অসহায়-পথশিশুদের সঙ্গে স্কুলছাত্রী শর্মির জন্মদিন
jugantor
অসহায়-পথশিশুদের সঙ্গে স্কুলছাত্রী শর্মির জন্মদিন

  ফরিদপুর ব্যুরো  

১৮ আগস্ট ২০২১, ২৩:৫৪:২৫  |  অনলাইন সংস্করণ

নিজের জন্মদিনে জাঁকজমক করে কেক কেটে আনন্দ-ফুর্তি না করে সেই টাকা দিয়ে অসহায় মানুষের মুখে খাবার তুলে দিলেন ফরিদপুর শহরের কমলাপুর এলাকার স্কুলছাত্রী শর্মি।

ফরিদপুর পুলিশ লাইনস হাইস্কুলের এবারের এসএসসি পরিক্ষার্থী শর্মির ১৬তম জন্মদিন ছিল বুধবার। গত বছরের জন্মদিন থেকে সে এই খাদ্য বিতরণ শুরু করে।

বুধবার দুপুরে ফরিদপুর শহরের স্টেশন রোড, চৌরঙ্গী মোড়, চকবাজার ও আলীপুর এলাকায় পথশিশু, দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মাঝে রান্না করা খাবার বিতরণ করেছে শর্মি নিজ হাতেই।

এ ব্যাপারে স্কুলছাত্রী শর্মি জানায়, দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মুখে খাবার তুলে দিয়ে তাদের মুখে হাসি দেখে আমি যতটা আনন্দ পাই, কেক কেটে বন্ধু বান্ধবীদের নিয়ে হৈ-চৈ করে সেই আনন্দ পাই না। তাই সিদ্ধান্ত নিয়েছি যতদিন বেঁচে থাকব জন্মদিনে দরিদ্র মানুষদের সঙ্গেই কাটাব।

তার মা রিবা আক্তার ও বাবা সাগর জানান, আমাদের একমাত্র সন্তান শর্মির জন্মদিন বরাবরই কেক কেটে আনন্দ উল্লাসের মধ্যে দিয়ে পালন করে থাকি, এটা তার পছন্দ নয়। সে গত দুই বছর আগে সাফ জানিয়ে দিয়েছে- জীবনে যতদিন বেঁচে থাকব জন্মদিনে আর কেক কাটা নয়, দরিদ্র, অসহায় ও পথশিশুদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে চাই, তাদের মুখে খাবার তুলে দিতে চাই।

অসহায়-পথশিশুদের সঙ্গে স্কুলছাত্রী শর্মির জন্মদিন

 ফরিদপুর ব্যুরো 
১৮ আগস্ট ২০২১, ১১:৫৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নিজের জন্মদিনে জাঁকজমক করে কেক কেটে আনন্দ-ফুর্তি না করে সেই টাকা দিয়ে অসহায় মানুষের মুখে খাবার তুলে দিলেন ফরিদপুর শহরের কমলাপুর এলাকার স্কুলছাত্রী শর্মি।

ফরিদপুর পুলিশ লাইনস হাইস্কুলের এবারের এসএসসি পরিক্ষার্থী শর্মির ১৬তম জন্মদিন ছিল বুধবার। গত বছরের জন্মদিন থেকে সে এই খাদ্য বিতরণ শুরু করে।

বুধবার দুপুরে ফরিদপুর শহরের স্টেশন রোড, চৌরঙ্গী মোড়, চকবাজার ও আলীপুর এলাকায় পথশিশু, দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মাঝে রান্না করা খাবার বিতরণ করেছে শর্মি নিজ হাতেই।

এ ব্যাপারে স্কুলছাত্রী শর্মি জানায়, দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মুখে খাবার তুলে দিয়ে তাদের মুখে হাসি দেখে আমি যতটা আনন্দ পাই, কেক কেটে বন্ধু বান্ধবীদের নিয়ে হৈ-চৈ করে সেই আনন্দ পাই না। তাই সিদ্ধান্ত নিয়েছি যতদিন বেঁচে থাকব জন্মদিনে দরিদ্র মানুষদের সঙ্গেই কাটাব।

তার মা রিবা আক্তার ও বাবা সাগর জানান, আমাদের একমাত্র সন্তান শর্মির জন্মদিন বরাবরই কেক কেটে আনন্দ উল্লাসের মধ্যে দিয়ে পালন করে থাকি, এটা তার পছন্দ নয়। সে গত দুই বছর আগে সাফ জানিয়ে দিয়েছে- জীবনে যতদিন বেঁচে থাকব জন্মদিনে আর কেক কাটা নয়, দরিদ্র, অসহায় ও পথশিশুদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে চাই, তাদের মুখে খাবার তুলে দিতে চাই।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন