স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণ, যুবক গ্রেফতার
jugantor
স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণ, যুবক গ্রেফতার

  নরসিংদী প্রতিনিধি  

০৪ আগস্ট ২০২১, ২২:২৯:০১  |  অনলাইন সংস্করণ

নরসিংদীর রায়পুরায় ৬ষ্ঠ শ্রেণীর এক ছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীর মা বাদী হয়ে গত মঙ্গলবার রাতে গণধর্ষণের অভিযোগ এনে রায়পুরা থানায় মামলা দায়ের করেন।

অভিযোগের প্রেক্ষিতে অভিযুক্ত সালামত উল্লাহকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রায়পুরা থানার সেকেন্ড অফিসার দেব দুলাল।

মামলার আসামিরা হলো বাঁশগাড়ী গ্রামের জলিল মিয়ার ছেলে সাগর মিয়া এবং হযরত আলীর ছেলে সালামত উল্লাহ।

রায়পুরা থানার সেকেন্ড অফিসার দেব দুলাল জানান, গত রোববার রাত ১১টায় প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ঘর থেকে বের হয় ওই স্কুলছাত্রী। এ সময় ওতপেতে থাকা সাগর ও সালামত উল্লাহ মুখে গামছা পেঁচিয়ে বাড়ির উত্তর দিকের একটি জঙ্গলে নিয়ে যায়। পরে অভিযুক্তরা তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে।

এরই প্রেক্ষিতে নিযাতিতার মা মঙ্গলবার রাতে ১২টার দিকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দুই জনকে অভিযুক্ত করে রায়পুরা থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে রায়পুরা থানা পুলিশ ওই রাতেই অভিযুক্ত সালামত উল্লহকে গ্রেফতার করে।

দেব দুলাল আরও জানান, মামলার এজাহারভুক্ত আসামি সাগর কয়েক মাস ধরে ভিকটিমকে প্রেম নিবেদন করে আসছিল। কিন্তু ভিকটিম তার প্রেম প্রত্যাখ্যান করে। এর প্রতিশোধ নিতে সুযোগ মতো এ গণধর্ষণের ঘটনা ঘটিয়েছে বলে নির্যাতিতার মা এজাহারে উল্লেখ করেন। এজাহারভুক্ত আসামি সাগর মিয়াকে গ্রেফতারের প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছে পুলিশ।

স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণ, যুবক গ্রেফতার

 নরসিংদী প্রতিনিধি 
০৪ আগস্ট ২০২১, ১০:২৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নরসিংদীর রায়পুরায় ৬ষ্ঠ শ্রেণীর এক ছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীর মা বাদী হয়ে গত মঙ্গলবার রাতে  গণধর্ষণের অভিযোগ এনে রায়পুরা থানায় মামলা দায়ের করেন।  

অভিযোগের প্রেক্ষিতে অভিযুক্ত সালামত উল্লাহকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রায়পুরা থানার সেকেন্ড অফিসার দেব দুলাল।

মামলার আসামিরা হলো বাঁশগাড়ী গ্রামের জলিল মিয়ার ছেলে সাগর মিয়া এবং হযরত আলীর ছেলে সালামত উল্লাহ। 

রায়পুরা থানার সেকেন্ড অফিসার দেব দুলাল জানান, গত রোববার রাত ১১টায় প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ঘর থেকে বের হয় ওই স্কুলছাত্রী। এ সময় ওতপেতে থাকা সাগর ও সালামত উল্লাহ মুখে গামছা পেঁচিয়ে বাড়ির উত্তর দিকের একটি জঙ্গলে নিয়ে যায়। পরে অভিযুক্তরা তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। 

এরই প্রেক্ষিতে নিযাতিতার মা মঙ্গলবার রাতে ১২টার দিকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দুই জনকে অভিযুক্ত করে রায়পুরা থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে রায়পুরা থানা পুলিশ ওই রাতেই অভিযুক্ত সালামত উল্লহকে গ্রেফতার করে।

দেব দুলাল আরও জানান, মামলার এজাহারভুক্ত আসামি সাগর কয়েক মাস ধরে ভিকটিমকে প্রেম নিবেদন করে আসছিল। কিন্তু ভিকটিম তার প্রেম প্রত্যাখ্যান করে। এর প্রতিশোধ নিতে সুযোগ মতো এ গণধর্ষণের ঘটনা ঘটিয়েছে বলে নির্যাতিতার মা এজাহারে উল্লেখ করেন। এজাহারভুক্ত আসামি সাগর মিয়াকে গ্রেফতারের প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছে পুলিশ।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর
 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন