চলন্ত ট্রেনে ছোড়া পাথরে নষ্ট হলো শিশুর চোখ
jugantor
চলন্ত ট্রেনে ছোড়া পাথরে নষ্ট হলো শিশুর চোখ

  সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি  

১৬ আগস্ট ২০২১, ২২:০৪:০০  |  অনলাইন সংস্করণ

নীলফামারীর সৈয়দপুরে চলন্ত ট্রেনে পাথর ছুড়ে মারায় আজমির ইসলাম (৫) নামে এক শিশুর এক চোখ নষ্ট হয়ে গেছে। রোববার রাতে নীলফামারীর সৈয়দপুর রেলস্টেশনের হোম সিগনালের কাছে এ ঘটনা ঘটে।

শিশুটি বর্তমানে রাজধানীর ইসলামিয়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তার ডান চোখ নষ্ট হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।

আজমির ডোমার উপজেলার আমবাড়ি গ্রামের মাছের হ্যাচারি ব্যবসায়ী মারুফ ইসলামের ছোট ছেলে। তিনি সন্তানদের লেখাপড়ার জন্য পরিবার নিয়ে সৈয়দপুর শহরের পুরাতন মুন্সীপাড়ায় বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতেন। ঘটনার দিন গ্রামের বাড়ি থেকে খুলনাগামী আন্ত:নগর ট্রেন সীমান্ত এক্সপ্রেসে সৈয়দপুরে আসছিলেন।

আজমিরের বাবা মারুফ ইসলাম বলেন, ট্রেনে জানালার পাশে বসে ছিল আজমির। হঠাৎ করে একটি ছোড়া পাথর তার ডান চোখে আঘাত করে। তার চোখ ফেটে রক্ত ঝরতে থাকে। এ অবস্থায় সৈয়দপুর স্টেশনে নেমে রেলওয়ে পুলিশের এএসআই প্রভাষ কুমারের সহায়তায় দ্রুত সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে নিয়ে যাই।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্মকর্তা ডা. মো. রবিউল ইসলাম দ্রুত শিশুটিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। ওই হাসপাতালের চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. রাশেদুল ইসলাম মাওলার শরণাপন্ন হলে তিনি উন্নতি চিকিৎসার জন্য ঢাকা পাঠিয়ে দেন।

চলন্ত ট্রেনে ছোড়া পাথরে নষ্ট হলো শিশুর চোখ

 সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি 
১৬ আগস্ট ২০২১, ১০:০৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নীলফামারীর সৈয়দপুরে চলন্ত ট্রেনে পাথর ছুড়ে মারায় আজমির ইসলাম (৫) নামে এক শিশুর এক চোখ নষ্ট হয়ে গেছে। রোববার রাতে নীলফামারীর সৈয়দপুর রেলস্টেশনের হোম সিগনালের কাছে এ ঘটনা ঘটে।

শিশুটি বর্তমানে রাজধানীর ইসলামিয়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তার ডান চোখ নষ্ট হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।

আজমির ডোমার উপজেলার আমবাড়ি গ্রামের মাছের হ্যাচারি ব্যবসায়ী মারুফ ইসলামের ছোট ছেলে। তিনি সন্তানদের লেখাপড়ার জন্য পরিবার নিয়ে সৈয়দপুর শহরের পুরাতন মুন্সীপাড়ায় বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতেন। ঘটনার দিন গ্রামের বাড়ি থেকে খুলনাগামী আন্ত:নগর ট্রেন সীমান্ত এক্সপ্রেসে সৈয়দপুরে আসছিলেন।

আজমিরের বাবা মারুফ ইসলাম বলেন, ট্রেনে জানালার পাশে বসে ছিল আজমির। হঠাৎ করে একটি ছোড়া পাথর তার ডান চোখে আঘাত করে। তার চোখ ফেটে রক্ত ঝরতে থাকে। এ অবস্থায় সৈয়দপুর স্টেশনে নেমে রেলওয়ে পুলিশের এএসআই প্রভাষ কুমারের সহায়তায় দ্রুত সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে নিয়ে যাই।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্মকর্তা ডা. মো. রবিউল ইসলাম দ্রুত শিশুটিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। ওই হাসপাতালের চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. রাশেদুল ইসলাম মাওলার শরণাপন্ন হলে তিনি উন্নতি চিকিৎসার জন্য ঢাকা পাঠিয়ে দেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন