বন্ধুর হাত-পা বেঁধে গলা কেটে খুন করে ৩ জন
jugantor
বন্ধুর হাত-পা বেঁধে গলা কেটে খুন করে ৩ জন

  ব্রাহ্মণপাড়া (কুমিল্লা) প্রতিনিধি  

০৪ আগস্ট ২০২১, ২২:৪৩:১৪  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার ষোলনল ইউনিয়নের ইন্দ্রবতী এলাকায় গোমতী নদীর বেড়িবাঁধ থেকে মো. সাকিব নামে এক যুবকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। সাকিবের হাত-পা বেঁধে গলা কেটে খুন করে ৩ বন্ধু।

এ ঘটনায় বুড়িচং থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মকসুদ আলমের নেতৃত্বে এসআই বাদল, এএসআই মহসিন, এএসআই আবদুল্লার সহায়তায় তিন আসামিকে গ্রেফতার ও ৫টি ব্যাটারিসহ অটোরিকশা জব্দ করা হয়। বুধবার দুপুরে আদালতে হাজির করলে তারা হত্যার কথা স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলো- কুমিল্লা নগরীর কালিয়াজুড়ি এলাকার আবদুল আল কাইয়ূমের ছেলে মো. রাজু হোসেন (১৭), ছোটরা এলাকার সাহাব উদ্দিনের ছেলে মো. ইলিয়াস (১৯) ও রেইসকোর্স এলাকার মৃত সাইফুল ইসলামের ছেলে মো. ফেরদাউস (১৬)।

বুড়িচং থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মাকসুদ আলম জানান, গ্রেফতারকৃত আসামিরা ও নিহত অটোরিকশাচালক বন্ধু ছিল। তাদের মধ্যে মোবাইল ফোন কেনা নিয়ে মনোমালিন্য চলে আসছিল।

সোমবার বিকালে আসামিরা ১৫০ টাকা ঘণ্টা হিসেবে ভাড়া নিয়ে মো. সাকিবের অটোরিকশাযোগে ঘুরতে বের হয়। রাতে বুড়িচং উপজেলার ইন্দ্রবতী এলাকায় গোমতী নদীর বেড়িবাঁধ এলাকায় এসে অটোচালক সাকিবের হাত-পা বেঁধে গলা কেটে হত্যা করে অটোরিকশা নিয়ে পালিয়ে যায়।

মঙ্গলবার সকালে বুড়িচং থানা পুলিশ ডোবা থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় গলাকাটা লাশটি উদ্ধার করে। এ ঘটনায় নিহতের বাবা বিল্লাল কাজী অজ্ঞাত ব্যক্তিদের নামে বুড়িচং থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

নিহত সাকিব কাজী একজন ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালক। তার বাবা বিল্লাল হোসেন কাজী জানান, তারা ৫ বছর ধরে কুমিল্লা ধর্মপুর এলাকায় একটি বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করে আসছেন। ছেলে আটোরিকশা চালিয়ে সংসার চালাতেন। তাদের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার দড়িয়াকান্দি গ্রামে।

বন্ধুর হাত-পা বেঁধে গলা কেটে খুন করে ৩ জন

 ব্রাহ্মণপাড়া (কুমিল্লা) প্রতিনিধি 
০৪ আগস্ট ২০২১, ১০:৪৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার ষোলনল ইউনিয়নের ইন্দ্রবতী এলাকায় গোমতী নদীর বেড়িবাঁধ থেকে মো. সাকিব নামে এক যুবকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। সাকিবের হাত-পা বেঁধে গলা কেটে খুন করে ৩ বন্ধু।

এ ঘটনায় বুড়িচং থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মকসুদ আলমের নেতৃত্বে এসআই  বাদল, এএসআই মহসিন, এএসআই আবদুল্লার সহায়তায় তিন আসামিকে গ্রেফতার ও ৫টি ব্যাটারিসহ অটোরিকশা জব্দ করা হয়। বুধবার দুপুরে আদালতে হাজির করলে তারা হত্যার কথা স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলো- কুমিল্লা নগরীর কালিয়াজুড়ি এলাকার আবদুল আল কাইয়ূমের ছেলে মো. রাজু হোসেন (১৭), ছোটরা এলাকার সাহাব উদ্দিনের ছেলে মো. ইলিয়াস (১৯) ও রেইসকোর্স এলাকার মৃত সাইফুল ইসলামের ছেলে মো. ফেরদাউস (১৬)।

বুড়িচং থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মাকসুদ আলম জানান, গ্রেফতারকৃত আসামিরা ও নিহত অটোরিকশাচালক বন্ধু ছিল। তাদের মধ্যে মোবাইল ফোন কেনা নিয়ে মনোমালিন্য চলে আসছিল। 

সোমবার বিকালে আসামিরা ১৫০ টাকা ঘণ্টা হিসেবে ভাড়া নিয়ে মো. সাকিবের অটোরিকশাযোগে ঘুরতে বের হয়। রাতে বুড়িচং উপজেলার ইন্দ্রবতী এলাকায় গোমতী নদীর বেড়িবাঁধ এলাকায় এসে অটোচালক সাকিবের হাত-পা বেঁধে গলা কেটে হত্যা করে অটোরিকশা নিয়ে পালিয়ে যায়।

মঙ্গলবার সকালে বুড়িচং থানা পুলিশ ডোবা থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় গলাকাটা লাশটি উদ্ধার করে। এ ঘটনায় নিহতের বাবা বিল্লাল কাজী অজ্ঞাত ব্যক্তিদের নামে বুড়িচং থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

নিহত সাকিব কাজী একজন ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালক। তার বাবা বিল্লাল হোসেন কাজী জানান, তারা ৫ বছর ধরে কুমিল্লা ধর্মপুর এলাকায় একটি বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করে আসছেন। ছেলে আটোরিকশা চালিয়ে সংসার চালাতেন। তাদের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার দড়িয়াকান্দি গ্রামে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন