যমুনা নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ স্পারের আরও ১০ মিটার ধস
jugantor
যমুনা নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ স্পারের আরও ১০ মিটার ধস

  বগুড়া ব্যুরো  

১০ আগস্ট ২০২১, ২২:১৬:২৩  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়ার ধুনটে ভান্ডারবাড়ী ইউনিয়নের বানিয়াজান বন্যা নিয়ন্ত্রণ স্পারের আরও ১০ মিটার ধসে গেছে।

বগুড়ার ধুনটে ভান্ডারবাড়ী ইউনিয়নের বানিয়াজান বন্যা নিয়ন্ত্রণ স্পারের আরও ১০ মিটার ধসে গেছে। যমুনা নদীতে প্রবল স্রোত ও ঘুর্ণাবর্তের কারণে সোমবার মধ্য রাতে স্পারের উত্তরপাশের সিসি ব্লক ধসে নদীতে বিলীন হয়ে যায়।

ভাঙনরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের লোকজন মঙ্গলবার সকাল থেকে বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ফেলছেন। এর আগে গত ৫ আগস্ট স্পারের ২০ মিটার অংশ ধসে যায়। ওই অংশ মেরামত শেষ না করতেই আবারও ধসের সৃষ্টি হলো।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

বগুড়া পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্র জানায়, যমুনা নদীর ভাঙন রোধে ২০০৩ সালে ধুনট উপজেলার ভান্ডারবাড়ী ইউনিয়নের আটাচর থেকে সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার ঢেকুরিয়া পর্যন্ত প্রায় সাত কিলোমিটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও দুটি স্পার নির্মাণ করা হয়।

ধুনট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সঞ্জয় কুমার মহন্ত জানান, সোমবার রাত ১২টার দিকে হঠাৎ করেই বানিয়াজান স্পার ধসে যাওয়ার খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে ছুটে যান। পরিদর্শন শেষে রাতেই স্পারকিছুটা মেরামত করা হয়। এরপর মঙ্গলবার সকাল থেকে পাউবোর লোকজন ভাঙন ঠেকাতে সেখানে বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ফেলছেন।

তিনি বলেন, স্পারটি স্থায়ীভাবে মেরামত করতে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। তারা এ ব্যাপারে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

ভান্ডারবাড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আতিকুল করিম আপেল বলেন, বন্যা নিয়ন্ত্রণ স্পারটি রক্ষা করা না গেলে তার ইউনিয়নের প্রায় ১৫ গ্রাম নদীগর্ভে বিলীন হবে। তাই এলাকাবাসী দ্রুত স্পারটি স্থায়ী রক্ষণাবেক্ষণের দাবি জানিয়েছেন।

বগুড়া পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান বলেন, যমুনার পানির প্রবল স্রোত ও ঘুর্ণাবতের কারণে বানিয়াজান বন্যা নিয়ন্ত্রণ স্পারের আরও ১০ মিটার ধসে গেছে। খবর পেয়েই সেখানে ঠিকাদার পাঠানো হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা চলছে।

যমুনা নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ স্পারের আরও ১০ মিটার ধস

 বগুড়া ব্যুরো 
১০ আগস্ট ২০২১, ১০:১৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
বগুড়ার ধুনটে ভান্ডারবাড়ী ইউনিয়নের বানিয়াজান বন্যা নিয়ন্ত্রণ স্পারের আরও ১০ মিটার ধসে গেছে।
বগুড়ার ধুনটে ভান্ডারবাড়ী ইউনিয়নের বানিয়াজান বন্যা নিয়ন্ত্রণ স্পারের আরও ১০ মিটার ধসে গেছে। ছবি: যুগান্তর

বগুড়ার ধুনটে ভান্ডারবাড়ী ইউনিয়নের বানিয়াজান বন্যা নিয়ন্ত্রণ স্পারের আরও ১০ মিটার ধসে গেছে। যমুনা নদীতে প্রবল স্রোত ও ঘুর্ণাবর্তের কারণে সোমবার মধ্য রাতে স্পারের উত্তরপাশের সিসি ব্লক ধসে নদীতে বিলীন হয়ে যায়।

ভাঙনরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের লোকজন মঙ্গলবার সকাল থেকে বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ফেলছেন। এর আগে গত ৫ আগস্ট স্পারের ২০ মিটার অংশ ধসে যায়। ওই অংশ মেরামত শেষ না করতেই আবারও ধসের সৃষ্টি হলো।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

বগুড়া পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্র জানায়, যমুনা নদীর ভাঙন রোধে  ২০০৩ সালে ধুনট উপজেলার ভান্ডারবাড়ী ইউনিয়নের আটাচর থেকে সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার ঢেকুরিয়া পর্যন্ত প্রায় সাত কিলোমিটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও দুটি স্পার নির্মাণ করা হয়।

ধুনট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সঞ্জয় কুমার মহন্ত জানান, সোমবার রাত ১২টার দিকে হঠাৎ করেই বানিয়াজান স্পার ধসে যাওয়ার খবর পেয়ে  তিনি ঘটনাস্থলে ছুটে যান। পরিদর্শন শেষে রাতেই স্পারকিছুটা মেরামত করা হয়। এরপর মঙ্গলবার সকাল থেকে পাউবোর লোকজন ভাঙন ঠেকাতে সেখানে বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ফেলছেন।

তিনি বলেন, স্পারটি স্থায়ীভাবে মেরামত করতে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। তারা এ ব্যাপারে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

ভান্ডারবাড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আতিকুল করিম আপেল বলেন, বন্যা নিয়ন্ত্রণ স্পারটি রক্ষা করা না গেলে তার ইউনিয়নের প্রায় ১৫ গ্রাম নদীগর্ভে বিলীন হবে। তাই এলাকাবাসী দ্রুত স্পারটি স্থায়ী রক্ষণাবেক্ষণের দাবি জানিয়েছেন।

বগুড়া পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান বলেন, যমুনার পানির প্রবল স্রোত ও ঘুর্ণাবতের কারণে বানিয়াজান বন্যা নিয়ন্ত্রণ স্পারের আরও ১০ মিটার ধসে গেছে। খবর পেয়েই সেখানে ঠিকাদার পাঠানো হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা চলছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন