সংঘর্ষে গায়েহলুদের অনুষ্ঠান পণ্ড
jugantor
সংঘর্ষে গায়েহলুদের অনুষ্ঠান পণ্ড

  কোটালীপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি  

২৫ আগস্ট ২০২১, ১৯:২২:২৬  |  অনলাইন সংস্করণ

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার হিরণ ইউনিয়নের বর্ষাপাড়া গ্রামে ১৪ দিনের ব্যবধানে ফের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সংঘর্ষে মহিলাসহ ৩ জন আহত, ৮টি ঘর ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। পণ্ড হয়ে গেছে কন্যার বাড়ির গায়েহলুদের অনুষ্ঠান।

বুধবার বেলা ১১টায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

জানা গেছে, এলাকায় প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে বদিউজ্জামান বিশ্বাসের সঙ্গে মামুনুর রশীদ সিকদারের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এরই সূত্র ধরে বুধবার সকালে বদিউজ্জামান বিশ্বাসের লোকজন মামুনুর রশীদ সিকদার গ্রুপের রিপন বিশ্বাসকে (৩৩) মারধর করে।

এ ঘটনার পর মামুন বিশ্বাসের লোকজন একত্রিত হয়ে অতর্কিত হামলা চালিয়ে বদিউজ্জামান বিশ্বাস গ্রুপের কালাম বিশ্বাস, রব বিশ্বাস, দিদার বিশ্বাস, রসুল বিশ্বাস, ফেরদাউস বিশ্বাস, বাচ্চু বিশ্বাস, শামিম বিশ্বাস ও ফকা বিশ্বাসের বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাট চালায়। এ সময় একটি বিয়েবাড়িতে হামলা চালিয়ে গায়েহলুদের অনুষ্ঠান পণ্ড করে দিয়েছে।

এ সময় বাধা দিতে গিয়ে লাভলী বেগম (৪৫), নাইম বিশ্বাস (২৫) গুরুতর আহত হন। খবর পেয়ে কোটালীপাড়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এর আগে চলতি মাসের ১১ তারিখে উভয়পক্ষের মাঝে সংঘর্ষ ঘটনা ঘটে। এ সংঘর্ষের ঘটনায় উভয়পক্ষের ১০ জন আহত ও ৭টি ঘরবাড়ি ভাংচুর করা হয়।

বদিউজ্জামান বিশ্বাস বলেন, মামুন বিশ্বাসের লোকজন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে আমার আত্মীয়স্বজনের ৮টি বসতঘর ভাংচুর করে লুটপাট চালিয়েছে। এ সময় বাধা দিতে গেলে তারা নিরীহ লোকজনদের মারপিট করে। একটি বিয়েবাড়িতে হামলা চালিয়ে গায়েহলুদের অনুষ্ঠান পণ্ড করে দিয়েছে। ভয়ে কন্যার পরিবার উপজেলার দিঘলীয়া গ্রামে মামার বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে। গত কয়েক দিন আগেও মামুন সিকদার তার লোকজন নিয়ে আমাদের ওপর সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে ভাংচুর করেছে।

এ বিষয়ে মামুনুর রশীদ সিকদারের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি ভাংচুর ও লুটপাটের কথা অস্বীকার করে বলেন, আমার কোনো লোকজন বদিউজ্জামান বিশ্বাসের লোকজনকে মারধর করেনি।

কোটালীপাড়া থানার ওসি মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, এলাকার পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত রয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। কোনো পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সংঘর্ষে গায়েহলুদের অনুষ্ঠান পণ্ড

 কোটালীপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি 
২৫ আগস্ট ২০২১, ০৭:২২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার হিরণ ইউনিয়নের বর্ষাপাড়া গ্রামে ১৪ দিনের ব্যবধানে ফের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সংঘর্ষে মহিলাসহ ৩ জন আহত, ৮টি ঘর ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। পণ্ড হয়ে গেছে কন্যার বাড়ির গায়েহলুদের অনুষ্ঠান।

বুধবার বেলা ১১টায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

জানা গেছে, এলাকায় প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে বদিউজ্জামান বিশ্বাসের সঙ্গে মামুনুর রশীদ সিকদারের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এরই সূত্র ধরে বুধবার সকালে বদিউজ্জামান বিশ্বাসের লোকজন মামুনুর রশীদ সিকদার গ্রুপের রিপন বিশ্বাসকে (৩৩) মারধর করে।

এ ঘটনার পর মামুন বিশ্বাসের লোকজন একত্রিত হয়ে অতর্কিত হামলা চালিয়ে বদিউজ্জামান বিশ্বাস গ্রুপের কালাম বিশ্বাস, রব বিশ্বাস, দিদার বিশ্বাস, রসুল বিশ্বাস, ফেরদাউস বিশ্বাস, বাচ্চু বিশ্বাস, শামিম বিশ্বাস ও ফকা বিশ্বাসের বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাট চালায়। এ সময় একটি বিয়েবাড়িতে হামলা চালিয়ে গায়েহলুদের অনুষ্ঠান পণ্ড করে দিয়েছে।

এ সময় বাধা দিতে গিয়ে লাভলী বেগম (৪৫), নাইম বিশ্বাস (২৫) গুরুতর আহত  হন। খবর পেয়ে কোটালীপাড়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এর আগে চলতি মাসের ১১ তারিখে উভয়পক্ষের মাঝে সংঘর্ষ ঘটনা ঘটে। এ সংঘর্ষের ঘটনায় উভয়পক্ষের ১০ জন আহত  ও ৭টি ঘরবাড়ি ভাংচুর করা হয়।
 
বদিউজ্জামান বিশ্বাস বলেন, মামুন বিশ্বাসের লোকজন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে আমার আত্মীয়স্বজনের ৮টি বসতঘর ভাংচুর করে লুটপাট চালিয়েছে। এ সময় বাধা দিতে গেলে তারা নিরীহ লোকজনদের মারপিট করে। একটি বিয়েবাড়িতে হামলা চালিয়ে গায়েহলুদের অনুষ্ঠান পণ্ড করে দিয়েছে। ভয়ে কন্যার পরিবার উপজেলার দিঘলীয়া গ্রামে মামার বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে। গত কয়েক দিন আগেও মামুন সিকদার তার লোকজন নিয়ে আমাদের ওপর সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে ভাংচুর করেছে।

এ বিষয়ে মামুনুর রশীদ সিকদারের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি ভাংচুর ও লুটপাটের কথা অস্বীকার করে বলেন, আমার কোনো লোকজন বদিউজ্জামান বিশ্বাসের লোকজনকে মারধর করেনি।

কোটালীপাড়া থানার ওসি মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, এলাকার পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত রয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। কোনো পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন