সিনহার সহকর্মী সিফাতকে জেরা করছেন ওসি প্রদীপের আইনজীবী
jugantor
সিনহার সহকর্মী সিফাতকে জেরা করছেন ওসি প্রদীপের আইনজীবী

  কক্সবাজার প্রতিনিধি  

২৫ আগস্ট ২০২১, ১১:০৬:৩০  |  অনলাইন সংস্করণ

সিনহা হত্যা

আলোচিত অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের শেষ দিন আজ বুধবার আদালতে বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও পরিদর্শক লিয়াকত আলীর পক্ষের আইনজীবী সিনহার সহকর্মী সাহেদুল ইসলাম সিফাতকে জেরা করা হচ্ছে।

এ ছাড়া নোটিশ পাওয়া আরও ১৩ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ নেওয়ার কথা রয়েছে।

এর আগে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নিহত সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌসকে জেরা করা হয়।

এর আগে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে ফের হাজির করা হয় এ মামলার আসামি বরখাস্তকৃত ওসি প্রদীপসহ ১৫ আসামিকে

এই তিন দিনে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আদালতে এ মামলার ৮৩ সাক্ষীর মধ্যে বাদীসহ ১৫ সাক্ষীর সমন জারি করা হয়েছে।

কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ফরিদুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, বুধবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও পরিদর্শক লিয়াকত আলীর পক্ষের আইনজীবী নিহত সিনহার সহকর্মী সাহেদুল ইসলাম সিফাতকে জেরা শুরু করেন।

প্রথম দিন সোমবার মামলার বাদী সিনহার বোন শারমিন ফেরদৌসের সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা করা হয়। মঙ্গলবার একই সময় আবারও সিনহার বোনকে জেরা করা হয়।

সাক্ষীরা হলেন— শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস, সিনহার সঙ্গী সহিদুল ইসলাম সিফাত, টেকনাফের মিনাবাজার এলাকার মোহাম্মদ আলী, শামলাপুর এলাকার মো. আবদুল হামিদ, মো. ইউনুস, ফিরোজ মাহমুদ, মহিবুল্লাহ, মো. আমিন, মো. কামাল হোসেন ও মো. শওকত আলী, রামু সেনানিবাসের সার্জেন্ট মো. আইয়ুব আলী, সিনহার সঙ্গী শিপ্রা দেবনাথ, কক্সবাজার সদর হাসপাতালের দুই চিকিৎসক শাহীন আবদুর রহমান চৌধুরী ও রণধীর দেবনাথ এবং টেকনাফের বাহারছড়ার মারিষবুনিয়া গ্রামের হাফেজ জহিরুল ইসলাম।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের শামলাপুর চেকপোস্টের গাড়ি তল্লাশি কেন্দ্র করে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান।

এ ঘটনায় করা হত্যা মামলায় ওই বছরের ১৩ ডিসেম্বর ওসি প্রদীপ কুমার দাসসহ ১৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেন তদন্ত কর্মকর্তা র‌্যাব ১৫-এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. খায়রুল ইসলাম।

সিনহার সহকর্মী সিফাতকে জেরা করছেন ওসি প্রদীপের আইনজীবী

 কক্সবাজার প্রতিনিধি 
২৫ আগস্ট ২০২১, ১১:০৬ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
সিনহা হত্যা
ফাইল ছবি

আলোচিত অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের শেষ দিন আজ বুধবার আদালতে বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও পরিদর্শক লিয়াকত আলীর পক্ষের আইনজীবী সিনহার সহকর্মী সাহেদুল ইসলাম সিফাতকে জেরা করা হচ্ছে।

এ ছাড়া নোটিশ পাওয়া আরও ১৩ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ নেওয়ার কথা রয়েছে।

এর আগে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নিহত সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌসকে জেরা করা হয়।

এর  আগে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে ফের হাজির করা হয় এ মামলার আসামি বরখাস্তকৃত ওসি প্রদীপসহ ১৫ আসামিকে

এই তিন দিনে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আদালতে এ মামলার ৮৩ সাক্ষীর মধ্যে বাদীসহ ১৫  সাক্ষীর সমন জারি করা হয়েছে।

কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ফরিদুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, বুধবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও পরিদর্শক লিয়াকত আলীর পক্ষের আইনজীবী নিহত সিনহার সহকর্মী সাহেদুল ইসলাম সিফাতকে জেরা শুরু করেন।

প্রথম দিন সোমবার মামলার বাদী সিনহার বোন শারমিন ফেরদৌসের  সাক্ষ্যগ্রহণ ও  জেরা করা হয়। মঙ্গলবার একই সময় আবারও সিনহার বোনকে জেরা করা হয়।

সাক্ষীরা হলেন— শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস, সিনহার সঙ্গী সহিদুল ইসলাম সিফাত, টেকনাফের মিনাবাজার এলাকার মোহাম্মদ আলী, শামলাপুর এলাকার মো. আবদুল হামিদ, মো. ইউনুস, ফিরোজ মাহমুদ, মহিবুল্লাহ, মো. আমিন, মো. কামাল হোসেন ও মো. শওকত আলী, রামু সেনানিবাসের সার্জেন্ট মো. আইয়ুব আলী, সিনহার সঙ্গী শিপ্রা দেবনাথ, কক্সবাজার সদর হাসপাতালের দুই চিকিৎসক শাহীন আবদুর রহমান চৌধুরী ও রণধীর দেবনাথ এবং টেকনাফের বাহারছড়ার মারিষবুনিয়া গ্রামের হাফেজ জহিরুল ইসলাম।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের শামলাপুর চেকপোস্টের গাড়ি তল্লাশি কেন্দ্র করে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান।

এ ঘটনায় করা হত্যা মামলায় ওই বছরের ১৩ ডিসেম্বর ওসি প্রদীপ কুমার দাসসহ ১৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেন তদন্ত কর্মকর্তা র‌্যাব ১৫-এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. খায়রুল ইসলাম।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : মেজর সিনহার মৃত্যু

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন