কেশবপুরের মেয়রের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি মামলা
jugantor
কেশবপুরের মেয়রের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি মামলা

  যশোর ব্যুরো  

১৭ আগস্ট ২০২১, ২২:৪৪:২৮  |  অনলাইন সংস্করণ

যশোরের কেশবপুর পৌরসভার মেয়র রফিকুল ইসলামসহ তিনজনের নামে চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা হয়েছে।

মঙ্গলবার কেশবপুরের ব্রহ্মকাটি গ্রামের খন্দকার রফিকুজ্জামানের ছেলে মিশাল ক্যাবল নেটওয়ার্ক অ্যান্ড এন্টারপ্রাইজের মালিক খন্দকার মফিদুল ইসলাম যশোরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (কেশবপুর আমলি) আদালতে এ মামলা করেছেন।

সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট গৌতম মল্লিক মামলাটি গ্রহণ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাদীর আইনজীবী রুহিন বালুজ।

আসামিরা হলেন- কেশবপুর উপজেলার ভোগতি নন্দ্রেপুর গ্রামের মৃত শামসুদ্দিন মোড়লের ছেলে পৌরসভার মেয়র রফিকুল ইসলাম, বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের মৃত নুর আলী খাঁর ছেলে মফিজুর রহমান খাঁ ও কান্তা বাড়ইহাটি গ্রামের আবুবকর সিদ্দিকের ছেলে আলমগীর সিদ্দিক।

বাদীর অভিযোগ, মিশাল ক্যাবল নেটওয়ার্ক অ্যান্ড এন্টারপ্রাইজের মালিক খন্দকার মফিদুল ইসলাম ১২ বছর ধরে উপজেলার ব্রহ্মকাটি, বালিয়াডাঙ্গা, ও রামচন্দ্রপুরসহ বেশ কয়েকটি গ্রামে সুনামের সঙ্গে ডিশ (ক্যাবল) ব্যবসা করে আসছেন। চলতি বছরের শুরুর দিকে পৌরসভার মেয়র অপর দুই আসামিকে পাঠিয়ে মোটা অংকের চাঁদা দাবি করেন। মাসে মাসে চাঁদার টাকা না দিলে ভয়ভীতি দেখাত।

শান্তিতে ব্যবসা করার লক্ষ্যে তিনি মফিজুর ও আলমগীরকে এক লাখ টাকা চাঁদা দেন। কিছুদিন পর আলমগীর এক লাখ টাকা নিয়ে মেয়রের সঙ্গে তাকে দেখা করতে বলেন। চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকার করায় গত ১৫ জুন মফিদুলকে পুরাতন বাসস্ট্যান্ডে একা পেয়ে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করে নেন।

৩০ জুলাই আসামিরা লোকজন নিয়ে তার ডিশ ব্যবসার অফিসে গিয়ে তাকে মারপিট করে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদার টাকা না দিলে খুন জখম করবে বলে হুমকি দেন। এর মধ্যে লোকজন এগিয়ে গেলে আসামিরা চলে যান।

এ ব্যাপারে থানায় অভিযোগ দিলে পুলিশ আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেয়। এজন্য তিনি আদালতে এ মামলা করেছেন।

কেশবপুরের মেয়রের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি মামলা

 যশোর ব্যুরো 
১৭ আগস্ট ২০২১, ১০:৪৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

যশোরের কেশবপুর পৌরসভার মেয়র রফিকুল ইসলামসহ তিনজনের নামে চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা হয়েছে।

মঙ্গলবার কেশবপুরের ব্রহ্মকাটি গ্রামের খন্দকার রফিকুজ্জামানের ছেলে মিশাল ক্যাবল নেটওয়ার্ক অ্যান্ড এন্টারপ্রাইজের মালিক খন্দকার মফিদুল ইসলাম যশোরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (কেশবপুর আমলি) আদালতে এ মামলা করেছেন।

সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট গৌতম মল্লিক মামলাটি গ্রহণ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাদীর আইনজীবী রুহিন বালুজ।

আসামিরা হলেন- কেশবপুর উপজেলার ভোগতি নন্দ্রেপুর গ্রামের মৃত শামসুদ্দিন মোড়লের ছেলে পৌরসভার মেয়র রফিকুল ইসলাম, বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের মৃত নুর আলী খাঁর ছেলে মফিজুর রহমান খাঁ ও কান্তা বাড়ইহাটি গ্রামের আবুবকর সিদ্দিকের ছেলে আলমগীর সিদ্দিক।

বাদীর অভিযোগ, মিশাল ক্যাবল নেটওয়ার্ক অ্যান্ড এন্টারপ্রাইজের মালিক খন্দকার মফিদুল ইসলাম ১২ বছর ধরে উপজেলার ব্রহ্মকাটি, বালিয়াডাঙ্গা, ও রামচন্দ্রপুরসহ বেশ কয়েকটি গ্রামে সুনামের সঙ্গে ডিশ (ক্যাবল) ব্যবসা করে আসছেন। চলতি বছরের শুরুর দিকে পৌরসভার মেয়র অপর দুই আসামিকে পাঠিয়ে মোটা অংকের চাঁদা দাবি করেন। মাসে মাসে চাঁদার টাকা না দিলে ভয়ভীতি দেখাত।

শান্তিতে ব্যবসা করার লক্ষ্যে তিনি মফিজুর ও আলমগীরকে এক লাখ টাকা চাঁদা দেন। কিছুদিন পর আলমগীর এক লাখ টাকা নিয়ে মেয়রের সঙ্গে তাকে দেখা করতে বলেন। চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকার করায় গত ১৫ জুন মফিদুলকে পুরাতন বাসস্ট্যান্ডে একা পেয়ে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করে নেন।

৩০ জুলাই আসামিরা লোকজন নিয়ে তার ডিশ ব্যবসার অফিসে গিয়ে তাকে মারপিট করে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদার টাকা না দিলে খুন জখম করবে বলে হুমকি দেন। এর মধ্যে লোকজন এগিয়ে গেলে আসামিরা চলে যান।

এ ব্যাপারে থানায় অভিযোগ দিলে পুলিশ আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেয়। এজন্য তিনি আদালতে এ মামলা করেছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন