নিখোঁজ হওয়ার পর দিন শিশুর লাশ উদ্ধার
jugantor
নিখোঁজ হওয়ার পর দিন শিশুর লাশ উদ্ধার

  কলমাকান্দা (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি  

২৬ আগস্ট ২০২১, ১৫:৫৪:৫৪  |  অনলাইন সংস্করণ

নেত্রকোনার কলমাকান্দায় নিখোঁজের একদিন পর পিলোয়ার বিল থেকে মো. সালমান হক (৭) নামে এক শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার কৈলাটি ইউনিয়নের সনুড়া গ্রামের পাশে পিলোয়ার বিল থেকে ওই লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে এক নারীকে আটক করা হয়েছে।

মারা যাওয়া সালমান সনুড়া গ্রামের আয়নাল হকের ছেলে। সে কৈলাটি হাফেজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ছিল। আর আটক হওয়া নারীর নাম তানিয়া আক্তার (২৫)। তিনি ওই গ্রামের বাসিন্দা।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সালমান হক বুধবার বিকালে বাড়ির সামনে খেলা করছিল। এর পর থেকে শিশুটি নিখোঁজ হয়। পরিবারের লোকজন বিভিন্ন স্থানে খোঁজার পরও তার সন্ধান পায়নি। বৃহস্পতিবার সকালে ওই গ্রামের এক ব্যক্তি পিলোয়ার বিলে মাছ ধরতে যান। এ সময় তিনি শিশুটির ভাসমান মরদেহ দেখতে পান। পরে তার ডাকে গ্রামের লোকজন ঘটনাস্থলে এসে জড়ো হয়। খবর পেয়ে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পুলিশ শিশুটির লাশ উদ্ধার করে।

শিশুটির বাবা আয়নাল হকের দাবি, তানিয়ার সঙ্গে তাদের বিরোধ চলছিল। বিরোধের জের ধরে তানিয়া সালমানকে মেরে ফেলেছেন।

তবে আটক হওয়া তানিয়া পুলিশ হেফাজতে থাকায় এ ব্যাপারে তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

নেত্রকোনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মোহাম্মদ ফকরুজ্জামান জুয়েল জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণ করা হচ্ছে— পূর্ব শত্রুতার জের ধরে শিশুটিকে হত্যা করে বিলে ফেলে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তানিয়া আক্তার নামে এক নারীকে আটক করা হয়েছে। শিশু সালমানের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর রহস্য জানা যাবে।

নিখোঁজ হওয়ার পর দিন শিশুর লাশ উদ্ধার

 কলমাকান্দা (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি 
২৬ আগস্ট ২০২১, ০৩:৫৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নেত্রকোনার কলমাকান্দায় নিখোঁজের একদিন পর পিলোয়ার বিল থেকে মো. সালমান হক (৭) নামে এক শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার কৈলাটি ইউনিয়নের সনুড়া গ্রামের পাশে পিলোয়ার বিল থেকে ওই লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ। 

এ ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে এক নারীকে আটক করা হয়েছে।

মারা যাওয়া সালমান সনুড়া গ্রামের আয়নাল হকের ছেলে। সে কৈলাটি হাফেজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ছিল। আর আটক হওয়া নারীর নাম তানিয়া আক্তার (২৫)। তিনি ওই গ্রামের বাসিন্দা।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সালমান হক বুধবার বিকালে বাড়ির সামনে খেলা করছিল। এর পর থেকে শিশুটি নিখোঁজ হয়। পরিবারের লোকজন বিভিন্ন স্থানে খোঁজার পরও তার সন্ধান পায়নি। বৃহস্পতিবার সকালে ওই গ্রামের এক ব্যক্তি পিলোয়ার বিলে মাছ ধরতে যান। এ সময় তিনি শিশুটির ভাসমান মরদেহ দেখতে পান। পরে তার ডাকে গ্রামের লোকজন ঘটনাস্থলে এসে জড়ো হয়। খবর পেয়ে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পুলিশ শিশুটির লাশ উদ্ধার করে।

শিশুটির বাবা আয়নাল হকের দাবি, তানিয়ার সঙ্গে তাদের বিরোধ চলছিল। বিরোধের জের ধরে তানিয়া সালমানকে মেরে ফেলেছেন। 

তবে আটক হওয়া তানিয়া পুলিশ হেফাজতে থাকায় এ ব্যাপারে তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

নেত্রকোনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মোহাম্মদ ফকরুজ্জামান জুয়েল জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণ করা হচ্ছে— পূর্ব শত্রুতার জের ধরে শিশুটিকে হত্যা করে বিলে ফেলে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তানিয়া আক্তার নামে এক নারীকে আটক করা হয়েছে। শিশু সালমানের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর রহস্য জানা যাবে।   

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন