কাজে যেতে না দেওয়ায় বগুড়ায় গৃহবধূর আত্মহত্যা
jugantor
কাজে যেতে না দেওয়ায় বগুড়ায় গৃহবধূর আত্মহত্যা

  বগুড়া ব্যুরো  

২১ আগস্ট ২০২১, ১৪:১৫:১৪  |  অনলাইন সংস্করণ

আত্মহত্যা

বগুড়ার আদমদীঘিত উপজেলায় অভাবের সংসারে সহযোগিতার জন্য কাজে যেতে না দেওয়ায় স্বামীর ওপর অভিমান করে গলায় ফাঁস দিয়ে শাহনাজ বেগম (২৫) নামে এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন।

শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার সান্তাহারের লোকো পশ্চিম কলোনিতে এ ঘটনা ঘটে।

শাহনাজ বেগম সান্তাহারের লোকো পশ্চিম কলোনির অটোরিকশাচালক মুক্তার হোসেনের স্ত্রী।

আদমদীঘি থানার ওসি জালাল উদ্দিন জানান, মরদেহ উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও স্বজনরা জানান, মুক্তার হোসেন অটো চালিয়ে সংসারের সচ্ছালতা আনতে পারেননি। তাই স্ত্রী শাহনাজ বেগম পরিবারের হাল ধরার চেষ্টা করেন। কয়েকদিন আগে তিনি স্থানীয় একটি মশারির কারখানায় কাজ নেন। তবে স্ত্রীর বাড়ির বাইরে কাজ করতে যাওয়া পছন্দ করেননি মুক্তার হোসেন।

এরপরও শাহনাজ কাজ চালিয়ে আসছিলেন। স্বামীর চাপের মুখে তিনি গত কয়েকদিন আগে কাজ ছাড়তে বাধ্য হন। শুক্রবার বিকালে তিনি মোবাইল ফোনে চাকরি ছাড়ার বিষয়টি তার মাকে জানান। তার মা স্বামীর নিষেধ না শুনে কাজে যাওয়ার পরামর্শ দেন। নিষেধ অমান্য করে আবারো কাজে যেতে চাইলে স্বামীর সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা হয়।

এতে অভিমান করে সন্ধ্যার দিকে ঘরে ঢুকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন ওই গৃহবধূ। তার ১০ বছর বয়সী মেয়ে আরোবী টের পেয়ে বাবাকে খবর দেন।

আদমদীঘি থানার ওসি জালাল উদ্দিন জানান, কাজে যেতে নিষেধ করা নিয়ে স্বামীর সঙ্গে ঝগড়ার পর গৃহবধূ শাহনাজ গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। মরদেহ উদ্ধার করে বগুড়া শজিমেক হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় অস্বাভাবিক মৃত্যু মামলা হয়েছে।

কাজে যেতে না দেওয়ায় বগুড়ায় গৃহবধূর আত্মহত্যা

 বগুড়া ব্যুরো 
২১ আগস্ট ২০২১, ০২:১৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
আত্মহত্যা
ফাইল ছবি

বগুড়ার আদমদীঘিত উপজেলায় অভাবের সংসারে সহযোগিতার জন্য কাজে যেতে না দেওয়ায় স্বামীর ওপর অভিমান করে গলায় ফাঁস দিয়ে শাহনাজ বেগম (২৫) নামে এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন।

শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার সান্তাহারের লোকো পশ্চিম কলোনিতে এ ঘটনা ঘটে।

শাহনাজ বেগম সান্তাহারের লোকো পশ্চিম কলোনির অটোরিকশাচালক মুক্তার হোসেনের স্ত্রী।

আদমদীঘি থানার ওসি জালাল উদ্দিন জানান, মরদেহ উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও স্বজনরা জানান, মুক্তার হোসেন অটো চালিয়ে সংসারের সচ্ছালতা আনতে পারেননি। তাই স্ত্রী শাহনাজ বেগম পরিবারের হাল ধরার চেষ্টা করেন। কয়েকদিন আগে তিনি স্থানীয় একটি মশারির কারখানায় কাজ নেন। তবে স্ত্রীর বাড়ির বাইরে কাজ করতে যাওয়া পছন্দ করেননি মুক্তার হোসেন।

এরপরও শাহনাজ কাজ চালিয়ে আসছিলেন। স্বামীর চাপের মুখে তিনি গত কয়েকদিন আগে কাজ ছাড়তে বাধ্য হন। শুক্রবার বিকালে তিনি মোবাইল ফোনে চাকরি ছাড়ার বিষয়টি তার মাকে জানান। তার মা স্বামীর নিষেধ না শুনে কাজে যাওয়ার পরামর্শ দেন। নিষেধ অমান্য করে আবারো কাজে যেতে চাইলে স্বামীর সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা হয়।

এতে অভিমান করে সন্ধ্যার দিকে ঘরে ঢুকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন ওই গৃহবধূ। তার ১০ বছর বয়সী মেয়ে আরোবী টের পেয়ে বাবাকে খবর দেন।

আদমদীঘি থানার ওসি জালাল উদ্দিন জানান, কাজে যেতে নিষেধ করা নিয়ে স্বামীর সঙ্গে ঝগড়ার পর গৃহবধূ শাহনাজ গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। মরদেহ উদ্ধার করে বগুড়া শজিমেক হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় অস্বাভাবিক মৃত্যু মামলা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন