মানসিক প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণকালে বাসশ্রমিক গ্রেফতার
jugantor
মানসিক প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণকালে বাসশ্রমিক গ্রেফতার

  পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি  

২৫ আগস্ট ২০২১, ১৮:২২:০৫  |  অনলাইন সংস্করণ

খুলনার পাইকগাছায় মানসিক প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণকালে বাসশ্রমিক মোমিন গাজীকে (৪৫) জনতা আটক করে পুলিশে দিয়েছেন। মঙ্গলবার দিবাগত গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে।

ধৃত বাসশ্রমিক উপজেলার গদাইপুরের চরমলই গ্রামের মৃত হাতেম (আদম) গাজীর ছেলে। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে ধর্ষক মোমিন পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডে ওই তরুণীদের বাড়িতে যায়। বারান্দায় মানসিক প্রতিবন্ধী তরুণী ঘুমিয়ে ছিল। সে সুযোগে মোমিন তাকে ধর্ষণ করে।

এ সময় টের পেয়ে ওই তরুণীর মা বাইরে এসে মোমিনকে উলঙ্গ অবস্থায় দেখে চিৎকার করে। চারপাশ থেকে লোকজন এসে তাকে ধরে আটকে রেখে পুলিশে সংবাদ দেন। পুলিশ ভিকটিমসহ ধর্ষককে থানায় নিয়ে আসে। এ ঘটনায় ধর্ষিতার মা বাদী হয়ে মোমিনকে আসামি করে থানায় এজাহার দাখিল করেছেন।

পুলিশের কাছে মোমিন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ইতোপূর্বে আরও দুই দিন তার কাছে গেছে। ইনজেকশনের মাধ্যমে সে ওই তরুণীকে বন্ধ্যত্বকরণ করেছে।

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সরদার আলী আহসান বলেন, সমাজসেবা অধিদপ্তরে প্রতিবন্ধীর তালিকায় ধর্ষণের শিকার ওই তরুণীর নাম রেজিস্ট্রেশন করা আছে।

পাইকগাছা থানার ওসি এজাজ শফী জানান, আসামিকে আইনি প্রক্রিয়ায় আদালতে পাঠানো হয়েছে। মেডিকেল রিপোর্টের জন্য ভিকটিমকে প্রথমে পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

মানসিক প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণকালে বাসশ্রমিক গ্রেফতার

 পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি 
২৫ আগস্ট ২০২১, ০৬:২২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

খুলনার পাইকগাছায় মানসিক প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণকালে বাসশ্রমিক মোমিন গাজীকে (৪৫) জনতা আটক  করে পুলিশে দিয়েছেন। মঙ্গলবার দিবাগত গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে।

ধৃত বাসশ্রমিক উপজেলার গদাইপুরের চরমলই গ্রামের মৃত হাতেম (আদম) গাজীর ছেলে। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে ধর্ষক মোমিন পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডে ওই তরুণীদের বাড়িতে যায়। বারান্দায় মানসিক প্রতিবন্ধী তরুণী ঘুমিয়ে ছিল। সে সুযোগে মোমিন তাকে ধর্ষণ করে।

এ সময় টের পেয়ে ওই তরুণীর মা বাইরে এসে মোমিনকে উলঙ্গ অবস্থায় দেখে চিৎকার করে। চারপাশ থেকে লোকজন এসে তাকে ধরে আটকে রেখে পুলিশে সংবাদ দেন। পুলিশ ভিকটিমসহ ধর্ষককে থানায় নিয়ে আসে। এ ঘটনায় ধর্ষিতার মা বাদী হয়ে মোমিনকে আসামি করে থানায় এজাহার দাখিল করেছেন।

পুলিশের কাছে মোমিন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ইতোপূর্বে আরও দুই দিন তার কাছে গেছে। ইনজেকশনের মাধ্যমে সে ওই তরুণীকে বন্ধ্যত্বকরণ করেছে।

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সরদার আলী আহসান বলেন, সমাজসেবা অধিদপ্তরে প্রতিবন্ধীর তালিকায় ধর্ষণের শিকার ওই তরুণীর নাম রেজিস্ট্রেশন করা আছে।

পাইকগাছা থানার ওসি এজাজ শফী জানান, আসামিকে আইনি প্রক্রিয়ায় আদালতে পাঠানো হয়েছে। মেডিকেল রিপোর্টের জন্য ভিকটিমকে প্রথমে পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন