হত্যা মামলার আসামিদের ঘরবাড়ি উধাও
jugantor
হত্যা মামলার আসামিদের ঘরবাড়ি উধাও

  মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি   

২৬ আগস্ট ২০২১, ২১:৩২:৩৩  |  অনলাইন সংস্করণ

হত্যা মামলার আসামিদের বাড়িঘর ভাংচুর মামলার ৩৮ দিনের মাথায় তাদের কয়েকজনের ঘরবাড়ি উধাও হয়ে গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার বানিয়াবহু গ্রামে।

স্থানীয়রা জানান, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে মাহফুজার মোল্যা হত্যাকাণ্ডের পর আসামিদের বাড়িঘরে ভাংচুর-লুটপাট চলছেই। গত কয়েক দিনে কদম আলী ও সবুজ মোল্যার ঘরবাড়ি উধাও হয়ে গেছে। ঘরের ভিত ছাড়া সেখানে আর কিছুই নেই।

এছাড়া গত কয়েক দিনে হত্যা মামলার আসামি নাজির, মুজিবর মোল্যা, আউয়াল মোল্যা, আকবর মোল্যাসহ বেশ কয়েকজন আসামির বাড়িঘরে ভাংচুর ও লুটপাট করা হয়েছে।

স্থানীয় সালেহা বেগম নামে এক নারী বলেন, তারা রাত গভীর হলেই আসামিদের বাড়িতে এসে ভাংচুর চালায়।

জামিনে বের হয়ে আসা আসামি হোসেন মোল্যা জানান, কদম আলী ও নায়েব আলীর বাড়িতে ভাংচুরের ঘটনায় মোকাম মাগুরার আদালতে দুইটি মামলা হয়েছে। এরপরও বাদীপক্ষের লোকজন ভাংচুর লুটপাট করেই যাচ্ছে। এ পর্যন্ত প্রায় ১৮টি ঘর ভাংচুর করা হয়েছে।

ভাংচুর মামলার একজন বাদী পারভীন বেগম জানান, আমার স্বামী জেলহাজতে আছেন। এ সুযোগে বাদীপক্ষের লোকজন আমাদের বাড়িতে ভাংচুর ও লুটপাট করে। এ নিয়ে আমি কোর্টে একটি মামলা করি। এরপরও কয়েক দিন আগে আমাদের ঘরের সবকিছু ভেঙে নিয়ে গেছে। এখন আমাদের কিছুই নেই। ঘরবাড়ি সংসার সব শেষ হয়ে গেছে।

হত্যা মামলার আসামি রুহুল আমিনের স্ত্রী শিল্পী খাতুন জানান, স্বামী বাড়িতে নেই। ছেলেমেয়ে নিয়ে আমরা বাড়িতে খুব ভয়ে থাকি। প্রায় রাতেই বাদীপক্ষের লোকজন বাড়িতে এসে হুমকি-ধামকি দিয়ে যায়।

সরেজমিন গেলে দেখা যায়, কয়েকটি বসতঘর খালি পড়ে আছে। বাড়ির লোকজন, গৃহস্থালি সামগ্রী কিছুই নেই। যেসব বাড়িতে লোকজন আছেন তাদের চোখে-মুখে আতঙ্কের ছাপ।

মহম্মদপুর থানার ওসি নাসির উদ্দিন জানান, যেসব বাড়িতে লোকজন ছিল না তাদের ডেকে আমরা বাড়িতে দিয়ে আসছি। তাদের বাড়িতে যদি নতুন করে ভাংচুর হয়ে থাকে অভিযোগ দিলে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেব।

প্রসঙ্গত, গত ২৯ জুন জমি নিয়ে বিরোধের জেরে চাচার হামলায় খুন হন ভাতিজা মাহফুজার মোল্যা। এরপর তার বাবা আফসার মোল্যা বাদী হয়ে গত ৩০ জুন ২১ জনকে আসামি করে মহম্মদপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার ১৭ জন আসামি এখন জেলহাজতে আছেন। একজন জামিন পেয়েছেন। পলাতক রয়েছেন তিনজন আসামি।

হত্যা মামলার আসামিদের ঘরবাড়ি উধাও

 মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি  
২৬ আগস্ট ২০২১, ০৯:৩২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

হত্যা মামলার আসামিদের বাড়িঘর ভাংচুর মামলার ৩৮ দিনের মাথায় তাদের কয়েকজনের ঘরবাড়ি উধাও হয়ে গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার বানিয়াবহু গ্রামে।

স্থানীয়রা জানান, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে মাহফুজার মোল্যা হত্যাকাণ্ডের পর আসামিদের বাড়িঘরে ভাংচুর-লুটপাট চলছেই। গত কয়েক দিনে কদম আলী ও সবুজ মোল্যার ঘরবাড়ি উধাও হয়ে গেছে। ঘরের ভিত ছাড়া সেখানে আর কিছুই নেই। 

এছাড়া গত কয়েক দিনে হত্যা মামলার আসামি নাজির, মুজিবর মোল্যা, আউয়াল মোল্যা, আকবর মোল্যাসহ বেশ কয়েকজন আসামির বাড়িঘরে ভাংচুর ও লুটপাট করা হয়েছে। 

স্থানীয় সালেহা বেগম নামে এক নারী বলেন, তারা রাত গভীর হলেই আসামিদের বাড়িতে এসে ভাংচুর চালায়। 

জামিনে বের হয়ে আসা আসামি হোসেন মোল্যা জানান, কদম আলী ও নায়েব আলীর বাড়িতে ভাংচুরের ঘটনায় মোকাম মাগুরার আদালতে দুইটি মামলা হয়েছে। এরপরও বাদীপক্ষের লোকজন ভাংচুর লুটপাট করেই যাচ্ছে। এ পর্যন্ত প্রায় ১৮টি ঘর ভাংচুর করা হয়েছে। 

ভাংচুর মামলার একজন বাদী পারভীন বেগম জানান, আমার স্বামী জেলহাজতে আছেন। এ সুযোগে বাদীপক্ষের লোকজন আমাদের বাড়িতে ভাংচুর ও  লুটপাট করে। এ নিয়ে আমি কোর্টে একটি মামলা করি। এরপরও কয়েক দিন আগে আমাদের ঘরের সবকিছু ভেঙে নিয়ে গেছে। এখন আমাদের কিছুই নেই। ঘরবাড়ি সংসার সব শেষ হয়ে গেছে। 

হত্যা মামলার আসামি রুহুল আমিনের স্ত্রী শিল্পী খাতুন জানান, স্বামী বাড়িতে নেই। ছেলেমেয়ে নিয়ে আমরা বাড়িতে খুব ভয়ে থাকি। প্রায় রাতেই বাদীপক্ষের লোকজন বাড়িতে এসে হুমকি-ধামকি দিয়ে যায়। 

সরেজমিন গেলে দেখা যায়, কয়েকটি বসতঘর খালি পড়ে আছে। বাড়ির লোকজন, গৃহস্থালি সামগ্রী কিছুই নেই। যেসব বাড়িতে লোকজন আছেন তাদের চোখে-মুখে আতঙ্কের ছাপ। 

মহম্মদপুর থানার ওসি নাসির উদ্দিন জানান, যেসব বাড়িতে লোকজন ছিল না তাদের ডেকে আমরা বাড়িতে দিয়ে আসছি। তাদের বাড়িতে যদি নতুন করে ভাংচুর হয়ে থাকে অভিযোগ দিলে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেব। 
 
প্রসঙ্গত, গত ২৯ জুন জমি নিয়ে বিরোধের জেরে চাচার হামলায় খুন হন ভাতিজা মাহফুজার মোল্যা। এরপর তার বাবা আফসার মোল্যা বাদী হয়ে গত ৩০ জুন ২১ জনকে আসামি করে মহম্মদপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার ১৭ জন আসামি এখন জেলহাজতে আছেন। একজন জামিন পেয়েছেন। পলাতক রয়েছেন তিনজন আসামি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন