ডোবা থেকে মাদ্রাসাছাত্রের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় রিমান্ডে ৩ শিক্ষক
jugantor
ডোবা থেকে মাদ্রাসাছাত্রের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় রিমান্ডে ৩ শিক্ষক

  দাগনভূঞা (ফেনী) প্রতিনিধি  

২৪ আগস্ট ২০২১, ১৫:৪৬:২০  |  অনলাইন সংস্করণ

ডোবা থেকে মাদ্রাসাছাত্রের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় রিমান্ডে ৩ শিক্ষক

দাগনভূঞার ডোবা থেকে মাদ্রাসাছাত্রের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় সহপাঠী এবং তিনজন শিক্ষককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পরে তিন শিক্ষককে রিমান্ড ও সহপাঠীকে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ওই মাদ্রাসার সুপার মোশারফ হোসেন (৪২) চার দিনের, সহকারী শিক্ষক আজিম উদ্দিন (৩৩) ও নুর আলীকে তিন দিনের রিমান্ডে দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে গ্রেফতারকৃত শ্রেণি সহপাঠী জোবায়ের আলম ফাইজকে (১১) গাজীপুর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে প্রেরণের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে দাগনভূঞা থানার ওসি ইমতিয়াজ আহমেদ যুগান্তরকে জানান, রোববার রাতে মাদ্রাসায় অভিযান চালিয়ে এজাহারনামীয় চার আসামিকে গ্রেফতারের পর আদালতে রিমান্ড আবেদন করা হয়। আদালত শুনানি শেষে একজনের চার দিন ও বাকি দুজনের তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

উল্লেখ্য, রোববার ভোর ৪টায় সোনাগাজী চরলক্ষ্মীগঞ্জ হাফেজ শামসুল হক (র) নুরানি হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার হেফজ বিভাগের ছাত্র আরাফাত হোসেনকে (৯) হত্যা করা হয়। পরে তাকে উপজেলার মোমারিজপুর গ্রামের একটি ডোবায় ফেলে দেওয়া হয়।

এর পর পানিতে ডুবে ওই ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রচার করেন মাদ্রাসার শিক্ষকরা। ময়নাতদন্তে মরদেহের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন থাকায় এ ঘটনায় শিশুটির বাবা ফানা উল্যাহ বাদী হয়ে দাগনভূঞা থানায় হত্যা মামলা করেন। নিহত শিশু আরাফাত হোসেন সোনাগাজী উপজেলার চরমজলিশপুর ইউনিয়নের ছয়আনি গ্রামের নাজের কোম্পানির বাড়ির ফানা উল্যাহর ছেলে।

ডোবা থেকে মাদ্রাসাছাত্রের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় রিমান্ডে ৩ শিক্ষক

 দাগনভূঞা (ফেনী) প্রতিনিধি 
২৪ আগস্ট ২০২১, ০৩:৪৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ডোবা থেকে মাদ্রাসাছাত্রের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় রিমান্ডে ৩ শিক্ষক
ফাইল ছবি

দাগনভূঞার ডোবা থেকে মাদ্রাসাছাত্রের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় সহপাঠী এবং তিনজন শিক্ষককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পরে তিন শিক্ষককে রিমান্ড ও সহপাঠীকে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ওই মাদ্রাসার সুপার মোশারফ হোসেন (৪২) চার দিনের, সহকারী শিক্ষক আজিম উদ্দিন (৩৩) ও নুর আলীকে তিন দিনের রিমান্ডে দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে গ্রেফতারকৃত শ্রেণি সহপাঠী জোবায়ের আলম ফাইজকে (১১) গাজীপুর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে প্রেরণের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে দাগনভূঞা থানার ওসি ইমতিয়াজ আহমেদ যুগান্তরকে জানান, রোববার রাতে মাদ্রাসায় অভিযান চালিয়ে এজাহারনামীয় চার আসামিকে গ্রেফতারের পর আদালতে রিমান্ড আবেদন করা হয়। আদালত শুনানি শেষে একজনের চার দিন ও বাকি দুজনের তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

উল্লেখ্য, রোববার ভোর ৪টায় সোনাগাজী চরলক্ষ্মীগঞ্জ হাফেজ শামসুল হক (র) নুরানি হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার হেফজ বিভাগের ছাত্র আরাফাত হোসেনকে (৯) হত্যা করা হয়। পরে তাকে উপজেলার মোমারিজপুর গ্রামের একটি ডোবায় ফেলে দেওয়া হয়।

এর পর পানিতে ডুবে ওই ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রচার করেন মাদ্রাসার শিক্ষকরা। ময়নাতদন্তে মরদেহের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন থাকায় এ ঘটনায় শিশুটির বাবা ফানা উল্যাহ বাদী হয়ে দাগনভূঞা থানায় হত্যা মামলা করেন। নিহত শিশু আরাফাত হোসেন সোনাগাজী উপজেলার চরমজলিশপুর ইউনিয়নের ছয়আনি গ্রামের নাজের কোম্পানির বাড়ির ফানা উল্যাহর ছেলে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন