বিক্রি হওয়া সেই কিশোরী ঢাকায় উদ্ধার, আটক ২
jugantor
বিক্রি হওয়া সেই কিশোরী ঢাকায় উদ্ধার, আটক ২

  বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি  

১৯ আগস্ট ২০২১, ১৫:১৯:০২  |  অনলাইন সংস্করণ

কিশোরী উদ্ধার

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট থেকে বিক্রি হওয়ার ২৪ ঘণ্টা পর ঢাকার আশুলিয়া থেকে এক কিশোরীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় সংঘবদ্ধ অপহরণকারী দলের এক নারী সদস্যসহ দুজনকে আটক করা হয়েছে।

এদিকে স্বল্পসময়ে মেয়েটিকে উদ্ধার করায় পরিবারের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে; অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।

বুধবার রাতে ঘোড়াঘাট থানার উপপরিদর্শক জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে ঢাকার আশুলিয়া থেকে তাদের আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।

আটককৃতরা হলো— রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার দেওয়ানপাড়া গ্রামের শাহিন ফকিরের মেয়ে রোখসানা আক্তার (২০) ও দিনাজপুর জেলার ঘোড়াঘাট উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের মৃত আব্দুল হামিদের ছেলে আল আমিন (২৬)।

বিক্রি হওয়া কিশোরীর চাচা সোনা মিয়া জানান, মামাবাড়িতে যাওয়ার সুবাদে আমার ভাতিজির সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলে রোখসানা আক্তার। সে আমার ভাতিজিকে ফুসলিয়ে পাচার করার জন্য ঢাকায় নিয়ে যায়। আমরা পরে বিষয়টি জানতে পেরে ঘোড়াঘাট থানায় অভিযোগ করি।

অভিযোগ করার ফলে বুধবার রাতে ঢাকার আশুলিয়া থেকে ভাতিজিকে উদ্ধার করে পুলিশ।

হাকিমপুর-ঘোড়াঘাট সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার শরিফ আল রাজিব জানান, গত ১৬ আগস্ট সোহাগীর চাচা ঘোড়াঘাট থানায় এসে ভাতিজিকে পাচার করা হয়েছে এ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ করলে পুলিশের একটি টিম তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ঢাকার আশুলিয়া নামক এলাকা থেকে মেয়েটিকে উদ্ধার করে।

এ সময় অপহরণকারী দলের দুজনকে আটক করা হয়। আটককৃতদের বিরুদ্ধে মানবপাচার আইনে মামলা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে তাদের দিনাজপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও জানান, আটক রোখসানা সংঘবদ্ধ মানব অপহরণকারী চক্রের দলের অন্যতম সদস্য। তার বিরুদ্ধে পূর্বেও মানবপাচার আইনে মামলা আছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য পেয়েছি, যা আমরা খতিয়ে দেখছি।

বিক্রি হওয়া সেই কিশোরী ঢাকায় উদ্ধার, আটক ২

 বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি 
১৯ আগস্ট ২০২১, ০৩:১৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
কিশোরী উদ্ধার
ছবি: যুগান্তর

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট থেকে বিক্রি হওয়ার ২৪ ঘণ্টা পর ঢাকার আশুলিয়া থেকে এক কিশোরীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় সংঘবদ্ধ অপহরণকারী দলের এক নারী সদস্যসহ দুজনকে আটক করা হয়েছে।

এদিকে স্বল্পসময়ে মেয়েটিকে উদ্ধার করায় পরিবারের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে; অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।

বুধবার রাতে ঘোড়াঘাট থানার উপপরিদর্শক জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে ঢাকার আশুলিয়া থেকে তাদের আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।

আটককৃতরা হলো— রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার দেওয়ানপাড়া গ্রামের শাহিন ফকিরের মেয়ে রোখসানা আক্তার (২০) ও দিনাজপুর জেলার ঘোড়াঘাট উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের মৃত আব্দুল হামিদের ছেলে আল আমিন (২৬)।

বিক্রি হওয়া কিশোরীর চাচা সোনা মিয়া জানান, মামাবাড়িতে যাওয়ার সুবাদে আমার ভাতিজির সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলে রোখসানা আক্তার। সে আমার ভাতিজিকে ফুসলিয়ে পাচার করার জন্য ঢাকায় নিয়ে যায়। আমরা পরে বিষয়টি জানতে পেরে ঘোড়াঘাট থানায় অভিযোগ করি।

অভিযোগ করার ফলে বুধবার রাতে ঢাকার আশুলিয়া থেকে ভাতিজিকে উদ্ধার করে পুলিশ।

হাকিমপুর-ঘোড়াঘাট সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার শরিফ আল রাজিব জানান, গত ১৬ আগস্ট সোহাগীর চাচা ঘোড়াঘাট থানায় এসে ভাতিজিকে পাচার করা হয়েছে এ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ করলে পুলিশের একটি টিম তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ঢাকার আশুলিয়া নামক এলাকা থেকে মেয়েটিকে উদ্ধার করে।

এ সময় অপহরণকারী দলের দুজনকে আটক করা হয়। আটককৃতদের বিরুদ্ধে মানবপাচার আইনে মামলা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে তাদের দিনাজপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও জানান, আটক রোখসানা সংঘবদ্ধ মানব অপহরণকারী চক্রের দলের অন্যতম সদস্য। তার বিরুদ্ধে পূর্বেও মানবপাচার আইনে মামলা আছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য পেয়েছি, যা আমরা খতিয়ে দেখছি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন