পায়ে ধরেও ছাত্রলীগের হামলা থেকে রক্ষা পেল না কলেজছাত্র
jugantor
পায়ে ধরেও ছাত্রলীগের হামলা থেকে রক্ষা পেল না কলেজছাত্র

  মাগুরা প্রতিনিধি  

১১ আগস্ট ২০২১, ২১:২১:০৩  |  অনলাইন সংস্করণ

মাগুরা সরকারি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজে অ্যাসাইনমেন্ট পেপার জমা দিতে গিয়ে ছাত্রলীগ কর্মীদের হামলার শিকার হয়েছে আল সাজিদ ভূঁইয়া নামে দ্বাদশ শ্রেণির এক ছাত্র। ছাত্রলীগ নেতার পা জড়িয়ে ধরেও হামলা থেকে রক্ষা পায়নি সে।

সাজিদ মাগুরা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ভূঁইয়ার বড়ভাই মোশারফ ভূঁইয়ার ছেলে। গুরুতর জখম অবস্থায় তাকে মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থীরা জানায়, দুপুরে সাজিদসহ মানবিক বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত অ্যাসাইনমেন্ট জমা দেওয়ার জন্য কলেজ ক্যাম্পাসে ২নং বিল্ডিংয়ের সামনে লাইনে দাঁড়িয়েছিল। এ সময় সিফাত নামে অপর এক শিক্ষার্থী জোর করে সাজিদের সামনে দাঁড়িয়ে পড়ে। সাজিদ তাকে বাধা দিলে উভয়ের মধ্যে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে।

পরে সাজিদ অ্যাসাইনমেন্ট পেপার জমা দিয়ে সেখান থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পথে জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আলিমুজ্জামান তারেক, বিরোধে জড়িয়ে পড়া শিক্ষার্থী সিফাতসহ বেশ কয়েকজন কলেজ ক্যাম্পাসে ঢুকে লোহার রড, হকিস্টিক, লাঠি এবং চাকু নিয়ে তার ওপর হামলা চালায়। পরে সেখানে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।

মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সাজিদ ভূঁইয়া জানায়, আমি হামলা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য তারেক ভাইয়ের পা জড়িয়ে ধরেছি। তারপরও আমাকে ছাড়েনি। বন্ধুরা যখন রিকশায় করে হাসপাতালে নিয়ে যায় তখনও রাস্তায় তারেক ভাই লোহার রড দিয়ে আমার গায়ে আঘাত করে।

এ বিষয়ে জেলা ছাত্রলীগ যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আলিমুজ্জামান তারেক বলেন, সিফাত ভালো ছাত্র। তাকে মারধর করার কারণেই সাজিদকে তারা মারপিট করেছে। কিন্তু এর সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই। আমি জেলা ছাত্রলীগের আগামী কমিটির নেতৃত্বে যাওয়ার চেষ্টা করছি- এটি জেনেই তারা আমার নাম জড়িয়েছে।

পায়ে ধরেও ছাত্রলীগের হামলা থেকে রক্ষা পেল না কলেজছাত্র

 মাগুরা প্রতিনিধি 
১১ আগস্ট ২০২১, ০৯:২১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মাগুরা সরকারি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজে অ্যাসাইনমেন্ট পেপার জমা দিতে গিয়ে ছাত্রলীগ কর্মীদের হামলার শিকার হয়েছে আল সাজিদ ভূঁইয়া নামে দ্বাদশ শ্রেণির এক ছাত্র। ছাত্রলীগ নেতার পা জড়িয়ে ধরেও হামলা থেকে রক্ষা পায়নি সে।

সাজিদ মাগুরা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ভূঁইয়ার বড়ভাই মোশারফ ভূঁইয়ার ছেলে। গুরুতর জখম অবস্থায় তাকে মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থীরা জানায়, দুপুরে সাজিদসহ মানবিক বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত অ্যাসাইনমেন্ট জমা দেওয়ার জন্য কলেজ ক্যাম্পাসে ২নং বিল্ডিংয়ের সামনে লাইনে দাঁড়িয়েছিল। এ সময় সিফাত নামে অপর এক শিক্ষার্থী জোর করে সাজিদের সামনে দাঁড়িয়ে পড়ে। সাজিদ তাকে বাধা দিলে উভয়ের মধ্যে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে।

পরে সাজিদ অ্যাসাইনমেন্ট পেপার জমা দিয়ে সেখান থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পথে জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আলিমুজ্জামান তারেক, বিরোধে জড়িয়ে পড়া শিক্ষার্থী সিফাতসহ বেশ কয়েকজন কলেজ ক্যাম্পাসে ঢুকে লোহার রড, হকিস্টিক, লাঠি এবং চাকু নিয়ে তার ওপর হামলা চালায়। পরে সেখানে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।

মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সাজিদ ভূঁইয়া জানায়, আমি হামলা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য তারেক ভাইয়ের পা জড়িয়ে ধরেছি। তারপরও আমাকে ছাড়েনি। বন্ধুরা যখন রিকশায় করে হাসপাতালে নিয়ে যায় তখনও রাস্তায় তারেক ভাই লোহার রড দিয়ে আমার গায়ে আঘাত করে।

এ বিষয়ে জেলা ছাত্রলীগ যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আলিমুজ্জামান তারেক বলেন, সিফাত ভালো ছাত্র। তাকে মারধর করার কারণেই সাজিদকে তারা মারপিট করেছে। কিন্তু এর সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই। আমি জেলা ছাত্রলীগের আগামী কমিটির নেতৃত্বে যাওয়ার চেষ্টা করছি- এটি জেনেই তারা আমার নাম জড়িয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন