বগুড়ায় হাড় কাঁপানো শীতে বিপর্যস্ত জনজীবন
jugantor
বগুড়ায় হাড় কাঁপানো শীতে বিপর্যস্ত জনজীবন

  বগুড়া ব্যুরো  

০৮ জানুয়ারি ২০১৮, ১৯:১৭:৫৬  |  অনলাইন সংস্করণ

শীত বগুড়া
ফাইল ছবি

বগুড়ায় সোমবার মৌসুমের সর্বনিম্ন ৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। হাড় কাঁপানো শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

দুপুরে সামান্য সময়ের জন্য কুয়াশা ভেদ করে সূর্য উঁকি দিলে মানুষের মাঝে কিছুটা স্বস্তি দেখা দেয়।

বগুড়া আবহাওয়া অফিসের টেলিপ্রিন্টার অপারেটর শাফিউল কাফী জানান, সোমবার সকালে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। বিকাল ৩টায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ১৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

চলমান মৃদু শৈত্যপ্রবাহ কবে শেষ হবে- সে সম্পর্কে তিনি কোনো মন্তব্য করতে পারেননি।

রোববার সকালে সর্বনিম্ন ৮ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।

এবার মৌসুমের শুরুতে তেমন শীত অনুভূত না হলেও মৃদু শৈত্যপ্রবাহের কারণে গত কয়েক দিন ধরে শীত বাড়ছে।

শীতে ছিন্নমূল মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। পাশাপাশি কুয়াশা পড়ায় রাতে ও সকালে সড়ক-মহাসড়কের যানবাহনগুলো লাইট জ্বালিয়ে ধীরগতিতে চলাচল করছে।

এদিকে তীব্র শীতের কারণে স্টেশন, ফুটপাত ও বিভিন্ন খোলা স্থানে আশ্রয় নেয়া ছিন্নমূল মানুষের দুর্ভোগ বেড়েই চলেছে।

রোটারি ক্লাবসহ বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা শীতার্তদের মাঝে কম্বলসহ বিভিন্ন শীতবস্ত্র বিতরণ করেছে।

এ ছাড়া শহরে সাতমাথায় ফুটপাত ও হকার্সসহ বিভিন্ন মার্কেটে শীতবস্ত্র বিক্রির হিড়িক পড়েছে।

বগুড়ায় হাড় কাঁপানো শীতে বিপর্যস্ত জনজীবন

 বগুড়া ব্যুরো 
০৮ জানুয়ারি ২০১৮, ০৭:১৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
শীত বগুড়া
ফাইল ছবি

বগুড়ায় সোমবার মৌসুমের সর্বনিম্ন ৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। হাড় কাঁপানো শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

দুপুরে সামান্য সময়ের জন্য কুয়াশা ভেদ করে সূর্য উঁকি দিলে মানুষের মাঝে কিছুটা স্বস্তি দেখা দেয়।

বগুড়া আবহাওয়া অফিসের টেলিপ্রিন্টার অপারেটর শাফিউল কাফী জানান, সোমবার সকালে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। বিকাল ৩টায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ১৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

চলমান মৃদু শৈত্যপ্রবাহ কবে শেষ হবে- সে সম্পর্কে তিনি কোনো মন্তব্য করতে পারেননি।

রোববার সকালে সর্বনিম্ন ৮ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।

এবার মৌসুমের শুরুতে তেমন শীত অনুভূত না হলেও মৃদু শৈত্যপ্রবাহের কারণে গত কয়েক দিন ধরে শীত বাড়ছে।

শীতে ছিন্নমূল মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। পাশাপাশি কুয়াশা পড়ায় রাতে ও সকালে সড়ক-মহাসড়কের যানবাহনগুলো লাইট জ্বালিয়ে ধীরগতিতে চলাচল করছে।

এদিকে তীব্র শীতের কারণে স্টেশন, ফুটপাত ও বিভিন্ন খোলা স্থানে আশ্রয় নেয়া ছিন্নমূল মানুষের দুর্ভোগ বেড়েই চলেছে।

রোটারি ক্লাবসহ বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা শীতার্তদের মাঝে কম্বলসহ বিভিন্ন শীতবস্ত্র বিতরণ করেছে।

এ ছাড়া শহরে সাতমাথায় ফুটপাত ও হকার্সসহ বিভিন্ন মার্কেটে শীতবস্ত্র বিক্রির হিড়িক পড়েছে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন