প্রকাশ্যে নারীকে লাঠিপেটা, চার আসামি গ্রেফতার
jugantor
প্রকাশ্যে নারীকে লাঠিপেটা, চার আসামি গ্রেফতার

  কুমিল্লা ব্যুরো  

২৭ আগস্ট ২০২১, ২০:২৬:০৩  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লার দেবিদ্বারে ধর্ষণচেষ্টা মামলা তুলে না নেওয়ায় এক কিশোরী ও তার মা-বাবাকে প্রকাশ্যে লাঠি পেঠার ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত ও শুক্রবার ভোরে জেলার বিভিন্ন জায়গায় র‌্যাব-পুলিশযৌথ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে।

তবে এ ঘটনার মূল আসামি কাউছার ও হাসান এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে।

গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলো- উপজেলার কুরছাপ গ্রামের মৃত আলী হোসেনের ছেলে মো. নুরুল ইসলাম (৬৮) ও মো. মোস্তফা কামাল (৬১), কাউছারের স্ত্রী মোসা.নারগিছ বেগম (৩০) এবং মোস্তাফা কামালের স্ত্রী মোসা. কুলছুম বেগম।

মামলার বিবরণ ও র‌্যাব সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের জুন মাসের প্রথম দিকে উপজেলার সুলতানর পুর ইউনিয়নের কুরছাপ পূর্বপাড়ায় মো.নুরুল ইসলামের ছেলে মো.হাসান একই বাড়ির এক কিশোরীকে খালি ঘরে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা চালান। ঘটনা জানাজানি হলে কিশোরীর বাবা গত ৯ জুন দেবিদ্বার থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলার পর হাসানের পরিবার বাদীকে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে আসছিলেন। মামলা আপোষ-মীমাংসা না করায় ক্ষিপ্ত হয়ে গত ২০ আগস্ট দুপুরে ভুক্তভোগী কিশোরীর মাকে প্রকাশ্যে লাঠিপেটা করেন হাসানের বড় ভাই মো. কাউছার। এই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। পরে বৃস্পতিবার রাতে নির্যাতনের শিকার কিশোরীর বাবা মো.জামাল হোসেন ছয় জনের নাম উল্লেখ করে দেবিদ্বার থানায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, কুমিল্লা র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ ও দেবিদ্বার থানা পুলিশের একটি টিম যৌথ অভিযান চালিয়ে মামলার চার আসামিকে গ্রেফতার করেছে।

ঘটনার বিষয়ে কুমিল্লা র‌্যাব-১১,সিপিসি-২ উপ-পরিচালক মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নির্যাতনের একটি ভিডিও দেখে অভিযান চালিয়ে হত্যাচেষ্টা মামলার এজাহারভুক্ত নারীসহ তিন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনার মূল আসামিকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।

দেবিদ্বার থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আরিফুর রহমান বলেন, র‌্যাবেরঅভিযানে তিনজন ও দেবিদ্বার থানা পুলিশের অভিযানে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত মূল আসামিদেরও গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।

প্রকাশ্যে নারীকে লাঠিপেটা, চার আসামি গ্রেফতার

 কুমিল্লা ব্যুরো 
২৭ আগস্ট ২০২১, ০৮:২৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লার দেবিদ্বারে ধর্ষণচেষ্টা মামলা তুলে না নেওয়ায় এক কিশোরী ও তার মা-বাবাকে প্রকাশ্যে লাঠি পেঠার ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত ও শুক্রবার ভোরে জেলার বিভিন্ন জায়গায় র‌্যাব-পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে।

তবে এ ঘটনার মূল আসামি কাউছার ও হাসান এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে। 

গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলো- উপজেলার কুরছাপ গ্রামের মৃত আলী হোসেনের ছেলে মো. নুরুল ইসলাম (৬৮) ও মো. মোস্তফা কামাল (৬১), কাউছারের স্ত্রী মোসা.নারগিছ  বেগম (৩০) এবং  মোস্তাফা কামালের স্ত্রী মোসা. কুলছুম বেগম।

মামলার বিবরণ ও র‌্যাব সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের জুন মাসের প্রথম দিকে উপজেলার সুলতানর পুর ইউনিয়নের কুরছাপ পূর্বপাড়ায়  মো.নুরুল ইসলামের ছেলে মো.হাসান একই বাড়ির এক কিশোরীকে খালি ঘরে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা চালান। ঘটনা জানাজানি হলে কিশোরীর বাবা গত ৯ জুন দেবিদ্বার থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলার পর হাসানের পরিবার বাদীকে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে আসছিলেন। মামলা আপোষ-মীমাংসা না করায় ক্ষিপ্ত হয়ে গত ২০ আগস্ট দুপুরে ভুক্তভোগী কিশোরীর মাকে প্রকাশ্যে লাঠিপেটা করেন হাসানের বড় ভাই মো. কাউছার। এই ঘটনার  একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। পরে বৃস্পতিবার রাতে নির্যাতনের শিকার কিশোরীর বাবা মো.জামাল হোসেন ছয় জনের নাম উল্লেখ করে দেবিদ্বার থানায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন। 

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. মাহবুবুর রহমান  বলেন, কুমিল্লা র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ ও  দেবিদ্বার থানা পুলিশের একটি টিম যৌথ অভিযান চালিয়ে মামলার চার আসামিকে গ্রেফতার করেছে।

ঘটনার বিষয়ে কুমিল্লা র‌্যাব-১১,সিপিসি-২ উপ-পরিচালক মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নির্যাতনের একটি ভিডিও দেখে অভিযান চালিয়ে হত্যাচেষ্টা মামলার এজাহারভুক্ত নারীসহ তিন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনার মূল আসামিকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।

দেবিদ্বার থানার অফিসার  ইনচার্জ মো. আরিফুর রহমান বলেন, র‌্যাবের অভিযানে তিনজন ও দেবিদ্বার থানা পুলিশের অভিযানে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত মূল আসামিদেরও গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন