সড়কের পাশে হাত-পা বাঁধা সিএনজিচালকের লাশ
jugantor
সড়কের পাশে হাত-পা বাঁধা সিএনজিচালকের লাশ

  চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি   

২০ আগস্ট ২০২১, ১৫:০৮:৩৫  |  অনলাইন সংস্করণ

পাবনার চাটমোহরে সড়কের পাশ থেকে হাত-পা বাঁধা ইমন হোসেন (১৬) নামে সিএনজিচালকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে চাটমোহর-হান্ডিয়াল সড়কের ভাঙ্গা ব্রিজের পাশে থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়।

সে উপজেলার নিমাইচড়া ইউনিয়নের মাঝগ্রামের জাকির হোসেনের ছেলে ও সমাজ আশরাফ জিন্দানি উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্র। গত বুধবার থেকে সে নিখোঁজ ছিল।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে দীর্ঘদিন ধরে স্কুল বন্ধ থাকায় ইমন হোসেন নিজেদের সিএনজি অটোরিকশা চালিয়ে সংসারে হাল ধরেছিল। গত বুধবার রাত ১০টার দিকে সে হাটিকুমরুল সড়কের মান্নাননগর থেকে যাত্রী নিয়ে চাটমোহরের উদ্দেশে রওনা দেয়। এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না এবং মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়। ইমনের খোঁজে স্বজন এবং স্থানীয়রা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে স্যোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট দেন।

শুক্রবার সকালে চাটমোহর-হান্ডিয়াল সড়কের ভাঙ্গা ব্রিজ এলাকায় স্থানীয় এক ব্যক্তি দড়ি দিয়ে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় একটি লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (চাটমোহর সার্কেল) সজীব শাহরীন, ওসি মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেনসহ অন্যরা। এদিকে লাশ উদ্ধারের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে মরদেহটি ইমনের বলে শনাক্ত করেন পরিবারের সদস্যরা।

নিমাইচড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুজ্জমান খোকন যুগান্তরকে বলেন, ইমন নামের ওই ছেলেটি দশম শ্রেণীতে পড়ত। স্কুল বন্ধ থাকায় সে তার বাবার সিএনজি চালাতো। গত দু’দিন ধরে ইমন নিখোঁজ ছিল।

এ ব্যাপারে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার সজীব শাহরীন যুগান্তরকে বলেন, বুধবার রাতে মান্নানগর থেকে যাত্রী নিয়ে চাটমোহরের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিল ইমন। এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ ছিল না। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, সিএনজি অটোরিকশা ছিনিয়ে নিতেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা।

সড়কের পাশে হাত-পা বাঁধা সিএনজিচালকের লাশ

 চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি  
২০ আগস্ট ২০২১, ০৩:০৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

পাবনার চাটমোহরে সড়কের পাশ থেকে হাত-পা বাঁধা ইমন হোসেন (১৬) নামে সিএনজিচালকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে চাটমোহর-হান্ডিয়াল সড়কের ভাঙ্গা ব্রিজের পাশে থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়। 

সে উপজেলার নিমাইচড়া ইউনিয়নের মাঝগ্রামের জাকির হোসেনের ছেলে ও সমাজ আশরাফ জিন্দানি উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্র। গত বুধবার থেকে সে নিখোঁজ ছিল।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে দীর্ঘদিন ধরে স্কুল বন্ধ থাকায় ইমন হোসেন নিজেদের সিএনজি অটোরিকশা চালিয়ে সংসারে হাল ধরেছিল। গত বুধবার রাত ১০টার দিকে সে হাটিকুমরুল সড়কের মান্নাননগর থেকে যাত্রী নিয়ে চাটমোহরের উদ্দেশে রওনা দেয়। এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না এবং মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়। ইমনের খোঁজে স্বজন এবং স্থানীয়রা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে স্যোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট দেন।

শুক্রবার সকালে চাটমোহর-হান্ডিয়াল সড়কের ভাঙ্গা ব্রিজ এলাকায় স্থানীয় এক ব্যক্তি দড়ি দিয়ে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় একটি লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (চাটমোহর সার্কেল) সজীব শাহরীন, ওসি মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেনসহ অন্যরা। এদিকে লাশ উদ্ধারের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে মরদেহটি ইমনের বলে শনাক্ত করেন পরিবারের সদস্যরা।

নিমাইচড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুজ্জমান খোকন যুগান্তরকে বলেন, ইমন নামের ওই ছেলেটি দশম শ্রেণীতে পড়ত। স্কুল বন্ধ থাকায় সে তার বাবার সিএনজি চালাতো। গত দু’দিন ধরে ইমন নিখোঁজ ছিল। 

এ ব্যাপারে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার সজীব শাহরীন যুগান্তরকে বলেন, বুধবার রাতে মান্নানগর থেকে যাত্রী নিয়ে চাটমোহরের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিল ইমন। এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ ছিল না। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, সিএনজি অটোরিকশা ছিনিয়ে নিতেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন