ভিন্ন গ্রুপের রক্ত পুশ, যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছেন প্রসূতি
jugantor
ভিন্ন গ্রুপের রক্ত পুশ, যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছেন প্রসূতি

  ফরিদপুর ব্যুরো  

৩১ আগস্ট ২০২১, ২২:০২:৩৫  |  অনলাইন সংস্করণ

শরীরে ভিন্ন গ্রুপের রক্ত প্রবেশ করানোয় হাসপাতালে যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছেন আঁখি (১৮) নামের এক প্রসূতি। তিনি ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন ভবনের তৃতীয়তলার গাইনি ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন।

আঁখির স্বজনরা জানান, জেলার সালথা উপজেলার খারদিয়া গ্রামের আলামিনের স্ত্রী আঁখি গত বৃহস্পতিবার ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। রোগীর রক্তশূন্যতা দেখা দিলে চিকিৎসক তাকে দুই ব্যাগ রক্ত দিতে বলেন।

আঁখির স্বামী মো. আলামীন জানান, শুক্রবার তার স্ত্রীকে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক আঁখির শরীরে ২ ব্যাগ রক্ত দেওয়ার পরামর্শ দেন। হাসপাতালে আঁখির রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা করে জানানো হয় এ পজিটিভ। ওই সময় রোগীর স্বজনরা ডোনার এনে রক্ত দেন এবং তা আঁখির শরীরে দেওয়া হয়। আর এ রক্ত দেওয়ার পর থেকেই প্রসূতি আঁখি শরীরের যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে এবং ছটফট করছে। এখন রোগীর কী হবে তা নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন স্বজনরা।

স্বজনরা গণমাধ্যমকে জানান, আঁখির রক্তের গ্রুপ মূলত বি পজিটিভ। তার শরীরে ভুল গ্রুপের রক্ত প্রবেশ করানোর কারণে প্রসূতির খারাপ অবস্থা।

এ বিষয়ে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক মো. সাইফুর রহমান বলেন, আমার কাছে স্বজনরা অভিযোগ করলে আমি এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেব।

ভিন্ন গ্রুপের রক্ত পুশ, যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছেন প্রসূতি

 ফরিদপুর ব্যুরো 
৩১ আগস্ট ২০২১, ১০:০২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

শরীরে ভিন্ন গ্রুপের রক্ত প্রবেশ করানোয় হাসপাতালে যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছেন আঁখি (১৮) নামের এক প্রসূতি। তিনি ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন ভবনের তৃতীয়তলার গাইনি ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন।

আঁখির স্বজনরা জানান, জেলার সালথা উপজেলার খারদিয়া গ্রামের আলামিনের স্ত্রী আঁখি গত বৃহস্পতিবার ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। রোগীর রক্তশূন্যতা দেখা দিলে চিকিৎসক তাকে দুই ব্যাগ রক্ত দিতে বলেন।

আঁখির স্বামী মো. আলামীন জানান, শুক্রবার তার স্ত্রীকে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক আঁখির শরীরে ২ ব্যাগ রক্ত দেওয়ার পরামর্শ দেন। হাসপাতালে আঁখির রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা করে জানানো হয় এ পজিটিভ। ওই সময় রোগীর স্বজনরা ডোনার এনে রক্ত দেন এবং তা আঁখির শরীরে দেওয়া হয়। আর এ রক্ত দেওয়ার পর থেকেই প্রসূতি আঁখি শরীরের যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে এবং ছটফট করছে। এখন রোগীর কী হবে তা নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন স্বজনরা।

স্বজনরা গণমাধ্যমকে জানান, আঁখির রক্তের গ্রুপ মূলত বি পজিটিভ। তার শরীরে ভুল গ্রুপের রক্ত প্রবেশ করানোর কারণে প্রসূতির খারাপ অবস্থা।

এ বিষয়ে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক মো. সাইফুর রহমান বলেন, আমার কাছে স্বজনরা অভিযোগ করলে আমি এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেব।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন