মোবাইল দেখতে না দেওয়ায় ভাইবোনকে কুপিয়ে জখম
jugantor
মোবাইল দেখতে না দেওয়ায় ভাইবোনকে কুপিয়ে জখম

  সাঁথিয়া (পাবনা) প্রতিনিধি  

১০ আগস্ট ২০২১, ২১:৫২:২৫  |  অনলাইন সংস্করণ

পাবনার সাঁথিয়ায় মোবাইল ফোন দেখতে না দেওয়ায় নিজের ছোটভাই ও বড়বোনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করছে সৈকত নামে এক যুবক। সোমবার রাতে উপজেলার আর-আতাইকুলা ইউনিয়নের গাঙ্গুহাটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

সৈকত গাঙ্গুয়াহাটি গ্রামের খন্দকার ইব্রাহিমের ছেলে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায় সোমবার রাত পৌনে ৯টার দিকে উপজেলার আর-আতাইকুলা ইউনিয়নের গাঙ্গহাটি গ্রামের খন্দকার ইব্রাহিম হোসেনের ছেলে সৈকত (২০), সৌরভ (১৮) ও একমাত্র কন্যা ইভা (২২) তাদের ঘরে মোবাইল ফোন দেখতে থাকে। পিতা ইব্রাহিম তাদের মোবাইল দেখতে নিষেধ করায় পিতার ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে সৈকত।

কন্যা ইভা ও ছোটভাই সৌরভ সৈকতের কথার প্রতিবাদ করলে সৈকত ঘরের দরজা বন্ধ করে ঘরে থাকা ধারালো হাঁসুয়া দিয়ে সৌরভ ও ইভার মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। তাদের চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে মুমূর্ষু অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে পাবনা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।

অবস্থার অবনতি হলে তাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানেও শারীরিক অবস্থা আরও আশঙ্কাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক সৌরভ ও ইভাকে ঢাকায় রেফার্ড করেন। খবর পেয়ে আতাইকুলা থানা পুলিশ সোমবার রাতেই ধারালো অস্ত্রসহ সৈকতকে বাড়ি থেকে আটক করে।

আতাইকুলা থানার ওসি জালাল উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সৈকত থানা হেফাজতে রয়েছে। অভিযোগ দিলে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হবে।

পিতা ইব্রাহিম সাংবাদিকদের জানান, তার ছেলে সৈকত কিছুদিন ধরে মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছে।

মোবাইল দেখতে না দেওয়ায় ভাইবোনকে কুপিয়ে জখম

 সাঁথিয়া (পাবনা) প্রতিনিধি 
১০ আগস্ট ২০২১, ০৯:৫২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

পাবনার সাঁথিয়ায় মোবাইল ফোন দেখতে না দেওয়ায় নিজের ছোটভাই ও বড়বোনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করছে সৈকত নামে এক যুবক। সোমবার রাতে উপজেলার আর-আতাইকুলা ইউনিয়নের গাঙ্গুহাটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

সৈকত গাঙ্গুয়াহাটি গ্রামের খন্দকার ইব্রাহিমের ছেলে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায় সোমবার রাত পৌনে ৯টার দিকে উপজেলার আর-আতাইকুলা ইউনিয়নের গাঙ্গহাটি গ্রামের খন্দকার ইব্রাহিম হোসেনের ছেলে সৈকত (২০), সৌরভ (১৮) ও একমাত্র কন্যা ইভা (২২) তাদের ঘরে মোবাইল ফোন দেখতে থাকে। পিতা ইব্রাহিম তাদের মোবাইল দেখতে নিষেধ করায় পিতার ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে সৈকত।

কন্যা ইভা ও ছোটভাই সৌরভ সৈকতের কথার প্রতিবাদ করলে সৈকত ঘরের দরজা বন্ধ করে ঘরে থাকা ধারালো হাঁসুয়া দিয়ে সৌরভ ও ইভার মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। তাদের চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে মুমূর্ষু অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে পাবনা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।

অবস্থার অবনতি হলে তাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানেও শারীরিক অবস্থা আরও আশঙ্কাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক সৌরভ ও ইভাকে ঢাকায় রেফার্ড করেন। খবর পেয়ে আতাইকুলা থানা পুলিশ সোমবার রাতেই ধারালো অস্ত্রসহ সৈকতকে বাড়ি থেকে আটক  করে।

আতাইকুলা থানার ওসি জালাল উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সৈকত থানা হেফাজতে রয়েছে। অভিযোগ দিলে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হবে।

পিতা ইব্রাহিম সাংবাদিকদের জানান, তার ছেলে সৈকত কিছুদিন ধরে মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন