স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ, ৪ মাতবরসহ ধর্ষকের বিরুদ্ধে মামলা
jugantor
স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ, ৪ মাতবরসহ ধর্ষকের বিরুদ্ধে মামলা

  মুরাদনগর (কুমিল্লা) প্রতিনিধি  

২৭ আগস্ট ২০২১, ০১:৩৫:২৫  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লার মুরাদনগরে সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীকে (১৪) ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। আর এ ঘটনার ১৪ দিন পর বুধবার রাতে ওই ছাত্রীর মা বাদী হয়ে ৪ মাতবর ও ধর্ষকের বিরুদ্ধে মুরাদনগর থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

১২ আগস্ট উপজেলার দারোরা ইউনিয়নে এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত ধর্ষক কাশেম মিয়া (৫৫) পালাসুতা গ্রামের মৃত মতি মিয়ার ছেলে। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে গ্রাম্যমাতবরদের বিরুদ্ধে ৭০ হাজার টাকা ভাগাভাগি করার অভিযোগও রয়েছে।

সরেজমিন জানা যায়, লকডাউনের কারণে স্কুল বন্ধ থাকায় মায়ের সঙ্গে ৩টি ছাগল লালনপালন করতো ওই ছাত্রী। প্রতিদিনের মতো ১২ আগস্ট ছাগলকে ঘাস খাওয়াতে মাঠে যায়। দুপুরে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে গেলে ওতপেতে থাকা কাশেম মিয়া তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।

একপর্যায়ে ওই ছাত্রী ডাকচিৎকার শুরু করলে অভিযুক্ত কাশেম মিয়া দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরে পাশের বাড়ির লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে ওই ছাত্রীর মা-বাবা স্থানীয় মাতবরদের কাছে বিচার প্রার্থী হন। তারা ওই পরিবারটিকে কোনো প্রকার সহযোগিতা না করে উল্টো বিষয়টি ধামাচাপা দিতে বলা হয়।

এ বিষয়ে থানায় মামলা করতে যাওয়ার পথে অভিযুক্ত কাশেম মিয়ার ছেলে আক্তার হোসেন, স্থানীয় মাতবর হযরত আলী হর্জন, নুরুল ইসলাম ও মনির হোসেন ভুক্তভোগী পরিবারকে কিছু টাকা দিয়ে বিষয়টি নিষ্পত্তি করার কথা বলে। আর যদি বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি করা হয়, তাহলে পুরো পরিবারকে মেরে গ্রাম থেকে বের করে দেয়া হবে বলেও হুমকি দেয়া হয়।

পরে স্থানীয় সাংবাদিকদের সহযোগিতায় বুধবার রাতে ৪ মাতবরসহ অভিযুক্ত ধর্ষকের বিরুদ্ধে ওই ছাত্রীর মা বাদী হয়ে মামলা করেন।

মুরাদনগর থানার ওসি সাদেকুর রহমান বলেন, ঘটনার পর থেকে ধর্ষক কাশেম মিয়া ও মাতবররা পলাতক রয়েছে। তাদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ, ৪ মাতবরসহ ধর্ষকের বিরুদ্ধে মামলা

 মুরাদনগর (কুমিল্লা) প্রতিনিধি 
২৭ আগস্ট ২০২১, ০১:৩৫ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লার মুরাদনগরে সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীকে (১৪) ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। আর এ ঘটনার ১৪ দিন পর বুধবার রাতে ওই ছাত্রীর মা বাদী হয়ে ৪ মাতবর ও ধর্ষকের বিরুদ্ধে মুরাদনগর থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

১২ আগস্ট উপজেলার দারোরা ইউনিয়নে এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত ধর্ষক কাশেম মিয়া (৫৫) পালাসুতা গ্রামের মৃত মতি মিয়ার ছেলে। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে গ্রাম্যমাতবরদের বিরুদ্ধে ৭০ হাজার টাকা ভাগাভাগি করার অভিযোগও রয়েছে।

সরেজমিন জানা যায়, লকডাউনের কারণে স্কুল বন্ধ থাকায় মায়ের সঙ্গে ৩টি ছাগল লালনপালন করতো ওই ছাত্রী। প্রতিদিনের মতো ১২ আগস্ট ছাগলকে ঘাস খাওয়াতে মাঠে যায়। দুপুরে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে গেলে ওতপেতে থাকা কাশেম মিয়া তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।

একপর্যায়ে ওই ছাত্রী ডাকচিৎকার শুরু করলে অভিযুক্ত কাশেম মিয়া দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরে পাশের বাড়ির লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে ওই ছাত্রীর মা-বাবা স্থানীয় মাতবরদের কাছে বিচার প্রার্থী হন। তারা ওই পরিবারটিকে কোনো প্রকার সহযোগিতা না করে উল্টো বিষয়টি ধামাচাপা দিতে বলা হয়।

এ বিষয়ে থানায় মামলা করতে যাওয়ার পথে অভিযুক্ত কাশেম মিয়ার ছেলে আক্তার হোসেন, স্থানীয় মাতবর হযরত আলী হর্জন, নুরুল ইসলাম ও মনির হোসেন ভুক্তভোগী পরিবারকে কিছু টাকা দিয়ে বিষয়টি নিষ্পত্তি করার কথা বলে। আর যদি বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি করা হয়, তাহলে পুরো পরিবারকে মেরে গ্রাম থেকে বের করে দেয়া হবে বলেও হুমকি দেয়া হয়।

পরে স্থানীয় সাংবাদিকদের সহযোগিতায় বুধবার রাতে ৪ মাতবরসহ অভিযুক্ত ধর্ষকের বিরুদ্ধে ওই ছাত্রীর মা বাদী হয়ে মামলা করেন।

মুরাদনগর থানার ওসি সাদেকুর রহমান বলেন, ঘটনার পর থেকে ধর্ষক কাশেম মিয়া ও মাতবররা পলাতক রয়েছে। তাদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন