদের বাড়িতে আবুল বাশারের নিয়মিত যাতায়াত ছিল। মাদ্রাসাছাত্রীকে আরবি পড়ানোর সুযোগ নিয়ে তাকে ফুসলিয়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করার বিষয়টি তিনি স্বীকার করেছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন