বাল্ব চুরির অভিযোগে মারধর, ৯ দিন পর মৃত্যু
jugantor
বাল্ব চুরির অভিযোগে মারধর, ৯ দিন পর মৃত্যু

  মুরাদনগর (কুমিল্লা) প্রতিনিধি  

২২ আগস্ট ২০২১, ১৯:৩২:৫৬  |  অনলাইন সংস্করণ

নিহত রিকশাচালক ইব্রাহিম খলিল

কুমিল্লার মুরাদনগরে বৈদ্যুতিক বাল্ব চুরির অভিযোগে এক রিকশাচালককে মারধর করা হয়। ঘটনার ৯ দিন পর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা গেছেন।

নিহত রিকশাচালক ইব্রাহিম খলিল (৩৫)। তিনি ধামঘর গ্রামের আবু তাহেরের ছেলে।

এ ঘটনায় নিহতের ছোটভাই বাদী হয়ে শুক্রবার রাতে মুরাদনগর থানায় ৬ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

মামলা ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ১১ আগস্ট রাতে ইব্রাহিম খলিল রিকশা চালিয়ে বাড়ি ফেরার পথে নিজ এলাকার কাউছারের মুদি দোকানের সামনে যান। সেখানে থাকা একটি বৈদ্যুতিক বাল্ব তার মাথায় লেগে দুলতে থাকে। এ সময় হাত দিয়ে বাতিটিকে থামানোর চেষ্টা করলে চোর সন্দেহে শাহ আলমের মুদি দোকানে থাকা একই গ্রামের স্বপনের ছেলে মেহেদী হাসান মালু (২৫), মৃত.বাচ্চু মিয়ার ছেলে মো. হাসান (২৮), আবু তাহেরের ছেলে কাউসার (৩০), মনির হোসেন (২৪), মৃত. আকবর আলীর ছেলে মো. রফিক (৩০), হারুনের ছেলে শফিউল (২৭) তাকে বেধড়ক মারধর করেন।

আহত অবস্থায় ইব্রাহিম খলিলকে উদ্ধার করে মুরাদনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। ঘটনার পর দিন গ্রাম্য সালিশেরজন্য স্থানীয় মাতবরদের চাপে চিকিৎসা শেষ না করেই তাকে বাড়ি নেওয়া হয়।

সালিশে ইব্রাহিমকে অভিযুক্ত করে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন মাতবর চিনু মিয়া, ইউনুছ সরকার, কাদের, আওয়াল, নায়েব আলী ও জহির। জরিমানার ২ হাজার টাকা পরিশোধ করে বাড়ি ফেরার ৫ দিন পর পুনরায় অসুস্থ হয়ে পড়েন ইব্রাহিম। তাকে মুরাদনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পার্শ্ববর্তী দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সকালে তার মৃত্যু হয়।

এ বিষয়ে মুরাদনগর থানার অফিসার ইনচার্জ সাদেকুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারে চেষ্টা অব্যাহত আছে।

বাল্ব চুরির অভিযোগে মারধর, ৯ দিন পর মৃত্যু

 মুরাদনগর (কুমিল্লা) প্রতিনিধি 
২২ আগস্ট ২০২১, ০৭:৩২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
নিহত রিকশাচালক ইব্রাহিম খলিল
নিহত রিকশাচালক ইব্রাহিম খলিল। ছবি: যুগান্তর

কুমিল্লার মুরাদনগরে বৈদ্যুতিক বাল্ব চুরির অভিযোগে এক রিকশাচালককে মারধর করা হয়। ঘটনার ৯ দিন পর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা গেছেন।

নিহত রিকশাচালক ইব্রাহিম খলিল (৩৫)। তিনি ধামঘর গ্রামের আবু তাহেরের ছেলে।

এ ঘটনায় নিহতের ছোটভাই বাদী হয়ে শুক্রবার রাতে মুরাদনগর থানায় ৬ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

মামলা ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়,  গত ১১ আগস্ট রাতে ইব্রাহিম খলিল  রিকশা চালিয়ে বাড়ি ফেরার পথে নিজ এলাকার কাউছারের মুদি দোকানের সামনে যান। সেখানে থাকা একটি বৈদ্যুতিক বাল্ব তার মাথায় লেগে দুলতে থাকে। এ সময় হাত দিয়ে বাতিটিকে থামানোর চেষ্টা করলে চোর সন্দেহে শাহ আলমের মুদি দোকানে থাকা একই গ্রামের স্বপনের ছেলে মেহেদী হাসান মালু (২৫), মৃত.বাচ্চু মিয়ার ছেলে মো. হাসান (২৮), আবু তাহেরের ছেলে কাউসার (৩০),  মনির হোসেন (২৪), মৃত. আকবর আলীর ছেলে মো. রফিক (৩০),  হারুনের ছেলে শফিউল (২৭) তাকে বেধড়ক মারধর করেন। 

আহত অবস্থায় ইব্রাহিম খলিলকে উদ্ধার করে মুরাদনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। ঘটনার পর দিন গ্রাম্য সালিশের জন্য স্থানীয় মাতবরদের চাপে চিকিৎসা শেষ না করেই তাকে বাড়ি নেওয়া হয়।

সালিশে ইব্রাহিমকে অভিযুক্ত করে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন মাতবর চিনু মিয়া, ইউনুছ সরকার, কাদের, আওয়াল, নায়েব আলী ও জহির। জরিমানার ২ হাজার টাকা পরিশোধ করে বাড়ি ফেরার ৫ দিন পর পুনরায় অসুস্থ হয়ে পড়েন ইব্রাহিম। তাকে মুরাদনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পার্শ্ববর্তী দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সকালে তার মৃত্যু হয়।

এ বিষয়ে মুরাদনগর থানার অফিসার ইনচার্জ সাদেকুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারে চেষ্টা অব্যাহত আছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন