পদ্মার ভাঙনে হারিয়ে যাচ্ছে মসজিদ
jugantor
পদ্মার ভাঙনে হারিয়ে যাচ্ছে মসজিদ

  আবু বাক্কার মাঝি, টঙ্গীবাড়ি (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি  

৩১ আগস্ট ২০২১, ১২:০৫:৫৯  |  অনলাইন সংস্করণ

মসজিদ বিলীন

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ি উপজেলায় একটি মসজিদ নির্মাণকাজ শেষ না হতেই পদ্মায় হারিয়ে যাচ্ছে।

উপজেলার কামারখাড়া ইউনিয়নের চৌসার গ্রামে ৭০ বছরের পুরনো মসজিদটি ভেঙে দুই বছর আগে নতুনভাবে নির্মাণকাজ শুরু করেছিলেন স্থানীয়রা। কিন্তু নদীর পানির তোড়ে তা বিলীন হতে চলেছে। উজান থেকে নেমে আসা ঢলের পানি পদ্মা নদী দিয়ে তীব্র আকারে বয়ে যাচ্ছে। এতে হঠাৎ করে নদীতে ভাঙন দেখা দিয়েছে।

উপজেলার পূর্ব হাসাইল গ্রাম থেকে দীঘিরপাড় পর্যন্ত প্রায় ৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ভাঙন দেখা দেয়। ঘরবাড়ির পাশাপাশি একে একে বিলীন হয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন সামাজিক স্থাপনা।

মঙ্গলবার সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, চৌসার মেওয়াতলা জামে মসজিদটির এক পাশের কলমের নিচের মাটি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। দিন দিন ভাঙন বৃদ্ধি পাওয়ায় মসজিদের তলার মাটি সরে যাচ্ছে। অসহায়ভাবে এতিমের মতো তাকিয়ে আছে ওই সমাজের লোকজন। যে কোনো মুহূর্তে পদ্মা মসজিদটি গিলে খাবে।

ওই মসজিদের ইমাম তৈয়ব আলী জানান, ৭০ বছর ধরে এ স্থানেই ছিল মসজিদটি। আগের ভবনটি জরাজীর্ণ হয়ে যাওয়ায় পুনরায় মসজিদটি নির্মাণ করার কাজ চলছিল। কিন্তু কাজ শেষ না হতেই নদীতে বিলীন হতে চলছে মসজিদটি।

এ বিষয়ে টঙ্গীবাড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদা পারভীন বলেন, নদীভাঙন এলাকাগুলোতে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে ভাঙন রোধে জিওব্যাগ ফেলা হচ্ছে।

পদ্মার ভাঙনে হারিয়ে যাচ্ছে মসজিদ

 আবু বাক্কার মাঝি, টঙ্গীবাড়ি (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি 
৩১ আগস্ট ২০২১, ১২:০৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
মসজিদ বিলীন
ছবি: যুগান্তর

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ি উপজেলায় একটি মসজিদ নির্মাণকাজ শেষ না হতেই পদ্মায় হারিয়ে যাচ্ছে।

উপজেলার কামারখাড়া ইউনিয়নের চৌসার গ্রামে ৭০ বছরের পুরনো মসজিদটি ভেঙে দুই বছর আগে নতুনভাবে নির্মাণকাজ শুরু করেছিলেন স্থানীয়রা। কিন্তু নদীর পানির তোড়ে তা বিলীন হতে চলেছে। উজান থেকে নেমে আসা ঢলের পানি পদ্মা নদী দিয়ে তীব্র আকারে বয়ে যাচ্ছে। এতে হঠাৎ করে নদীতে ভাঙন দেখা দিয়েছে।

উপজেলার পূর্ব হাসাইল গ্রাম থেকে দীঘিরপাড় পর্যন্ত প্রায় ৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ভাঙন দেখা দেয়। ঘরবাড়ির পাশাপাশি একে একে বিলীন হয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন সামাজিক স্থাপনা।

মঙ্গলবার সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, চৌসার মেওয়াতলা জামে মসজিদটির এক পাশের কলমের নিচের মাটি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। দিন দিন ভাঙন বৃদ্ধি পাওয়ায় মসজিদের তলার মাটি সরে যাচ্ছে। অসহায়ভাবে এতিমের মতো তাকিয়ে আছে ওই সমাজের লোকজন। যে কোনো মুহূর্তে পদ্মা মসজিদটি গিলে খাবে।

ওই মসজিদের ইমাম তৈয়ব আলী জানান, ৭০ বছর ধরে এ স্থানেই ছিল মসজিদটি। আগের ভবনটি জরাজীর্ণ হয়ে যাওয়ায় পুনরায় মসজিদটি নির্মাণ করার কাজ চলছিল। কিন্তু কাজ শেষ না হতেই নদীতে বিলীন হতে চলছে মসজিদটি।

এ বিষয়ে টঙ্গীবাড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদা পারভীন বলেন, নদীভাঙন এলাকাগুলোতে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে ভাঙন রোধে জিওব্যাগ ফেলা হচ্ছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন