কুমিল্লা ময়নামতিতে সেলুন থেকে যুবকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার
jugantor
কুমিল্লা ময়নামতিতে সেলুন থেকে যুবকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার

  বুড়িচং (কুমিল্লা) প্রতিনিধি  

২১ আগস্ট ২০২১, ১০:০৯:৫৬  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমল্লার বুড়িচংয়ে ময়নামতি এলাকায় বাইরে থেকে বন্ধ সেলুনের তালা খুলে এক যুবকের গলা ও পা কাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার রাত ৮টার দিকে ময়নামতি সেনা মিলনায়তন মার্কেটের লক্ষ্মণ হেয়ার কাটিং নামের সেলুন থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত যুবকের নাম দেলোয়ার হোসেন (২৮)। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার জাহের আলীর ছেলে। তিনি ময়নামতির আন্দিপাড়ায় পরিবার নিয়ে থাকতেন।

এদিকে ঘটনার পর থেকে সেলুনের মালিক লক্ষ্মণ পলাতক। তিনি সদরের আমতলী এলাকার মৃত নিখিল চন্দ্র শীলের ছেলে। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনও বন্ধ রয়েছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ভাঙারি ব্যবসায়ী দেলোয়ার বৃহস্পতিবার রাতে বাড়িতে ফিরতে দেরি হওয়ায় স্ত্রীকে কল দিয়ে জানান যে তিনি লক্ষ্মণের সেলুনে আছেন।

রাত ১টার দিকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। শুক্রবার সকালে কোথাও খুঁজে না পেয়ে কোতয়ালি মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়। পরে পরিবারের সন্দেহ হলে সেলুনের তালা ভেঙে বস্তার ভেতর দেলোয়ারের রক্তাক্ত মরদেহ পাওয়া যায়।

কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনওয়ারুল আজিম বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। খবর পেয়ে সিআইডি, পিবিআইসহ পুলিশের একাধিক টিম আলামত সংগ্রহ করছে।

কুমিল্লা ময়নামতিতে সেলুন থেকে যুবকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার

 বুড়িচং (কুমিল্লা) প্রতিনিধি 
২১ আগস্ট ২০২১, ১০:০৯ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমল্লার বুড়িচংয়ে ময়নামতি এলাকায় বাইরে থেকে বন্ধ সেলুনের তালা খুলে এক যুবকের গলা ও পা কাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।  

শুক্রবার রাত ৮টার দিকে ময়নামতি সেনা মিলনায়তন মার্কেটের লক্ষ্মণ হেয়ার কাটিং নামের সেলুন থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত যুবকের নাম দেলোয়ার হোসেন (২৮)। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার জাহের আলীর ছেলে। তিনি ময়নামতির আন্দিপাড়ায় পরিবার নিয়ে থাকতেন।

এদিকে ঘটনার পর থেকে সেলুনের মালিক লক্ষ্মণ পলাতক। তিনি সদরের আমতলী এলাকার মৃত নিখিল চন্দ্র শীলের ছেলে। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনও বন্ধ রয়েছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ভাঙারি ব্যবসায়ী দেলোয়ার বৃহস্পতিবার রাতে বাড়িতে ফিরতে দেরি হওয়ায় স্ত্রীকে কল দিয়ে জানান যে তিনি লক্ষ্মণের সেলুনে আছেন।

রাত ১টার দিকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। শুক্রবার সকালে কোথাও খুঁজে না পেয়ে কোতয়ালি মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়। পরে পরিবারের সন্দেহ হলে সেলুনের তালা ভেঙে বস্তার ভেতর দেলোয়ারের রক্তাক্ত মরদেহ পাওয়া যায়।  

কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনওয়ারুল আজিম বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। খবর পেয়ে সিআইডি, পিবিআইসহ পুলিশের একাধিক টিম আলামত সংগ্রহ করছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন