অসহায় মানুষের জন্য নাফিসার ডাল-ভাত প্রকল্প
jugantor
অসহায় মানুষের জন্য নাফিসার ডাল-ভাত প্রকল্প

  মুহ. মিজানুর রহমান বাদল, সিংগাইর (মানিকগঞ্জ)  

০৩ আগস্ট ২০২১, ২৩:৪০:৩২  |  অনলাইন সংস্করণ

‘মানুষ মানুষের জন্য’ এই স্লোগানে তাল মিলিয়ে মানবসেবায় নিয়োজিত নাফিসা। তিনি অসহায় দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে প্রতিদিন দুই বেলা রান্না করা খাবার বিতরণ করছেন।

মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার নাফিসা আঞ্জুমান খান ঢাকার অলিগলিতে ছিন্নমূল পরিবারের কাছে অতি পরিচিত একজন নারী। করোনাকালের শুরু থেকে বিভিন্নভাবে অসহায় দারিদ্র্য ছিন্নমূল মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন।

তিনি অসহায় দরিদ্র ছিন্নমূল মানুষ নিয়ে কাজ করছেন তার ‘ডাল-ভাত প্রকল্প’ নিয়ে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতিদিন ঢাকার বিভিন্ন এলাকার ছিন্নমূল ও অসহায় প্রায় ৩শ থেকে সাড়ে ৩শ অনাহারী মানুষকে ২ বেলা বিনামূল্যে খাবার খাওয়ান।

গত ৮ জুলাই থেকে শুরু করেছেন ডাল-ভাত প্রকল্পটি। এ প্রকল্প চলবে আগামী ৫ আগস্টের লকডাউন পর্যন্ত।

সরেজমিন দেখা যায়, সিংগাইর উপজেলার জয়মন্টপ ইউনিয়নের খান বানিয়ারা গ্রামের বাড়িতে নাফিসা রান্না শেষে নিজ হাতে খাবার প্যাকেট করছেন। তার সঙ্গে আরও ৭-৮ জন স্বেচ্ছাসেবী আছেন। এ খাবারের প্যাকেটগুলো পিকআপ ভ্যানযোগে চলে যায় ঢাকার বিভিন্ন এলাকার ছিন্নমূল মানুষের কাছে। ঢাকার বিভিন্ন অলিগলিতে প্রতিদিন এ খাবারের আশায় বসে থাকেন অসহায় ছিন্নমূল মানুষগুলো। প্রকল্পের নাম ডাল-ভাত হলেও খাবার মেনুতে থাকছে গরু ও মুরগির মাংস, মাছ, ডিম, ডাল, সবজিসহ একেক দিন ভিন্ন ভিন্ন খাবার।

‘ডাল-ভাত’ প্রকল্পের পরিচালক নাফিসা আঞ্জুমান খান যুগান্তরকে জানান, আমি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতাম। বেতনের টাকা, কিছু প্রতিষ্ঠানের অনুদান ও ফেসবুক বন্ধুদের সহযোগিতায় করোনাকালের শুরু থেকে সংকটে পড়া নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চিন্তা করি। খাদ্যসামগ্রী বিতরণ, শিশুর খাবার (দুধ), ঈদ উপহার, খাবার বিতরণসহ বিভিন্নভাবে মানুষের কল্যাণের জন্য কাজ করেছি।

এ সেবামূলক কাজের জন্য নাফিসা সবার কাছে পরিচিত ‘একজন বাংলাদেশ’ হিসেবে। ইতিমধ্যে তাকে নিয়ে বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় খবরও প্রকাশিত হয়েছে।

নাফিসা আঞ্জুমান খান জানান, সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকেই সমাজের অসহায় দারিদ্র্য মানুষের কল্যাণে কাজ করি। যখন খেতে বসি তখন আমার মনে হয় আমার চারপাশের মানুষগুলো খেয়েছে কিনা। ওই অনাহারী মানুষের মুখে বিনামূল্যে দুই বেলা খাবার তুলে দেওয়ায় ডাল-ভাত প্রকল্পটির কাজ। এ কাজের মাধ্যমে এখন আনন্দ খুঁজে পাই।

অসহায় মানুষের জন্য নাফিসার ডাল-ভাত প্রকল্প

 মুহ. মিজানুর রহমান বাদল, সিংগাইর (মানিকগঞ্জ) 
০৩ আগস্ট ২০২১, ১১:৪০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

‘মানুষ মানুষের জন্য’ এই স্লোগানে তাল মিলিয়ে মানবসেবায় নিয়োজিত নাফিসা। তিনি অসহায় দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে প্রতিদিন দুই বেলা রান্না করা খাবার বিতরণ করছেন।

মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার নাফিসা আঞ্জুমান খান ঢাকার অলিগলিতে ছিন্নমূল পরিবারের কাছে অতি পরিচিত একজন নারী। করোনাকালের শুরু থেকে বিভিন্নভাবে অসহায় দারিদ্র্য ছিন্নমূল মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন।

তিনি অসহায় দরিদ্র ছিন্নমূল মানুষ নিয়ে কাজ করছেন তার ‘ডাল-ভাত প্রকল্প’ নিয়ে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতিদিন ঢাকার বিভিন্ন এলাকার ছিন্নমূল ও অসহায় প্রায় ৩শ থেকে সাড়ে ৩শ অনাহারী মানুষকে ২ বেলা বিনামূল্যে খাবার খাওয়ান।

গত ৮ জুলাই থেকে শুরু করেছেন ডাল-ভাত প্রকল্পটি। এ প্রকল্প চলবে আগামী ৫ আগস্টের লকডাউন পর্যন্ত।

সরেজমিন দেখা যায়, সিংগাইর উপজেলার জয়মন্টপ ইউনিয়নের খান বানিয়ারা গ্রামের বাড়িতে নাফিসা রান্না শেষে নিজ হাতে খাবার প্যাকেট করছেন। তার সঙ্গে আরও ৭-৮ জন স্বেচ্ছাসেবী আছেন। এ খাবারের প্যাকেটগুলো পিকআপ ভ্যানযোগে চলে যায় ঢাকার বিভিন্ন এলাকার ছিন্নমূল মানুষের কাছে। ঢাকার বিভিন্ন অলিগলিতে প্রতিদিন এ খাবারের আশায় বসে থাকেন অসহায় ছিন্নমূল মানুষগুলো। প্রকল্পের নাম ডাল-ভাত হলেও খাবার মেনুতে থাকছে গরু ও মুরগির মাংস, মাছ, ডিম, ডাল, সবজিসহ একেক দিন ভিন্ন ভিন্ন খাবার।

‘ডাল-ভাত’ প্রকল্পের পরিচালক নাফিসা আঞ্জুমান খান যুগান্তরকে জানান, আমি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতাম। বেতনের টাকা, কিছু প্রতিষ্ঠানের অনুদান ও ফেসবুক বন্ধুদের সহযোগিতায় করোনাকালের শুরু থেকে সংকটে পড়া নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চিন্তা করি। খাদ্যসামগ্রী বিতরণ, শিশুর খাবার (দুধ), ঈদ উপহার, খাবার বিতরণসহ বিভিন্নভাবে মানুষের কল্যাণের জন্য কাজ করেছি।

এ সেবামূলক কাজের জন্য নাফিসা সবার কাছে পরিচিত ‘একজন বাংলাদেশ’ হিসেবে। ইতিমধ্যে তাকে নিয়ে বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় খবরও প্রকাশিত হয়েছে।

নাফিসা আঞ্জুমান খান জানান, সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকেই সমাজের অসহায় দারিদ্র্য মানুষের কল্যাণে কাজ করি। যখন খেতে বসি তখন আমার মনে হয় আমার চারপাশের মানুষগুলো খেয়েছে কিনা। ওই অনাহারী মানুষের মুখে বিনামূল্যে দুই বেলা খাবার তুলে দেওয়ায় ডাল-ভাত প্রকল্পটির কাজ। এ কাজের মাধ্যমে এখন আনন্দ খুঁজে পাই।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন