সিরাজগঞ্জে নাতিকে হত্যার দায়ে দাদির মৃত্যুদণ্ড
jugantor
সিরাজগঞ্জে নাতিকে হত্যার দায়ে দাদির মৃত্যুদণ্ড

  সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি  

৩১ আগস্ট ২০২১, ১৫:০৪:৪০  |  অনলাইন সংস্করণ

মৃত্যুদণ্ড

সিরাজগঞ্জে নাতিকে গলাটিপে শ্বাসরোধে হত্যার দায়ে দাদি কুলসুম খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় সিরাজগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ ফজলে খোদা মো. নাজির আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কুলসুম খাতুন সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার শিয়ালকোল ইউনিয়নের ধুকুরিয়া শেখপাড়া গ্রামের মজিবুর রহমানের স্ত্রী। সরকার পক্ষের আইনজীবী আব্দুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ২০১৮ সালের ১৭ জুন দুপুরে খাওয়ার পর আসামি কুলসুম খাতুনের নাতি স্থানীয় ব্র্যাক স্কুলের ছাত্র রিফাত হোসেন (৭) বাড়ি থেকে ৫০০ গজ দূরে খেলতে যায়। এ সময় কুলসুম খাতুন তাকে ডেকে পার্শ্ববর্তী সাত্তারের পাটক্ষেতে নিয়ে গলাটিপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে।

ঘটনার পর দিন রিফাতের বাবা চাঁন মিয়া বাদী হয়ে কুলসুম খাতুন ও সাইদুল হক নামে দুজনকে আসামি করে মামলা করেন। পরে আসামিদের গ্রেফতার করে আদালতে হাজির করা হলে কুলসুম খাতুন ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।

ওই মামলার দীর্ঘ শুনানি শেষে কুলসুমকে মৃত্যুদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় অপর আসামি সাইদুল হককে বেকুসুর খালাস প্রদান করেন বিচারক।

সিরাজগঞ্জে নাতিকে হত্যার দায়ে দাদির মৃত্যুদণ্ড

 সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি 
৩১ আগস্ট ২০২১, ০৩:০৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
মৃত্যুদণ্ড
ফাইল ছবি

সিরাজগঞ্জে নাতিকে গলাটিপে শ্বাসরোধে হত্যার দায়ে দাদি কুলসুম খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় সিরাজগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ ফজলে খোদা মো. নাজির আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কুলসুম খাতুন সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার শিয়ালকোল ইউনিয়নের ধুকুরিয়া শেখপাড়া গ্রামের মজিবুর রহমানের স্ত্রী।  সরকার পক্ষের আইনজীবী আব্দুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ২০১৮ সালের ১৭ জুন দুপুরে খাওয়ার পর আসামি কুলসুম খাতুনের নাতি স্থানীয় ব্র্যাক স্কুলের ছাত্র রিফাত হোসেন (৭) বাড়ি থেকে ৫০০ গজ দূরে খেলতে যায়। এ সময় কুলসুম খাতুন তাকে ডেকে পার্শ্ববর্তী সাত্তারের পাটক্ষেতে নিয়ে গলাটিপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে।

ঘটনার পর দিন রিফাতের বাবা চাঁন মিয়া বাদী হয়ে কুলসুম খাতুন ও সাইদুল হক নামে দুজনকে আসামি করে মামলা করেন। পরে আসামিদের গ্রেফতার করে আদালতে হাজির করা হলে কুলসুম খাতুন ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।

ওই মামলার দীর্ঘ শুনানি শেষে কুলসুমকে মৃত্যুদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় অপর আসামি সাইদুল হককে বেকুসুর খালাস প্রদান করেন বিচারক।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন