ফরিদপুরে পদ্মার পানি বিপৎসীমার উপরে, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত
jugantor
ফরিদপুরে পদ্মার পানি বিপৎসীমার উপরে, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

  ফরিদপুর ব্যুরো  

১৯ আগস্ট ২০২১, ০০:৪৭:৪৭  |  অনলাইন সংস্করণ

ফরিদপুরে পদ্মার পানি বিপৎসীমার উপরে

ফরিদপুরে পদ্মা নদীর পানি বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় পদ্মার পানি ১৫ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে (গোয়ালন্দ পয়েন্টে) ৮ দশমিক ৮০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এতে ফরিদপুরের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে ৯টি গ্রামের প্রায় এক হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। এছাড়া জেলার বেশ কয়েকটি স্থানে নদীর তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে।

পানিবন্দি গ্রামগুলো হলো- ফরিদপুর সদরের কাইমুদ্দিন মাতুব্বরের ডাঙ্গী, বরান বিশ্বাসের ডাঙ্গী, বাসের মোল্লার ডাঙ্গী, শুকুর আলী মাতুব্বরের ডাঙ্গী, আয়জদ্দিন মাতুব্বরের ডাঙ্গী, চর বালুধুম, বাঘের টিলা, লালার গ্রাম ও নর্থ চ্যানেল।

স্থানীয়রা জানান, সপ্তাহখানেক হলো চরাঞ্চলে পদ্মার পানি বেড়েছে। পানি বৃদ্ধির ফলে বাড়ির আশপাশে তলিয়ে গেছে। মাঠের বিভিন্ন ফসল তলিয়ে যাচ্ছে।

ডিগ্রিরচর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান মিন্টু ফকির বলেন, আমার ইউনিয়নের বেশিরভাগই চরাঞ্চল। স্বাভাবিকভাবেই পানি বাড়ায় চরের মাঠ-ঘাট তলিয়ে গেছে এবং আউশ ধানসহ বিভিন্ন ফসলের ক্ষেত পানিতে ডুবে গেছে।

ফরিদপুর সদরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাসুম রেজা জানান, এখনো বন্যা পরিস্থিতি খুব বেশি অবনতি হয়নি। পানিবন্দি এলাকাগুলোতে সচেতনতায় মাইকিং করাসহ তাদের শুকনো খাবার ও আশ্রয়ের জন্য সবধরনের প্রস্তুতি আছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ব্যবস্থা রয়েছে।

ফরিদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুলতান মাহমুদ জানান, নদ-নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে কয়েকটি স্থানে নদীর ভাঙন বেড়েছে। ভাঙন ঠেকাতে আমরা চেষ্টা করছি বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলে প্রাথমিক প্রটেকশনের জন্য।

ফরিদপুরে পদ্মার পানি বিপৎসীমার উপরে, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

 ফরিদপুর ব্যুরো 
১৯ আগস্ট ২০২১, ১২:৪৭ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ফরিদপুরে পদ্মার পানি বিপৎসীমার উপরে
ফাইল ছবি

ফরিদপুরে পদ্মা নদীর পানি বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় পদ্মার পানি ১৫ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে (গোয়ালন্দ পয়েন্টে) ৮ দশমিক ৮০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এতে ফরিদপুরের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে ৯টি গ্রামের প্রায় এক হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। এছাড়া জেলার বেশ কয়েকটি স্থানে নদীর তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে।

পানিবন্দি গ্রামগুলো হলো- ফরিদপুর সদরের কাইমুদ্দিন মাতুব্বরের ডাঙ্গী, বরান বিশ্বাসের ডাঙ্গী, বাসের মোল্লার ডাঙ্গী, শুকুর আলী মাতুব্বরের ডাঙ্গী, আয়জদ্দিন মাতুব্বরের ডাঙ্গী, চর বালুধুম, বাঘের টিলা, লালার গ্রাম ও নর্থ চ্যানেল।

স্থানীয়রা জানান, সপ্তাহখানেক হলো চরাঞ্চলে পদ্মার পানি বেড়েছে। পানি বৃদ্ধির ফলে বাড়ির আশপাশে তলিয়ে গেছে। মাঠের বিভিন্ন ফসল তলিয়ে যাচ্ছে।

ডিগ্রিরচর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান মিন্টু ফকির বলেন, আমার ইউনিয়নের বেশিরভাগই চরাঞ্চল। স্বাভাবিকভাবেই পানি বাড়ায় চরের মাঠ-ঘাট তলিয়ে গেছে এবং আউশ ধানসহ বিভিন্ন ফসলের ক্ষেত পানিতে ডুবে গেছে।

ফরিদপুর সদরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাসুম রেজা জানান, এখনো বন্যা পরিস্থিতি খুব বেশি অবনতি হয়নি। পানিবন্দি এলাকাগুলোতে সচেতনতায় মাইকিং করাসহ তাদের শুকনো খাবার ও আশ্রয়ের জন্য সবধরনের প্রস্তুতি আছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ব্যবস্থা রয়েছে।

ফরিদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুলতান মাহমুদ জানান, নদ-নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে কয়েকটি স্থানে নদীর ভাঙন বেড়েছে। ভাঙন ঠেকাতে আমরা চেষ্টা করছি বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলে প্রাথমিক প্রটেকশনের জন্য।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন