ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দেন আজিম
jugantor
ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দেন আজিম

  চাঁদপুর প্রতিনিধি  

৩০ আগস্ট ২০২১, ২১:৪৮:৫৮  |  অনলাইন সংস্করণ

চাঁদপুরে চলন্ত আন্তঃনগর মেঘনা এক্সপ্রেসের নিচে মাহাতাব উদ্দিন খান আজিম নামে এক যুবক ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। এ ঘটনার পর চট্টগ্রাম রেলওয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অতি. এসআরবি) মো. আব্দুর গফুরসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা চাঁদপুর পরিদর্শনে আসেন।

তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন, নিহত মাহাতাব উদ্দিনের পরিবার, এলাকাবাসী ও তার অভিভাবকের সঙ্গে কথা বলেন। তাদের বক্তব্য শুনে তা মামলার প্রয়োজনে লিপিবদ্ধ করেন।

পুলিশ সুপার মো. আব্দুর গফুরসহ অন্য কর্মকর্তারা সোমবার চট্টগ্রাম থেকে সকাল ১০টায় চাঁদপুর এসে দিনব্যাপী ব্যাপক তদন্ত শেষে চাঁদপুর ত্যাগ করেন।

জানা যায়, চাঁদপুর শহরের বিষ্ণনদী ব্যাংক কলোনি এলাকার বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মো. নূর হোসেন খানের একমাত্র ছেলে ছিল একই এলাকার সানফ্লাওয়ার নামে একটি কিন্ডারগার্টেন শিশু বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহাতাব উদ্দিন খান আজিম।

এলাকাবাসী জানান, বিদ্যালয়টি করোনা মহামারির কারণে বন্ধ রাখতে হয়েছে। এতে বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও মাহাতাব উদ্দিন নিজেও আর্থিক সংকটে পড়েন। এরই মধ্যে বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণের জায়গাটি নিয়ে তাদের পারিবারিকভাবে পক্ষে-বিপক্ষে চলতে থাকে ঝগড়া বিবাদ।

এলাকার অনেকে জানান, বিদ্যালয়ের জায়গাটি তার পিতা একমাত্র ছেলের নামে না দিয়ে তার মেয়ের নামে লিখে দেন। তা নিয়ে গত শুক্রবার দিনব্যাপী ঝগড়া হয়। ওই দিন ঝগড়ার একপর্যায়ে পরিবারের লোকজন মাহাতাব উদ্দিন খান আজিমকে বিভিন্ন কথা বলে উত্তেজিত করেন। আর তাতে আজিম নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে আত্মহত্যার পথ বেছে নেন।

চাঁদপুর রেলওয়ে থানার ওসি মো. মুরাদ উল্যাহ বাহার জানান, নিহত আজিমের পরিবারের ও এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানতে পারেন ওই যুবক জমিসংক্রান্ত ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধের কারণে আত্মহত্যা করতে পারেন।

এদিকে পরিবারের পক্ষ থেকে নিহত মাহাতাব উদ্দিন খান আজিমকে মাদক ও নেশাগ্রস্ত ছেলে বলে পুলিশের কাছে দাবি করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, কিন্ডারগার্টেন শিক্ষক মো. মাহাতাব উদ্দিন খান (৩৮) চাঁদপুর-চট্টগ্রামের মধ্যে চলাচলকারী মেঘনা এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে ঝাঁপিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করেন। এ ঘটনায় এলাকায় নিহত যুবকের শতাধিক সহপাঠী ও এলাকাবাসী নিহতের অভিভাবককে এ আত্মহত্যার জন্য দায়ী করে তাদের বাসায় গিয়ে হট্টগোল সৃষ্টি করেন। তারা অভিভাবকের বিচার দাবি করেন। তা না হলে তারা লাশ দাফন করতে দেবে না বলেও হুমকি দেন। নিহতের বাড়িতে রেলওয়ে থানার ব্যাপক পুলিশ অবস্থান করে এবং ঘটনাটি সমাধানের লক্ষ্যে পরিস্থিতি শান্ত করে পুলিশ চলে যায়। তারপর লাশ দাফন করা হয়।

ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দেন আজিম

 চাঁদপুর প্রতিনিধি 
৩০ আগস্ট ২০২১, ০৯:৪৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

চাঁদপুরে চলন্ত আন্তঃনগর মেঘনা এক্সপ্রেসের নিচে মাহাতাব উদ্দিন খান আজিম নামে এক যুবক ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। এ ঘটনার পর চট্টগ্রাম রেলওয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অতি. এসআরবি) মো. আব্দুর গফুরসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা চাঁদপুর পরিদর্শনে আসেন।

তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন, নিহত মাহাতাব উদ্দিনের পরিবার, এলাকাবাসী ও তার অভিভাবকের সঙ্গে কথা বলেন। তাদের বক্তব্য শুনে তা মামলার প্রয়োজনে লিপিবদ্ধ করেন।

পুলিশ সুপার মো. আব্দুর গফুরসহ অন্য কর্মকর্তারা সোমবার চট্টগ্রাম থেকে সকাল ১০টায় চাঁদপুর এসে দিনব্যাপী ব্যাপক তদন্ত শেষে চাঁদপুর ত্যাগ করেন।

জানা যায়, চাঁদপুর শহরের বিষ্ণনদী ব্যাংক কলোনি এলাকার বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মো. নূর হোসেন খানের একমাত্র ছেলে ছিল একই এলাকার সানফ্লাওয়ার নামে একটি কিন্ডারগার্টেন শিশু বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহাতাব উদ্দিন খান আজিম।

এলাকাবাসী জানান, বিদ্যালয়টি করোনা মহামারির কারণে বন্ধ রাখতে হয়েছে। এতে বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও মাহাতাব উদ্দিন নিজেও আর্থিক সংকটে পড়েন। এরই মধ্যে বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণের জায়গাটি নিয়ে তাদের পারিবারিকভাবে পক্ষে-বিপক্ষে চলতে থাকে ঝগড়া বিবাদ।

এলাকার অনেকে জানান, বিদ্যালয়ের জায়গাটি তার পিতা একমাত্র ছেলের নামে না দিয়ে তার মেয়ের নামে লিখে দেন। তা নিয়ে গত শুক্রবার দিনব্যাপী ঝগড়া হয়। ওই দিন ঝগড়ার একপর্যায়ে পরিবারের লোকজন মাহাতাব উদ্দিন খান আজিমকে বিভিন্ন কথা বলে উত্তেজিত করেন। আর  তাতে আজিম নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে আত্মহত্যার পথ বেছে নেন।

চাঁদপুর রেলওয়ে থানার ওসি মো. মুরাদ উল্যাহ বাহার জানান, নিহত আজিমের পরিবারের ও এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানতে পারেন ওই যুবক জমিসংক্রান্ত ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধের কারণে আত্মহত্যা করতে পারেন।

এদিকে পরিবারের পক্ষ থেকে নিহত মাহাতাব উদ্দিন খান আজিমকে মাদক ও নেশাগ্রস্ত ছেলে বলে পুলিশের কাছে দাবি করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, কিন্ডারগার্টেন শিক্ষক মো. মাহাতাব উদ্দিন খান (৩৮) চাঁদপুর-চট্টগ্রামের মধ্যে চলাচলকারী মেঘনা এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে ঝাঁপিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করেন। এ ঘটনায় এলাকায় নিহত যুবকের শতাধিক সহপাঠী ও এলাকাবাসী নিহতের অভিভাবককে এ আত্মহত্যার জন্য দায়ী করে তাদের বাসায় গিয়ে হট্টগোল সৃষ্টি করেন। তারা অভিভাবকের বিচার দাবি করেন। তা না হলে তারা লাশ দাফন করতে দেবে না বলেও হুমকি দেন। নিহতের বাড়িতে রেলওয়ে থানার ব্যাপক পুলিশ অবস্থান করে এবং ঘটনাটি সমাধানের লক্ষ্যে পরিস্থিতি শান্ত করে পুলিশ চলে যায়। তারপর লাশ দাফন করা হয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন