মায়ের ওড়নায় ছেলের আত্মহত্যা, লাশ নিয়ে উধাও পরিবার
jugantor
মায়ের ওড়নায় ছেলের আত্মহত্যা, লাশ নিয়ে উধাও পরিবার

  লাকসাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি  

২৪ আগস্ট ২০২১, ০০:৩০:৫৫  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লা লাকসাম উপজেলায় মায়ের সঙ্গে অভিমান করে তার ওড়না দিয়ে আত্মহত্যা করেছে বাদল (১৮) নামে এক যুবক। সোমবার দুপুর ১টায় উপজেলার পূর্ব লাকসাম ইউনিয়ন নরপাটি গ্রামের জাকির পণ্ডিত বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলা নরপাটি গ্রামের জাকির পণ্ডিত বাড়িতে পরিবার নিয়ে ভাড়া বাসায় থাকেন এনজিওর নারী কর্মকর্তা নাসরিন আক্তার। নাসরিন তার ছেলে বাদলকে নিয়ে ওই বাসায় বসবাস করতেন। বাদলের বাবা কাউছার ও বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন কুমিল্লায়। স্ত্রী ও সন্তানের খোঁজ খবর নিতে মাঝে মধ্যে দেখা করতে পণ্ডিত বাড়িতে আসতেন বাদলের বাবা।

প্রেমের সম্পর্কে নিয়ে মায়ের সঙ্গে বাদলের কথা কাটাকাটি হয়। সোমবার সকালে বাদলকে বাসায় রেখে অফিসে যায় মা নাসরিন। বাদলের মা দুপুরে অফিস থেকে বাসায় এসে দেখেন ঘরে থাকা তার ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলছে বাদল।

মায়ের আর্ত চিৎকারে এলাকার লোকজন এগিয়ে এসে বাদলকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিলে কর্মরত চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন। এ ঘটনা নিয়ে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হলে নিহত বাদলের মা নাসরিন আক্তার সন্তানের লাশ নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা নিজ গ্রামের নিয়ে যায় স্বজনরা।

জাকির হোসেন পণ্ডিত বলেন, আমার বাসায় এমন একটি আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে শুনেছি তবে লাশ নিয়ে ভাড়াটিয়া উধাও হয়েছে।

খবর পেয়ে লাকসাম থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে লাশ না পেয়ে ফিরে আসে।

নিহত বাদলের মা নাসরিনের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, ছেলেকে নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া যাচ্ছি পড়ে কথা বলবো ভাই।

এ বিষয় লাকসাম থানার ওসি মেজবাহ উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, এমন একটি আত্মহত্যার খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। কিন্তু ঘটনাস্থলে লাশ পাওয়া যায়নি।

মায়ের ওড়নায় ছেলের আত্মহত্যা, লাশ নিয়ে উধাও পরিবার

 লাকসাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি 
২৪ আগস্ট ২০২১, ১২:৩০ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লা লাকসাম উপজেলায় মায়ের সঙ্গে অভিমান করে তার ওড়না দিয়ে আত্মহত্যা করেছে বাদল (১৮) নামে এক যুবক। সোমবার দুপুর ১টায় উপজেলার পূর্ব লাকসাম ইউনিয়ন নরপাটি গ্রামের জাকির পণ্ডিত বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলা নরপাটি গ্রামের জাকির পণ্ডিত বাড়িতে পরিবার নিয়ে ভাড়া বাসায় থাকেন এনজিওর নারী কর্মকর্তা নাসরিন আক্তার। নাসরিন তার ছেলে বাদলকে নিয়ে ওই বাসায় বসবাস করতেন। বাদলের বাবা কাউছার ও বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন কুমিল্লায়। স্ত্রী ও সন্তানের খোঁজ খবর নিতে মাঝে মধ্যে দেখা করতে পণ্ডিত বাড়িতে আসতেন বাদলের বাবা।

প্রেমের সম্পর্কে নিয়ে মায়ের সঙ্গে বাদলের কথা কাটাকাটি হয়। সোমবার সকালে বাদলকে বাসায় রেখে অফিসে যায় মা নাসরিন। বাদলের মা দুপুরে অফিস থেকে বাসায় এসে দেখেন ঘরে থাকা  তার ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলছে বাদল।

মায়ের আর্ত চিৎকারে এলাকার লোকজন এগিয়ে এসে বাদলকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিলে কর্মরত চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন। এ ঘটনা নিয়ে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হলে নিহত বাদলের মা নাসরিন আক্তার সন্তানের লাশ নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা নিজ গ্রামের নিয়ে যায় স্বজনরা।

জাকির হোসেন পণ্ডিত বলেন, আমার বাসায় এমন একটি আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে শুনেছি তবে লাশ নিয়ে ভাড়াটিয়া উধাও হয়েছে।

খবর পেয়ে লাকসাম থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে লাশ না পেয়ে ফিরে আসে।

নিহত বাদলের মা নাসরিনের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, ছেলেকে নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া যাচ্ছি পড়ে কথা বলবো ভাই।

এ বিষয় লাকসাম থানার ওসি মেজবাহ উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, এমন একটি আত্মহত্যার খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। কিন্তু ঘটনাস্থলে লাশ পাওয়া যায়নি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন