দাফনের ৭ দিন পর গৃহবধূর লাশ উত্তোলন
jugantor
দাফনের ৭ দিন পর গৃহবধূর লাশ উত্তোলন

  বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি  

৩১ আগস্ট ২০২১, ১৫:৫২:২২  |  অনলাইন সংস্করণ

দাফনের ৭ দিন পর গৃহবধূর লাশ উত্তোলন

বিরামপুরে গৃহবধূকে দাফনের সাত দিন পর আদালতের নির্দেশে লাশ উত্তোলন করা হয়েছে। মঙ্গলবার উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পরিমল কুমার সরকারের উপস্থিতিতে কবর থেকে লাশ তুলে দিনাজপুরে মর্গে পাঠায় পুলিশ।

মামলা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কাটলা ইউনিয়নের পলিখিয়ার মামুদপুর গ্রামের ফয়েজ উদ্দিনের পুত্র আব্দুর রাজ্জাক বিদ্যুতের(৩৭) স্ত্রী জেসমিন আরাকে পারিবারিক কলহের কারণে প্রায়শই মারপিট করত। গত ২৩ আগস্ট বিকালে সে আবার তার স্ত্রী জেসমিন আরাকে মারপিট করে। এ সময় বিদ্যুতের দুই ভাইও মোতালেব হোসেন পলাশ, আকাশ এবং পলাশের স্ত্রী শিউলী বেগমও জেসমিনকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে।

এসব ঘটনায় অতিষ্ঠ হয়ে জিসমিন আরা তার স্বামীর বাড়ির শয়নকক্ষে গিয়ে গোপনে কীটনাশক পান করে।এর পর বিষক্রিয়া শুরু হলে স্থানীয়রা তাকে বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন ২৫ আগস্ট ভোরে জেসমিনের মৃত্যু হয়।

এদিকে তার স্বামী ও পরিবারের লোকজন হাসপাতাল থেকে কৌশলে লাশ এনে থানা পুলিশকে না জানিয়ে ২৫ আগস্ট গ্রাম্য শালীশের পর লাশ দাফন করে।

থানার ওসি সুমন কুমার মহন্ত যুগান্তরকে জানান, এ ঘটনায় স্থানীয় গ্রাম পুলিশ হামিদুর রহমান বাদী হয়ে আত্মহত্যার প্ররোচনা ও দ্রুত আলামত নষ্টের অভিযোগে ২৬ আগস্ট থানায় একটি মামলা করেছেন। জেসমিনের স্বামী আব্দুর রাজ্জাক বিদ্যুতকে আটক করে ২৬ আগস্ট আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত তাকে জেলহাজতে পাঠান।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহজাহান সিরাজ যুগান্তরকে জানান, প্রধান আসামি নিহতের স্বামী আব্দুর রাজ্জাক বিদ্যুৎ জেলহাজতে রয়েছে। আদালতের নির্দেশে মঙ্গলবার জেসমিনের লাশ উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর মর্গে পাঠানো হয়েছে।

দাফনের ৭ দিন পর গৃহবধূর লাশ উত্তোলন

 বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি 
৩১ আগস্ট ২০২১, ০৩:৫২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
দাফনের ৭ দিন পর গৃহবধূর লাশ উত্তোলন
ফাইল ছবি

বিরামপুরে গৃহবধূকে দাফনের সাত দিন পর আদালতের নির্দেশে লাশ উত্তোলন করা হয়েছে। মঙ্গলবার উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পরিমল কুমার সরকারের উপস্থিতিতে কবর থেকে লাশ তুলে দিনাজপুরে মর্গে পাঠায় পুলিশ।

মামলা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কাটলা ইউনিয়নের পলিখিয়ার মামুদপুর গ্রামের ফয়েজ উদ্দিনের পুত্র আব্দুর রাজ্জাক বিদ্যুতের(৩৭) স্ত্রী জেসমিন আরাকে পারিবারিক কলহের কারণে প্রায়শই মারপিট করত। গত ২৩ আগস্ট বিকালে সে আবার তার স্ত্রী জেসমিন আরাকে মারপিট করে। এ সময় বিদ্যুতের দুই ভাইও মোতালেব হোসেন পলাশ, আকাশ এবং পলাশের স্ত্রী শিউলী বেগমও জেসমিনকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে।

এসব ঘটনায় অতিষ্ঠ হয়ে জিসমিন আরা তার স্বামীর বাড়ির শয়নকক্ষে গিয়ে গোপনে কীটনাশক পান করে।এর পর বিষক্রিয়া শুরু হলে স্থানীয়রা তাকে বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন ২৫ আগস্ট ভোরে জেসমিনের মৃত্যু হয়।

এদিকে তার স্বামী ও পরিবারের লোকজন হাসপাতাল থেকে কৌশলে লাশ এনে থানা পুলিশকে না জানিয়ে ২৫ আগস্ট গ্রাম্য শালীশের পর লাশ দাফন করে।

থানার ওসি সুমন কুমার মহন্ত যুগান্তরকে জানান, এ ঘটনায় স্থানীয় গ্রাম পুলিশ হামিদুর রহমান বাদী হয়ে আত্মহত্যার প্ররোচনা ও দ্রুত আলামত নষ্টের অভিযোগে ২৬ আগস্ট থানায় একটি মামলা করেছেন। জেসমিনের স্বামী আব্দুর রাজ্জাক বিদ্যুতকে আটক করে ২৬ আগস্ট আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত তাকে জেলহাজতে পাঠান।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহজাহান সিরাজ যুগান্তরকে জানান, প্রধান আসামি নিহতের স্বামী আব্দুর রাজ্জাক বিদ্যুৎ জেলহাজতে রয়েছে। আদালতের নির্দেশে মঙ্গলবার জেসমিনের লাশ উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর মর্গে পাঠানো হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন