দেশে ফিরেই এক ওড়নায় স্বামী-স্ত্রীর ঝুলন্ত লাশ
jugantor
দেশে ফিরেই এক ওড়নায় স্বামী-স্ত্রীর ঝুলন্ত লাশ

  রাঙ্গুনিয়ায় প্রতিনিধি  

১৪ আগস্ট ২০২১, ০১:০৭:২৮  |  অনলাইন সংস্করণ

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় এক ওড়নায় ফাঁসি দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন স্বামী-স্ত্রী। স্বামী ইসকান্দর ৩ দিন আগে দেশে ফিরেছেন।শুক্রবার রাতে উপজেলার লালানগর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড কুরমাইকুল এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- ওই এলাকার শাহ আলমের ছেলে মো. ইসকান্দর (২৪) ও তার স্ত্রী রুমা আক্তার (২২)।

নিহত ইসকান্দরের মা ফিরোজা বেগম বলেন, আমার ছেলে মাত্র তিনদিন আগে গত ১০ আগস্ট কাতার থেকে দেশে ফিরেছে। শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে আমি আমার নাতিকে নিয়ে উঠানে খেলছিলাম। পরে ঘরে এসে তাদের রুম বন্ধ দেখে ডাকাডাকি করি। কিন্তু তাদের কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে জানালা খুলে দেখি তারা দুজনেই ফাঁসিতে ঝুলে আছে। পরে এলাকার মানুষজন ডেকে দরজা ভেঙে তাদের ফাঁসি থেকে নামায়।

নিহত গৃহবধূর বাবা জামাল উদ্দিন বলেন, বিকাল ৩টার দিকেও আমার মেয়ের সঙ্গে মোবাইলে কথা হয়েছিল। মেয়েকে বেড়াতে আসতে বলেছিলাম। কিন্তু তারা পরে আসবে বলে জানায়। এরপর রাত হতেই শুনি এই ঘটনা।

তিনি অভিযোগ করে আরও বলেন, আমার মেয়েকে প্রায়শই তার দেবর আরিফ (২০) নানাভাবে কুপ্রস্তাব দিত। এই নিয়ে বিভিন্ন সময় তাকে সতর্ক করা হয়েছে। আমার ধারণা, তারা পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে এভাবে ঝুলিয়ে রেখেছে।

জানা যায়, গত দুই বছর আগে ইসকান্দরের সঙ্গে রুমা আক্তারের সামাজিকভাবে বিয়ে হয়। তাদের সংসারে ১৫ মাস বয়সী এক ছেলে সন্তানও রয়েছে। ইসকান্দর কাতার প্রবাসী ছিলেন। গত ১০ আগস্ট তিনি দেশে ফিরেছেন।

রাঙ্গুনিয়া থানার ওসি (তদন্ত) খান নুরুল ইসলাম বলেন, কি কারণে এমন ঘটনা ঘটেছে তা এখনো জানা যায়নি। আমরা এসে তাদের মুখে শুনেছি, দুজনেই এক ওড়নায় একই কক্ষে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেছে। শাশুড়ি এলাকাবাসীকে নিয়ে দরজা ভেঙে তাদের লাশ নামিয়েছে। আমরা ঘটনা তদন্ত করে দেখছি। তবে দুজনে আত্মহত্যা করেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

দেশে ফিরেই এক ওড়নায় স্বামী-স্ত্রীর ঝুলন্ত লাশ

 রাঙ্গুনিয়ায় প্রতিনিধি 
১৪ আগস্ট ২০২১, ০১:০৭ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় এক ওড়নায় ফাঁসি দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন স্বামী-স্ত্রী। স্বামী ইসকান্দর ৩ দিন আগে দেশে ফিরেছেন। শুক্রবার রাতে উপজেলার লালানগর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড কুরমাইকুল এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। 

নিহতরা হলেন- ওই এলাকার শাহ আলমের ছেলে মো. ইসকান্দর (২৪) ও তার স্ত্রী রুমা আক্তার (২২)।  

নিহত ইসকান্দরের মা ফিরোজা বেগম বলেন, আমার ছেলে মাত্র তিনদিন আগে গত ১০ আগস্ট কাতার থেকে দেশে ফিরেছে। শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে আমি আমার নাতিকে নিয়ে উঠানে খেলছিলাম। পরে ঘরে এসে তাদের রুম বন্ধ দেখে ডাকাডাকি করি। কিন্তু তাদের কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে জানালা খুলে দেখি তারা দুজনেই ফাঁসিতে ঝুলে আছে। পরে এলাকার মানুষজন ডেকে দরজা ভেঙে তাদের ফাঁসি থেকে নামায়।

নিহত গৃহবধূর বাবা জামাল উদ্দিন বলেন, বিকাল ৩টার দিকেও আমার মেয়ের সঙ্গে মোবাইলে কথা হয়েছিল। মেয়েকে বেড়াতে আসতে বলেছিলাম। কিন্তু তারা পরে আসবে বলে জানায়। এরপর রাত হতেই শুনি এই ঘটনা।

তিনি অভিযোগ করে আরও বলেন, আমার মেয়েকে প্রায়শই তার দেবর আরিফ (২০) নানাভাবে কুপ্রস্তাব দিত। এই নিয়ে বিভিন্ন সময় তাকে সতর্ক করা হয়েছে। আমার ধারণা, তারা পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে এভাবে ঝুলিয়ে রেখেছে। 

জানা যায়, গত দুই বছর আগে ইসকান্দরের সঙ্গে রুমা আক্তারের সামাজিকভাবে বিয়ে হয়। তাদের সংসারে ১৫ মাস বয়সী এক ছেলে সন্তানও রয়েছে। ইসকান্দর কাতার প্রবাসী ছিলেন। গত ১০ আগস্ট তিনি দেশে ফিরেছেন।

রাঙ্গুনিয়া থানার ওসি (তদন্ত) খান নুরুল ইসলাম বলেন, কি কারণে এমন ঘটনা ঘটেছে তা এখনো জানা যায়নি। আমরা এসে তাদের মুখে শুনেছি, দুজনেই এক ওড়নায় একই কক্ষে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেছে। শাশুড়ি এলাকাবাসীকে নিয়ে দরজা ভেঙে তাদের লাশ নামিয়েছে। আমরা ঘটনা তদন্ত করে দেখছি। তবে দুজনে আত্মহত্যা করেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন