অপমানের প্রতিশোধ নিতেই খুন করা হয় মাঝি আরজুকে
jugantor
অপমানের প্রতিশোধ নিতেই খুন করা হয় মাঝি আরজুকে

  নাটোর, সিংড়া ও  গুরুদাসপুর প্রতিনিধি   

৩০ আগস্ট ২০২১, ২১:২৪:১১  |  অনলাইন সংস্করণ

নাটোরের সিংড়ার আনন্দনগরে নিখোঁজের দুই দিন পর উদ্ধারকৃত নৌকার মাঝি আরজুকে আট মাস আগের একটি অপমানের প্রতিশোধ নিতেই তিন কিশোর মিলে কুপিয়ে জীবন্ত অবস্থায় পানিতে ফেলে হত্যা করে।

ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে জড়িত বায়েজিদ (১৮) নামে এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার রাত সোয়া ১২টার দিকে বায়েজিদকে গুরুদাসপুরের বেড়গঙ্গারামপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

বায়েজিদ গুরুদাসপুরের বিলহরিবাড়ি গ্রামের নাসির বোস্তামির ছেলে।

নাটোরে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সোমবার দুপুরে আসামি বায়েজিদ বোস্তামীকে সাংবাদিকদের সামনে হাজির করা হয়।

এ সময় প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা বলেন, গত ২৬ আগস্ট বায়েজিদ চলনবিলের তিসিখালী ভ্রমণের কথা বলে আরজুর নৌকা ভাড়া নিয়ে বিলদহর থেকে যাত্রা শুরু করে। পরে হরদমা এলাকা থেকে তার আরও দুই বন্ধু নৌকায় ওঠে। আট মাস আগে এদের একজন প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে মাঝি আরজুর হাতে লাঞ্ছিত হয়েছিলেন। তার প্রতিশোধ নিতে পরিকল্পিতভাবে তিন বন্ধু মিলে বিলের মধ্যে গিয়ে জোর করে মাঝি আরজুর হাত-পা বেঁধে চাইনিজ কুড়াল দিয়ে তার ঘাড়ে তিনটি কোপ দেয়। রক্তাক্ত অবস্থায় জীবিত থাকতেই মাঝিকে নৌকা থেকে পানিতে ফেলে মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর তিন বন্ধু নৌকা রেখে পালিয়ে যায়।

পুলিশ সুপার বলেন, পরে সিংড়া থেকে রক্তমাখা নৌকা উদ্ধারের একদিন পর গুরুদাসপুরের বালশা এলাকায় লাশ দেখতে পান স্থানীয় জেলেরা। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে থানায় নিলে তা আরজুর বলে শনাক্ত করে পরিবার। এ ঘটনায় মামলার পর সিংড়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার জামিল হোসেনের নেতৃত্বে গভীর রাতে বায়েজিদকে পুলিশ আটক করে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অপর দুইজনকে এখনো আটক করতে পারেনি পুলিশ। মামলার স্বার্থে ওই দুইজনের নাম প্রকাশ করেননি পুলিশ সুপার।

অপমানের প্রতিশোধ নিতেই খুন করা হয় মাঝি আরজুকে

 নাটোর, সিংড়া ও  গুরুদাসপুর প্রতিনিধি  
৩০ আগস্ট ২০২১, ০৯:২৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নাটোরের সিংড়ার আনন্দনগরে নিখোঁজের দুই দিন পর উদ্ধারকৃত নৌকার মাঝি আরজুকে আট মাস আগের একটি অপমানের প্রতিশোধ নিতেই তিন কিশোর মিলে কুপিয়ে জীবন্ত অবস্থায় পানিতে ফেলে হত্যা করে।

ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে জড়িত বায়েজিদ (১৮) নামে এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার রাত সোয়া ১২টার দিকে বায়েজিদকে গুরুদাসপুরের বেড়গঙ্গারামপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

বায়েজিদ গুরুদাসপুরের বিলহরিবাড়ি গ্রামের নাসির বোস্তামির ছেলে।

নাটোরে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সোমবার দুপুরে আসামি বায়েজিদ বোস্তামীকে সাংবাদিকদের সামনে হাজির করা হয়।

এ সময় প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা বলেন, গত ২৬ আগস্ট বায়েজিদ চলনবিলের তিসিখালী ভ্রমণের কথা বলে আরজুর নৌকা ভাড়া নিয়ে বিলদহর থেকে যাত্রা শুরু করে। পরে হরদমা এলাকা থেকে তার আরও দুই বন্ধু নৌকায় ওঠে। আট মাস আগে এদের একজন প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে মাঝি আরজুর হাতে লাঞ্ছিত হয়েছিলেন। তার প্রতিশোধ নিতে পরিকল্পিতভাবে তিন বন্ধু মিলে বিলের মধ্যে গিয়ে জোর করে মাঝি আরজুর হাত-পা বেঁধে চাইনিজ কুড়াল দিয়ে তার ঘাড়ে তিনটি কোপ দেয়। রক্তাক্ত অবস্থায় জীবিত থাকতেই মাঝিকে নৌকা থেকে পানিতে ফেলে মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর তিন বন্ধু নৌকা রেখে পালিয়ে যায়।

পুলিশ সুপার বলেন, পরে সিংড়া থেকে রক্তমাখা নৌকা উদ্ধারের একদিন পর গুরুদাসপুরের বালশা এলাকায় লাশ দেখতে পান স্থানীয় জেলেরা। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে থানায় নিলে তা আরজুর বলে শনাক্ত করে পরিবার। এ ঘটনায় মামলার পর সিংড়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার জামিল হোসেনের নেতৃত্বে গভীর রাতে বায়েজিদকে পুলিশ আটক করে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অপর দুইজনকে এখনো আটক করতে পারেনি পুলিশ। মামলার স্বার্থে ওই দুইজনের নাম প্রকাশ করেননি পুলিশ সুপার।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর
 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন